ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিল্ম না থাকায় এক্সরে বন্ধ 

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিল্ম না থাকায় এক্সরে বন্ধ 

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: 
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে ফিল্মের সরবরাহ না থাকায় দুই সপ্তাহে ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে বাধ্য হচ্ছেন।
বুধবার (৭ আগস্ট) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, এক্স-রে কক্ষের সামনে নোটিশ টানানো আছে ‘এক্স-রে ফিল্ম সরবারহ না থাকায় এক্সে সেবা বন্ধ রয়েছে’।
সেখানে অপেক্ষমাণ বেশ কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, স্বল্পমূল্যে সেবা পাওয়ার আশায় তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছিলেন। কিন্তু এক্স-রে ফিল্ম না থাকায় সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে পাশের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেশি টাকা খরচ করে এক্স-রে করাতে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন গরিব ও নিম্নআয়ের রোগীরা। কেউ কেউ আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় এক্স-রে না করিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
জোতদৈবকী এলাকার মুনজুর রহমান মিঠু ও চর লালপুরের আজমিরা বেগম বলেন, ডাক্তার এক্স-রে করতে বলার পর এক্স-রে কক্ষে গেলে বলা হলো ফিল্ম নেই। পরে ধার করে এক আত্মীয় থেকে কাছের এক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ৮৫০ টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুনজুর রহমান বলেন, বর্তমানে এক্স-রে ফিল্ম মজুদে নেই। লিখিত ভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ফিল্ম পেলে দ্রুত সেবা চালু হবে।
নাটোর সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মাদ মুক্তাদির আরেফীন বলেন, নতুন অর্থ বছরের বরাদ্দ এখনো আসে নি। বরাদ্দ পেলে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। আশা করছি দ্রুতই এক্স-রে সেবা চালু হবে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিল্ম না থাকায় এক্সরে বন্ধ 

আপডেট টাইম : ০৯:১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিল্ম না থাকায় এক্সরে বন্ধ 

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: 
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে ফিল্মের সরবরাহ না থাকায় দুই সপ্তাহে ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে বাধ্য হচ্ছেন।
বুধবার (৭ আগস্ট) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, এক্স-রে কক্ষের সামনে নোটিশ টানানো আছে ‘এক্স-রে ফিল্ম সরবারহ না থাকায় এক্সে সেবা বন্ধ রয়েছে’।
সেখানে অপেক্ষমাণ বেশ কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, স্বল্পমূল্যে সেবা পাওয়ার আশায় তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছিলেন। কিন্তু এক্স-রে ফিল্ম না থাকায় সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে পাশের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেশি টাকা খরচ করে এক্স-রে করাতে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন গরিব ও নিম্নআয়ের রোগীরা। কেউ কেউ আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় এক্স-রে না করিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
জোতদৈবকী এলাকার মুনজুর রহমান মিঠু ও চর লালপুরের আজমিরা বেগম বলেন, ডাক্তার এক্স-রে করতে বলার পর এক্স-রে কক্ষে গেলে বলা হলো ফিল্ম নেই। পরে ধার করে এক আত্মীয় থেকে কাছের এক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ৮৫০ টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুনজুর রহমান বলেন, বর্তমানে এক্স-রে ফিল্ম মজুদে নেই। লিখিত ভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ফিল্ম পেলে দ্রুত সেবা চালু হবে।
নাটোর সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মাদ মুক্তাদির আরেফীন বলেন, নতুন অর্থ বছরের বরাদ্দ এখনো আসে নি। বরাদ্দ পেলে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। আশা করছি দ্রুতই এক্স-রে সেবা চালু হবে।