ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বিএনপির সদস্যসচিবের স্থায়ী বহিস্কার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাসান মামুনকে পূর্নবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, গৌরনদীতে সাংবাদিকতা নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য: “ভুলের কারণে পেশা প্রশ্নবিদ্ধ” নাসিরনগরে সাংসদ এম এ হান্নানকে এম পিকে গণ নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান ভেড়ামারায় অস্ত্র গুলি সহ ৩ আন্ত- জেলা ডাকাত গ্রেফতার পণ্য কিনে ফ্রিজসহ একাধিক উপহার পেয়ে খুশি ক্রেতারা রাজশাহীর পবায় পুলিশের কাছ থেকে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাই তানোরে শিব নদী পাড়ে বিনোদন পিপাসু মানুষের ভিড় গোলাপগঞ্জের প্রথম সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান মারা গেছেন, বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক তানোরে বরেন্দ্র ক্যাবল নেটওয়ার্কে ভাঙচুর কোটি টাকার ক্ষতি ফিরোজ কবির ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী

মৃত সৈয়দ আশরাফুল এর ফাইল ছবি

কাজি মোস্তফা রুমি স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (৩ জানুয়ারি)। ২০১৯ সালের এদিনে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যাংককের একটি হাসপাতালে মারা যান।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেল হত্যার শিকার জাতীয় চার নেতার অন্যতম ও মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ-১ ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে মোট পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ওই নির্বাচনের আগে ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং পরে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তিনি পুনরায় ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এরপর তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়। এর আগে ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারে তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরের সম্মেলনে তাকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। পর পর দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকদের দায়িত্ব পালন করার পর তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ওই সময় তিনি ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর শপথ গ্রহণের আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আজ সোমবার সকাল ৯টায় ‘সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি সংসদ’ বনানী কবরস্থানে তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির সদস্যসচিবের স্থায়ী বহিস্কার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাসান মামুনকে পূর্নবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। মো.জাকির হোসেন হাওলাদার,

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট টাইম : ০৫:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জানুয়ারী ২০২২

কাজি মোস্তফা রুমি স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (৩ জানুয়ারি)। ২০১৯ সালের এদিনে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যাংককের একটি হাসপাতালে মারা যান।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেল হত্যার শিকার জাতীয় চার নেতার অন্যতম ও মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ-১ ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে মোট পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ওই নির্বাচনের আগে ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং পরে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তিনি পুনরায় ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এরপর তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়। এর আগে ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারে তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরের সম্মেলনে তাকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। পর পর দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকদের দায়িত্ব পালন করার পর তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ওই সময় তিনি ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর শপথ গ্রহণের আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আজ সোমবার সকাল ৯টায় ‘সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি সংসদ’ বনানী কবরস্থানে তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।