তানোরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ধর্ষণ মামলা !
আলিফ হোসেন, তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে পুর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে শিশু ধর্ষণের মামলা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে কথিত এ মামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়,বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন,জনমনেও দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।
স্থানীয়রা বলছে, ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিবেচনায় মনে হচ্ছে এটা সাজানো মামলার।কারণ মামলার এজাহারে বলা হয়েছে খেলাধুলার কথা বলে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে ? এখন প্রশ্ন হলো এক বছর ৬ মাসের কোনো শিশু কি কোনো খেলাধুলা করতে পারে ? তারা এই মামলার অধিকতর ও নিরপেক্ষ তদন্তও দাবি করেছেন।
প্রসঙ্গত,তানোরে এক বছর ছয় মাস বয়সী এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুন সকালে তানোর উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির মা স্থানীয় একটি বাড়িতে কাজ করতে গেলে তাঁর সঙ্গে শিশু কন্যাও ছিল। একপর্যায়ে অভিযুক্ত কিশোর শিশুটিকে খেলাধুলার কথা বলে নিয়ে যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে তার মা খোঁজ নিতে গিয়ে অভিযুক্তের বাড়ির একটি কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদি হয়ে ১০ জুন তানোর থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে।
সচেতন মহলের ভাষ্য,এক বছর ৬ মাস বয়সী একটি শিশু ঠিকমতো হাঁটাচলা করতেই পারে না।আবার এই বয়সী একটি শিশুকে একা রেখে কখানো কোনো অভিভাবক কোথাও যাবার কথা চিন্তাও করে না।এমন দুধের শিশুকে কেউ ধর্ষণের কথা চিন্তাও করে না। তাদের অভিমত রাজনৈতিক ও পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে এমন কথিত মামলা করা হয়েছে। কারণ ওই কিশোর একটি কেজি স্কুলের গাড়ির চালক। প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে নিয়ে আশা যাওয়া করেন।তার যদি এমন মানসিকতা হতো, তাহলে তো অনেক আগেই স্কুলের কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটতে পারতো।এছাড়াও এঘটনায় তার চাচা সাবেক জামায়াত নেতাকে হাইলাইট করে অপপ্রচার করায় সাধারণের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, “শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে,তদন্ত কাজ সম্পন্ন হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 



















