ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা সিলেটের জেলাপ্রশাসক সারওয়ার আরম প্রত্যাহার, শাহজালাল (রহ.) মাজার কর্তৃপক্ষ খুশি শিবগঞ্জ এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচার  মহাদেবপুর থানার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ কমিউনিটি পুলিশিং এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মানবতার বাহক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সোহাগ’র উপর আস্থা দু:সময়ের তৃণমূল নেতৃবৃন্দের। ভেড়ামারায় নিরাময় ক্লিনিক বন্ধ: কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনের আকস্মিক অভিযান ও কড়া নির্দেশ রাজশাহীতে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, কয়েক কোটি টাকার স্বর্ণ লুট দৌলতপুরের বিলপাড়ায় বখাটেদের উৎপাত, আতঙ্কে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা শরীফ উদ্দিন মুন্সীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই

সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা

সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। রোববার (২১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া।
জানা যায়, শনিবার (২০ জুন) রাত থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুরু হয়েছে অবিরাম বৃষ্টি। আর এসময় ভারতেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় শুরু হয়েছে পাহাড়ি ঢল। যার কারণে এখন সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র পানিতে তলিয়ে গেছে। সাথে সেখানে থাকা ভাসমান দোকানপাটও পানিতে তলিয়ে গেছে। সেখানে থাকা লকার, চেয়ার, কসমেটিক্স পণ্য ও অনেক  দোকানের আসবাবপত্র এই ঢলের পানিতে হারিয়ে গেছে। প্রতি বছরই পাহাড়ি ঢল নামলে এমন পরিস্থিতির তৈরি হয়। যার কারণে রোববার সকাল থেকে কোনো নৌকা খেয়াঘাট থেকে ছেড়ে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে যায় নি। তবে সর্বশেষ শনিবার  সেখানে পর্যটকেরা গিয়ে ছিলেন। রোববার পাথ স্পট ডুবে যাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন থেকে সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র।
এদিকে সাদাপাথর কেন্দ্রিক নৌকা, খাবার হোটেল, দোকানপাট ও পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত শতাধিক পরিবার বর্তমানে আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পাওয়ার কথা থাকলেও বন্যা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকশূন্য হযে পড়েছে এলাকা। ফলে দৈনন্দিন আয়- রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের সাদাপাথরে যাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে। ¯্রােত কমে গেলে এবং আবহাওয়া স্থিতিশীল হলে পুণরায় পর্যটনকেন্দ্রটি খুলে  দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা

সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৭:৫০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। রোববার (২১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া।
জানা যায়, শনিবার (২০ জুন) রাত থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুরু হয়েছে অবিরাম বৃষ্টি। আর এসময় ভারতেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় শুরু হয়েছে পাহাড়ি ঢল। যার কারণে এখন সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র পানিতে তলিয়ে গেছে। সাথে সেখানে থাকা ভাসমান দোকানপাটও পানিতে তলিয়ে গেছে। সেখানে থাকা লকার, চেয়ার, কসমেটিক্স পণ্য ও অনেক  দোকানের আসবাবপত্র এই ঢলের পানিতে হারিয়ে গেছে। প্রতি বছরই পাহাড়ি ঢল নামলে এমন পরিস্থিতির তৈরি হয়। যার কারণে রোববার সকাল থেকে কোনো নৌকা খেয়াঘাট থেকে ছেড়ে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে যায় নি। তবে সর্বশেষ শনিবার  সেখানে পর্যটকেরা গিয়ে ছিলেন। রোববার পাথ স্পট ডুবে যাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন থেকে সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র।
এদিকে সাদাপাথর কেন্দ্রিক নৌকা, খাবার হোটেল, দোকানপাট ও পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত শতাধিক পরিবার বর্তমানে আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পাওয়ার কথা থাকলেও বন্যা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকশূন্য হযে পড়েছে এলাকা। ফলে দৈনন্দিন আয়- রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের সাদাপাথরে যাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে। ¯্রােত কমে গেলে এবং আবহাওয়া স্থিতিশীল হলে পুণরায় পর্যটনকেন্দ্রটি খুলে  দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।