ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

রাজশাহীতে সামন্য বৃষ্টিতেই ৪ তলা ভবন ধ্বস, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

রাজশাহী ব্যুরো চীফঃ রাজশাহী নগরীর খ্রিষ্টানপাড়া মোড় সংলগ্ন নির্মাণাধীন ৪ তলা একটি ভবন ধ্বসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া ( মথুরডাঙ্গা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর না পাওয়া গেলেও ভবনের নিচে ও আশেপাশে থাকা বেশ কয়েটটি প্রাইভেট কার চাপা পড়ে ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা ও ভবন ধ্বসের পর উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবনটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট।

প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেকতলা তোলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ধ্বসে পড়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসকল বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভবনটির মালিক ছিলেন আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোট ভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।

ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালো মানের সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না।’ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।

ভবনটির নকশা অনুমোদন ছিলো কিনা তা জানতে আরডিএ.র অথরাইজড অফিসার মুহা. আবুল আজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে সামন্য বৃষ্টিতেই ৪ তলা ভবন ধ্বস, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৭:২৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

রাজশাহী ব্যুরো চীফঃ রাজশাহী নগরীর খ্রিষ্টানপাড়া মোড় সংলগ্ন নির্মাণাধীন ৪ তলা একটি ভবন ধ্বসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া ( মথুরডাঙ্গা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর না পাওয়া গেলেও ভবনের নিচে ও আশেপাশে থাকা বেশ কয়েটটি প্রাইভেট কার চাপা পড়ে ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা ও ভবন ধ্বসের পর উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবনটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট।

প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেকতলা তোলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ধ্বসে পড়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসকল বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভবনটির মালিক ছিলেন আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোট ভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।

ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালো মানের সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না।’ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।

ভবনটির নকশা অনুমোদন ছিলো কিনা তা জানতে আরডিএ.র অথরাইজড অফিসার মুহা. আবুল আজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।