ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঘোড়াঘাটে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, মোটরসাইকেল চালক আহত সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা কৃষকের প্রশ্ন,ফসল ফলিয়েও ন্যায্য মূল্য নেই; আর কত? ৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিজয়ী মির্জা ফখরুল ঘোড়াঘাটে দাম্পত্য কলহের বলি শিশু তাসপিয়া সৎ বাবা গ্রেপ্তার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে ভেড়ামারায় যুবক গ্রেফতার, থানায় মামলা নাগরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালিত কানিহাটি চা বাগানে কর্মবিরতি,পঞ্চায়েত কমিটি অপসারণের দাবি ভেড়ামারায় স্কাউটিং ও কাবিং কার্যক্রম গতিশীল করতে চার ইউনিট পরিদর্শন শার্শায় ১০ লিটার বাংলা মদসহ যুবক গ্রেপ্তার

সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা

সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা

সিলেট প্রতিনিধি : দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও একের পর এক মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে প্রবাসে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন রুবেল আমিন সুমন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী মহলের ছত্র-ছায়ায় একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট তার বিরুদ্ধে এসব ষাটযন্ত্রিক মামলা দায়ের ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, অসাধু এক এডভোকেট চক্রের ধারা রুবেল আমিন সুমনের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা সাজানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তাকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ করেন ভূক্তোভূগি। তার বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও কোতোয়ালী থানাসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি, অপহরণ, ককটেল বিস্ফোরণ, হত্যা, অস্ত্র এবং গাড়ি ভাঙচুরসহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। স্থানীয় একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে ব্যবহার করেও তার বিরুদ্ধে সাজানো অপহরণ মামলা করানোর ঘটনা ঘটে। তবে পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত ওই অপহরণ মামলা থেকে তাকে খালাস প্রদান করেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের তথ্যমতে, একটি অস্ত্র মামলায় এলিট ফোর্স র‌্যাব তাকে গ্রেফতার করে তিন দিন তিন রাত হেফাজতে  রেখে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তাকে অস্ত্র মামলায় চালান দেওয়া হলে তিনি প্রায় এক বছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। দীর্ঘ ১১ বছর পর মামলাটিতে জনসাধারণের (পাবলিক) কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য না নিয়ে, কেবল একজন র‌্যাব কর্মকর্তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত তাকে ১৭ বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এই দন্ডের কারণে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে দেশে ফিরতে পারছেন না। তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা উল্লেখযোগ্য মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে  সালামত খানের বাড়ি ডাকাতি মামলা, পানেশের ছেলের অপহরণ মামলা,সিরাজপুর ককটেল বিস্ফোরণ মামলা,দক্ষিণ সুরমা থানার হত্যা মামলা, বোয়ালজুর অস্ত্র মামলা,দক্ষিণ সুরমা গাড়ি ভাঙচুর মামলা, কোতোয়ালী থানার অস্ত্র মামলাসহ আরও একাধিক অজ্ঞাত মামলা।
এলাকাবাসীর মতে, দক্ষিণ সুরমা ও আশপাশের থানাসমূহে সক্রিয় উক্ত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শুধু রুবেল আমিন সুমনই নন, বহু নিরীহ মানুষও ধারাবাহিক ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।
নিজের ওপর হওয়া অন্যায় ও বিচারহীনতার বিচার চেয়ে রুবেল আমিন সুমন সংশ্লিষ্ট সকল মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনি পর্যালোচনা এবং অভিযুক্ত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। একই সাথে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার জন্য জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা, দেশীয় গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন ভূক্তোভোগী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঘোড়াঘাটে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, মোটরসাইকেল চালক আহত

সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা

আপডেট টাইম : ০৭:০৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা

সিলেট প্রতিনিধি : দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও একের পর এক মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে প্রবাসে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন রুবেল আমিন সুমন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী মহলের ছত্র-ছায়ায় একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট তার বিরুদ্ধে এসব ষাটযন্ত্রিক মামলা দায়ের ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, অসাধু এক এডভোকেট চক্রের ধারা রুবেল আমিন সুমনের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা সাজানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তাকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ করেন ভূক্তোভূগি। তার বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও কোতোয়ালী থানাসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি, অপহরণ, ককটেল বিস্ফোরণ, হত্যা, অস্ত্র এবং গাড়ি ভাঙচুরসহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। স্থানীয় একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে ব্যবহার করেও তার বিরুদ্ধে সাজানো অপহরণ মামলা করানোর ঘটনা ঘটে। তবে পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত ওই অপহরণ মামলা থেকে তাকে খালাস প্রদান করেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের তথ্যমতে, একটি অস্ত্র মামলায় এলিট ফোর্স র‌্যাব তাকে গ্রেফতার করে তিন দিন তিন রাত হেফাজতে  রেখে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তাকে অস্ত্র মামলায় চালান দেওয়া হলে তিনি প্রায় এক বছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। দীর্ঘ ১১ বছর পর মামলাটিতে জনসাধারণের (পাবলিক) কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য না নিয়ে, কেবল একজন র‌্যাব কর্মকর্তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত তাকে ১৭ বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এই দন্ডের কারণে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে দেশে ফিরতে পারছেন না। তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা উল্লেখযোগ্য মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে  সালামত খানের বাড়ি ডাকাতি মামলা, পানেশের ছেলের অপহরণ মামলা,সিরাজপুর ককটেল বিস্ফোরণ মামলা,দক্ষিণ সুরমা থানার হত্যা মামলা, বোয়ালজুর অস্ত্র মামলা,দক্ষিণ সুরমা গাড়ি ভাঙচুর মামলা, কোতোয়ালী থানার অস্ত্র মামলাসহ আরও একাধিক অজ্ঞাত মামলা।
এলাকাবাসীর মতে, দক্ষিণ সুরমা ও আশপাশের থানাসমূহে সক্রিয় উক্ত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শুধু রুবেল আমিন সুমনই নন, বহু নিরীহ মানুষও ধারাবাহিক ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।
নিজের ওপর হওয়া অন্যায় ও বিচারহীনতার বিচার চেয়ে রুবেল আমিন সুমন সংশ্লিষ্ট সকল মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনি পর্যালোচনা এবং অভিযুক্ত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। একই সাথে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার জন্য জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা, দেশীয় গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন ভূক্তোভোগী।