ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

সাড়া ফেলেছে সীমান্ত ঘেষা উপজেলা পোরশায় অবস্থিত কুঁড়েঘর ম্যাংগো রিসোর্ট

সাড়া ফেলেছে সীমান্ত ঘেষা উপজেলা পোরশায় অবস্থিত কুঁড়েঘর ম্যাংগো রিসোর্ট
 মোহাম্মদ আককাস আলী : নওগাঁর সীমান্ত ঘেষা উপজেলা পোরশায় অবস্থিত ‘কুড়ে ঘর ম্যাংগো রিসোর্ট’ এখন সাড়া ফেলেছে নেট দুনিয়াসহ সারা দেশে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীরা এক নজর দেখার জন্য ভিড় করছে এই রিসোর্টে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রিসোর্টটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। কুড়ে ঘর ম্যাংগো রিসোর্টটি নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের নোনাহার পশ্চিমপাড়া গ্রামে অবস্থিত।
তথ্যঅনুসন্ধানে জানা গেছে, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ ২০২১ সালে পোরশা উপজেলার নোনাহার গ্রামে এসে আমবাগান তৈরি করার জন্য স্থানীয় ব্যক্তিদের নিকট থেকে ৬০বিঘা জমি লিজ নেন। লিজ নেওয়া ওই জমিতে বিভিন্ন জাতের আম, পেয়ারা, ড্রাগন, আখ ও কফি চাষ শুরু করেন মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ। পাশাপাশি সেখানে তিনি গরু খামারও তৈরি করেন। তিনি তার বাগান এবং খামার দেখাশোনা করার জন্য এখানে এসে থাকার জন্য প্রথম দিকে দুটি ঘর তৈরি করেন।
প্রতিদিন এখানে দেখার জন্য আসতে থাকেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ। এখানে যারা বেড়াতে আসেন তারা এই ঘরগুলো দেখে বিমোহিত হন। গ্রামের পরিবেশ, নির্মল বাতাস, নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন, নানা বৈচিত্র আর সবুজের সমাহার উপভোগ করার জন্য দর্শনার্থীরা এখানে রাত্রী যাপনের ইচ্ছে পোষণ করতেন। প্রতিদিন আলাদা-আলাদা দর্শনার্থীদের একই আবদার শুনতে-শুনতে বাধ্য হয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এটিকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
আর এর নাম দেন ‘কুঁড়ে ঘর ম্যাংগো রিসোর্ট’। দর্শনার্থী ও ভ্রমণপ্রেমীদের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে এ রিসোর্টে তৈরি করা হয়েছে ৭টি রুম। এর মধ্যে রয়েছে ২টি ফ্যামিলি রুম, ৪টি সিঙ্গেল রুম ও ১টি কমন রুম। এখানে এক রাতে ৭ রুমে ২০ জন থাকতে পারে। ১ রাত ফ্যামিলি ও কমন রুমের ভাড়া ৬শ টাকা। সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ১ জন ২শ ও ২জন ৩শ টাকা। এখানে রয়েছে অ্যাটাচ ও কমন বাথরুম, বিদ্যুৎ এবং পানির ব্যবস্থা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নোনাহার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মধ্যে পাকা রাস্তা শেষ হয়ে প্রায় ২শ ফিট মেঠো পথ পেরুলেই কুঁড়ে ঘর ম্যাঙ্গো রিসোর্টের গেইট। আম বাগানের মধ্যে মেঠো রাস্তার ধারে তৈরি করা হয়েছে রিসোর্টটি। মাটির তৈরি সারি-সারি ঘর, আঙ্গিনায় সারি-সারি ফুল গাছ। তাল পাতা দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনা। আঙ্গিনায় পিঠ পেতে বসতে ডাকছে দড়ির তৈরি খাট। খাটে দেওয়া আছে বালিশ। চারিদিকে সবুজে ঘেরা। উপরে তাকালে নীল আকাশ। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। স্থানীয় বাঁশের কঞ্চি ও মাটি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ঘর। প্রথমে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বেড়া।
মানুষের চাহিদা মেটাতে তার এই রিসোর্ট তৈরি করা। রিসোর্টটিতে মানুষের বেশ সাড়া পাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিন এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এখানে এসে রাত্রীযাপন করছেন। আগামীতে তিনি এখানে কমিউনিটি ট্যুরিজমের ব্যবস্থা ও বোর্ড হাউজ করাসহ পোরশাকে আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হিসাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন বলেও জানান কুঁড়েঘর ম্যাংগো রিসোর্ট এর স্বত্বাধিকারী মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাড়া ফেলেছে সীমান্ত ঘেষা উপজেলা পোরশায় অবস্থিত কুঁড়েঘর ম্যাংগো রিসোর্ট

