ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক ছাতারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত  ভেড়ামারায় এক কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার নাগরপুরে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক তারিয়াশ পলাশ, সদস্য সচিব সরদার আশরাফ ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন রুবেল, বাঁচতে হলে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা দৌলতপুরে ৩২ কোটি টাকার রাস্তা-ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন

রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমিতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। বৃহষ্প্রতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় রাবি’র বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় নেতৃবৃন্দরা এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধায় নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাড.ইব্রাহিম হোসেন, এসএম একরামুল হক, জাকিরুল ইসলাম সান্টু , এ্যাড. শরিফুল ইসলাম শরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আব্দুস সামাদ, একেএম আসাদুজ্জামানসহ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।  এ সময় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেন, এই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে একটি বেদনার দিন। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মসমর্পণ শুরু করে এবং পাকিস্তানিরা যখন তাদের অনিবার্য পরাজয় উপলব্ধি করে তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। স্বাধীন বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও নতুন রাষ্ট্রকে মেধা শূন্য করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের মেধাবী মানুষদের চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি জাতি যাতে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকা করে হত্যা করা হয়। এই বাংলাদেশটি নরখাদকের অধীনে ছিলো ৩০টি বছর। স্বাধীনতার স্বপক্ষের হাতে আছে ২২ বছর। এই ২২ টি বছরে যথাযোগ্য মর্যাদায় সকল শহীদদের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।আমরা বাংলাদেশ ও আন্তার্জাতিক ভাবে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছে তাদের সর্বোচ্চ প্রাপ্ততা আওয়ামী লীগের নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। তবে এর আরো শানিত ধার হওয়া উচিত। আরো মর্যাদার মান ও তাদের সন্মানকে প্রস্ফুটিত করার জন্য আরো কাজ বাকি আছে। দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, বাদ জোহর দোয়া মাহফিল ও মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

আপডেট টাইম : ০২:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমিতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। বৃহষ্প্রতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় রাবি’র বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় নেতৃবৃন্দরা এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধায় নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাড.ইব্রাহিম হোসেন, এসএম একরামুল হক, জাকিরুল ইসলাম সান্টু , এ্যাড. শরিফুল ইসলাম শরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আব্দুস সামাদ, একেএম আসাদুজ্জামানসহ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।  এ সময় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেন, এই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে একটি বেদনার দিন। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মসমর্পণ শুরু করে এবং পাকিস্তানিরা যখন তাদের অনিবার্য পরাজয় উপলব্ধি করে তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। স্বাধীন বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও নতুন রাষ্ট্রকে মেধা শূন্য করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের মেধাবী মানুষদের চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি জাতি যাতে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকা করে হত্যা করা হয়। এই বাংলাদেশটি নরখাদকের অধীনে ছিলো ৩০টি বছর। স্বাধীনতার স্বপক্ষের হাতে আছে ২২ বছর। এই ২২ টি বছরে যথাযোগ্য মর্যাদায় সকল শহীদদের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।আমরা বাংলাদেশ ও আন্তার্জাতিক ভাবে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছে তাদের সর্বোচ্চ প্রাপ্ততা আওয়ামী লীগের নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। তবে এর আরো শানিত ধার হওয়া উচিত। আরো মর্যাদার মান ও তাদের সন্মানকে প্রস্ফুটিত করার জন্য আরো কাজ বাকি আছে। দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, বাদ জোহর দোয়া মাহফিল ও মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।