ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক ছাতারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত  ভেড়ামারায় এক কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার নাগরপুরে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক তারিয়াশ পলাশ, সদস্য সচিব সরদার আশরাফ ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন রুবেল, বাঁচতে হলে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা দৌলতপুরে ৩২ কোটি টাকার রাস্তা-ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন

 মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ব্যাস্ত  ফেরিওয়ালারা

 মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ব্যাস্ত  ফেরিওয়ালারা

রাবেয়া সুলতানা, (বগুড়া)  প্রতিনিধিঃ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায় বিভিন্ন দোকানে ও  ফেরিওয়ালা জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ব্যস্ত।এবারও পহেলা ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে লাল সবুজের পতাকা বিক্রি করার জন্য বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা সহ বিপন্ন গ্রামগঞ্জে শহরে ও রাস্তায় ফেরী  করে বিক্রি করছেন তারা জাতীয় পতাকা।এ মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত আদমদিঘী  উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও জন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফেরি করে জাতীয় পতাকা বিক্রি করবেন তার। শুধু বড় পতাকা নয়।বিভিন্ন যানবাহনে লাগানোর জন্য তারা বিক্রি করছে ছোট পতাকা । আদমদিঘী উপজেলার বিপন্ন অফিসের সামনে স্কুল-কলেজের সামনে বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে ওই শহরে ও বাস স্ট্যান্ডে পতাকা বিক্রির সময়  কুড়িগ্রাম জেলার পালাশ উদ্দিন  জানান। বছরের অন্যান্য সময় বিভন্ন কাজ করে থাকেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় সারা বছর ইট ভাটায় কাজকর্ম করলেও এ সময় বাড়তি আয়ের আশায় বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা,হাতের ব্যাজ,মাথায় ফিতা সহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করতে কোন হিমশিম খেতে হয় না। তিনি আরো জানান,বিভিন্ন মাপের জাতীয় পতাকা বিক্রি করেন যেমন,ছয় ফুট একটি জাতীয় পতাকা মূল্য ১৫০/=( এক শত পঞ্চাশ)টাকা,৫ ফুট পতাকা১০০/=( এক শত) টাকা,সাড়ে তিন ফুট পতাকা ৮০/=( আশি) টাকা,আড়াই ফুট পতাকা ৫০/=( পঞ্চাশ) টাকা,দেড় ফুট পতাকা ৩০/=( ত্রিশ) টাকা, মাথার ফিতা ও হাতের ব্যাচ বিক্রি করছেন ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা। এবার জাতীয় নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা থাকায় এসবের সাথে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দলের প্রতীক সম্মিলিত ব্যাচও।স্থানীয় লোকজন বলেছেন বিজয়ের মাসে অনেকেই বাড়ির ছাদে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সামনে যাত্রীবাহী বাসে ও অন্যান্য যানবাহনে জাতীয় পতাকা ওরানোর জন্য জাতীয় পতাকা কিনছেন।অনেক পতাকা  ক্রেতার কেনার জন্য তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তারা দর্জির কাছ থেকে জাতীয় পতাকা বানাতে গেলে বেশি দামে বানাতে হয়।তাই আমরা বিজয়ের মাস এলে ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে অল্প মূল্য জাতীয় পতাকা কিনতে পারি। পতাকার মধ্যে বর্তমান লাল সবুজ জাতীয় পতাকাতে যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন লাল সবুজের মাঝে হলুদ মানচিত্র আঁকা পতাকা ও ব্যাচ।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন

 মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ব্যাস্ত  ফেরিওয়ালারা

আপডেট টাইম : ০৭:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

 মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ব্যাস্ত  ফেরিওয়ালারা

রাবেয়া সুলতানা, (বগুড়া)  প্রতিনিধিঃ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায় বিভিন্ন দোকানে ও  ফেরিওয়ালা জাতীয় পতাকা বিক্রিতে ব্যস্ত।এবারও পহেলা ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে লাল সবুজের পতাকা বিক্রি করার জন্য বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা সহ বিপন্ন গ্রামগঞ্জে শহরে ও রাস্তায় ফেরী  করে বিক্রি করছেন তারা জাতীয় পতাকা।এ মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত আদমদিঘী  উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও জন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফেরি করে জাতীয় পতাকা বিক্রি করবেন তার। শুধু বড় পতাকা নয়।বিভিন্ন যানবাহনে লাগানোর জন্য তারা বিক্রি করছে ছোট পতাকা । আদমদিঘী উপজেলার বিপন্ন অফিসের সামনে স্কুল-কলেজের সামনে বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে ওই শহরে ও বাস স্ট্যান্ডে পতাকা বিক্রির সময়  কুড়িগ্রাম জেলার পালাশ উদ্দিন  জানান। বছরের অন্যান্য সময় বিভন্ন কাজ করে থাকেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় সারা বছর ইট ভাটায় কাজকর্ম করলেও এ সময় বাড়তি আয়ের আশায় বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা,হাতের ব্যাজ,মাথায় ফিতা সহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করতে কোন হিমশিম খেতে হয় না। তিনি আরো জানান,বিভিন্ন মাপের জাতীয় পতাকা বিক্রি করেন যেমন,ছয় ফুট একটি জাতীয় পতাকা মূল্য ১৫০/=( এক শত পঞ্চাশ)টাকা,৫ ফুট পতাকা১০০/=( এক শত) টাকা,সাড়ে তিন ফুট পতাকা ৮০/=( আশি) টাকা,আড়াই ফুট পতাকা ৫০/=( পঞ্চাশ) টাকা,দেড় ফুট পতাকা ৩০/=( ত্রিশ) টাকা, মাথার ফিতা ও হাতের ব্যাচ বিক্রি করছেন ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা। এবার জাতীয় নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা থাকায় এসবের সাথে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দলের প্রতীক সম্মিলিত ব্যাচও।স্থানীয় লোকজন বলেছেন বিজয়ের মাসে অনেকেই বাড়ির ছাদে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সামনে যাত্রীবাহী বাসে ও অন্যান্য যানবাহনে জাতীয় পতাকা ওরানোর জন্য জাতীয় পতাকা কিনছেন।অনেক পতাকা  ক্রেতার কেনার জন্য তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তারা দর্জির কাছ থেকে জাতীয় পতাকা বানাতে গেলে বেশি দামে বানাতে হয়।তাই আমরা বিজয়ের মাস এলে ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে অল্প মূল্য জাতীয় পতাকা কিনতে পারি। পতাকার মধ্যে বর্তমান লাল সবুজ জাতীয় পতাকাতে যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন লাল সবুজের মাঝে হলুদ মানচিত্র আঁকা পতাকা ও ব্যাচ।