মো.জাকির হোসেন হাওলাদার,দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় জহিরুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক গ্যাস ট্যাবলেট সেবন ৭ ঘন্টা পর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ভোর ৪ঘটিকার সময় বরিশাল শে-রে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। মৃত্যু মোঃ জহিরুল ইসলাম উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের ০৩ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর মৃধার ছেলে। মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করেন ঐ গ্রামের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জহিরুল ইসলাম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। পরিবারের সাথে ঈদ পাল করার জন্য গ্রামের বাড়ি আসেন। সোমবার বিকেলে পরিবারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা-কথাকাটি হয়। ঐ কথা কাটাকাটির জেরে অভিমান করে রাত ১০ ঘটিকার সময় নিজ বসত ঘরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর অবস্থায় দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকা অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শে-রে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোট ৪ ঘটিকার সময় মারাযান।
নিহত জহিরুল ইসলামের বাবা জাহাঙ্গীর মৃধা জানান, সোমবার বিকেলে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়। ঐ সময় জহিরুল উত্তেজিত হয় আমি ও আমার স্ত্রী দমক দেই। রাতে বাসায় এসে আমাদের সাথে খাবার খেয় ঘুমাতে যায়। কিছুক্ষন পর শব্দ পাই রুমের মধ্যে ছটপর করছে বলছে আমি গ্যাসটয়াবলেট খাইছি। তখোন বাড়িল লোকদের নিয়ে দশমিনা হাসপাতালে নিয়ে নিয়ে আসি সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শে-রে-ই বাংলা হাসপাতালে নিয়ে যাই সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মারা যায়। আমরা ছেলের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য জহিরুলে বরিশাল শে-রে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। জানতে পারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মারা যায়। তবে কী কারণে তিনি গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ বাড়িতে আনা হলে পরিবারের সাথে আলোচনার করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 





