আপডেট টাইম : ০৯:১৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
সাড়া ফেলেছে সীমান্ত ঘেষা উপজেলা পোরশায় অবস্থিত কুঁড়েঘর ম্যাংগো রিসোর্ট
 মোহাম্মদ আককাস আলী : নওগাঁর সীমান্ত ঘেষা উপজেলা পোরশায় অবস্থিত ‘কুড়ে ঘর ম্যাংগো রিসোর্ট’ এখন সাড়া ফেলেছে নেট দুনিয়াসহ সারা দেশে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীরা এক নজর দেখার জন্য ভিড় করছে এই রিসোর্টে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রিসোর্টটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। কুড়ে ঘর ম্যাংগো রিসোর্টটি নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের নোনাহার পশ্চিমপাড়া গ্রামে অবস্থিত।
তথ্যঅনুসন্ধানে জানা গেছে, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ ২০২১ সালে পোরশা উপজেলার নোনাহার গ্রামে এসে আমবাগান তৈরি করার জন্য স্থানীয় ব্যক্তিদের নিকট থেকে ৬০বিঘা জমি লিজ নেন। লিজ নেওয়া ওই জমিতে বিভিন্ন জাতের আম, পেয়ারা, ড্রাগন, আখ ও কফি চাষ শুরু করেন মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ। পাশাপাশি সেখানে তিনি গরু খামারও তৈরি করেন। তিনি তার বাগান এবং খামার দেখাশোনা করার জন্য এখানে এসে থাকার জন্য প্রথম দিকে দুটি ঘর তৈরি করেন।
প্রতিদিন এখানে দেখার জন্য আসতে থাকেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ। এখানে যারা বেড়াতে আসেন তারা এই ঘরগুলো দেখে বিমোহিত হন। গ্রামের পরিবেশ, নির্মল বাতাস, নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন, নানা বৈচিত্র আর সবুজের সমাহার উপভোগ করার জন্য দর্শনার্থীরা এখানে রাত্রী যাপনের ইচ্ছে পোষণ করতেন। প্রতিদিন আলাদা-আলাদা দর্শনার্থীদের একই আবদার শুনতে-শুনতে বাধ্য হয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এটিকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
আর এর নাম দেন ‘কুঁড়ে ঘর ম্যাংগো রিসোর্ট’। দর্শনার্থী ও ভ্রমণপ্রেমীদের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে এ রিসোর্টে তৈরি করা হয়েছে ৭টি রুম। এর মধ্যে রয়েছে ২টি ফ্যামিলি রুম, ৪টি সিঙ্গেল রুম ও ১টি কমন রুম। এখানে এক রাতে ৭ রুমে ২০ জন থাকতে পারে। ১ রাত ফ্যামিলি ও কমন রুমের ভাড়া ৬শ টাকা। সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ১ জন ২শ ও ২জন ৩শ টাকা। এখানে রয়েছে অ্যাটাচ ও কমন বাথরুম, বিদ্যুৎ এবং পানির ব্যবস্থা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নোনাহার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মধ্যে পাকা রাস্তা শেষ হয়ে প্রায় ২শ ফিট মেঠো পথ পেরুলেই কুঁড়ে ঘর ম্যাঙ্গো রিসোর্টের গেইট। আম বাগানের মধ্যে মেঠো রাস্তার ধারে তৈরি করা হয়েছে রিসোর্টটি। মাটির তৈরি সারি-সারি ঘর, আঙ্গিনায় সারি-সারি ফুল গাছ। তাল পাতা দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনা। আঙ্গিনায় পিঠ পেতে বসতে ডাকছে দড়ির তৈরি খাট। খাটে দেওয়া আছে বালিশ। চারিদিকে সবুজে ঘেরা। উপরে তাকালে নীল আকাশ। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। স্থানীয় বাঁশের কঞ্চি ও মাটি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ঘর। প্রথমে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বেড়া।
মানুষের চাহিদা মেটাতে তার এই রিসোর্ট তৈরি করা। রিসোর্টটিতে মানুষের বেশ সাড়া পাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিন এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এখানে এসে রাত্রীযাপন করছেন। আগামীতে তিনি এখানে কমিউনিটি ট্যুরিজমের ব্যবস্থা ও বোর্ড হাউজ করাসহ পোরশাকে আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হিসাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন বলেও জানান কুঁড়েঘর ম্যাংগো রিসোর্ট এর স্বত্বাধিকারী মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ।