ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

সিন্ডিকেটের দখলে ধানের বাজার, দাম নিয়ে হতাশায় চাষীরা

সিন্ডিকেটের দখলে ধানের বাজার, দাম নিয়ে হতাশায় চাষীরা
মোহাম্মদ আককাস আলী : বরেন্দ্রঅঞ্চলে হাটগুলোতে ধানের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে মণপ্রতি ধানের দাম কমেছে ১৫০-২০০ টাকা। ফলে ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। তারা জানান, মিলার ও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের দখলে ধানের বাজার।
ব্যবসায়ীদের কারসাজিতেই ধানের এমন দরপতন।
তথ্যমতে জেলার মহাদেবপুর হাটে শনিবার বড় আকারে ধান কেনাবেচা হয়,বুধবারে মাতাজী হাটে ট্রাকে ট্রাকে ধান কেনাবেচা হয় এবং আবাদপুকুর হাটেও ধানের প্রচুর আমদানি হয়। ওইসব হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান এনে বিক্রি করেন। গত সপ্তাহের চেয়ে হাটে ধানের জোগান বেড়েছে কয়েকগুণ। ১৫দিন আগে ওইসব হাটে প্রতি মণ মোটা জাতের ধান ১ হাজার ২৮০ থেকে ১ হাজার ৩০০, কাটারিভোগ ১ হাজার ৩০০.জিরা ও মিনিকেট ১ হাজার ২২০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। অথচ সপ্তাহের ব্যবধানে হাটে ধানের সরবরাহ বাড়ায় মণপ্রতি দাম কমেছে ২২০,-৩০০ টাকা পর্যন্ত।
কৃষকরা বলছেন, ফসল উৎপাদনে সব ধরনের কৃষি উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে ধানের উৎপাদন ব্যয় বাড়লে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা।
কৃষক পানজু সরদার,মাসুদ রানা,আবু জানান জানান, এবার ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় সবাই খুশি। তবে হাটে ব্যবসায়ী ও মিলারদের সিন্ডিকেটের কারণে আশানুরুপ দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে মেসার্স মোকসেদ আলি ট্রেডার্সের কমিশন এজেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এবার বাজারে ধানের সরবরাহ অনেক বেশি। তাই হিসাব করে ধান কিনতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাল কল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ অঞ্চলের বেশির ভাগ চাষি ধান কাটার পর স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কম দামে বেশি ধান কিনে রাখেন। যার ফলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্ডিকেটের দখলে ধানের বাজার, দাম নিয়ে হতাশায় চাষীরা

আপডেট টাইম : ০৯:৩১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুন ২০২৩
সিন্ডিকেটের দখলে ধানের বাজার, দাম নিয়ে হতাশায় চাষীরা
মোহাম্মদ আককাস আলী : বরেন্দ্রঅঞ্চলে হাটগুলোতে ধানের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে মণপ্রতি ধানের দাম কমেছে ১৫০-২০০ টাকা। ফলে ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। তারা জানান, মিলার ও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের দখলে ধানের বাজার।
ব্যবসায়ীদের কারসাজিতেই ধানের এমন দরপতন।
তথ্যমতে জেলার মহাদেবপুর হাটে শনিবার বড় আকারে ধান কেনাবেচা হয়,বুধবারে মাতাজী হাটে ট্রাকে ট্রাকে ধান কেনাবেচা হয় এবং আবাদপুকুর হাটেও ধানের প্রচুর আমদানি হয়। ওইসব হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান এনে বিক্রি করেন। গত সপ্তাহের চেয়ে হাটে ধানের জোগান বেড়েছে কয়েকগুণ। ১৫দিন আগে ওইসব হাটে প্রতি মণ মোটা জাতের ধান ১ হাজার ২৮০ থেকে ১ হাজার ৩০০, কাটারিভোগ ১ হাজার ৩০০.জিরা ও মিনিকেট ১ হাজার ২২০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। অথচ সপ্তাহের ব্যবধানে হাটে ধানের সরবরাহ বাড়ায় মণপ্রতি দাম কমেছে ২২০,-৩০০ টাকা পর্যন্ত।
কৃষকরা বলছেন, ফসল উৎপাদনে সব ধরনের কৃষি উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে ধানের উৎপাদন ব্যয় বাড়লে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা।
কৃষক পানজু সরদার,মাসুদ রানা,আবু জানান জানান, এবার ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় সবাই খুশি। তবে হাটে ব্যবসায়ী ও মিলারদের সিন্ডিকেটের কারণে আশানুরুপ দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে মেসার্স মোকসেদ আলি ট্রেডার্সের কমিশন এজেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এবার বাজারে ধানের সরবরাহ অনেক বেশি। তাই হিসাব করে ধান কিনতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাল কল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ অঞ্চলের বেশির ভাগ চাষি ধান কাটার পর স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কম দামে বেশি ধান কিনে রাখেন। যার ফলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।