ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাইয়ের পর হ্যান্ডকাপ ফেরত পেলেও গ্রেফতার হয়নি আসামি বিএনপির সদস্যসচিবের স্থায়ী বহিস্কার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাসান মামুনকে পূর্নবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, গৌরনদীতে সাংবাদিকতা নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য: “ভুলের কারণে পেশা প্রশ্নবিদ্ধ” নাসিরনগরে সাংসদ এম এ হান্নানকে এম পিকে গণ নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান ভেড়ামারায় অস্ত্র গুলি সহ ৩ আন্ত- জেলা ডাকাত গ্রেফতার পণ্য কিনে ফ্রিজসহ একাধিক উপহার পেয়ে খুশি ক্রেতারা রাজশাহীর পবায় পুলিশের কাছ থেকে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাই তানোরে শিব নদী পাড়ে বিনোদন পিপাসু মানুষের ভিড় গোলাপগঞ্জের প্রথম সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান মারা গেছেন, বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক তানোরে বরেন্দ্র ক্যাবল নেটওয়ার্কে ভাঙচুর কোটি টাকার ক্ষতি

রাজশাহীতে সামন্য বৃষ্টিতেই ৪ তলা ভবন ধ্বস, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

রাজশাহী ব্যুরো চীফঃ রাজশাহী নগরীর খ্রিষ্টানপাড়া মোড় সংলগ্ন নির্মাণাধীন ৪ তলা একটি ভবন ধ্বসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া ( মথুরডাঙ্গা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর না পাওয়া গেলেও ভবনের নিচে ও আশেপাশে থাকা বেশ কয়েটটি প্রাইভেট কার চাপা পড়ে ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা ও ভবন ধ্বসের পর উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবনটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট।

প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেকতলা তোলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ধ্বসে পড়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসকল বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভবনটির মালিক ছিলেন আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোট ভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।

ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালো মানের সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না।’ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।

ভবনটির নকশা অনুমোদন ছিলো কিনা তা জানতে আরডিএ.র অথরাইজড অফিসার মুহা. আবুল আজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাইয়ের পর হ্যান্ডকাপ ফেরত পেলেও গ্রেফতার হয়নি আসামি

রাজশাহীতে সামন্য বৃষ্টিতেই ৪ তলা ভবন ধ্বস, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৭:২৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

রাজশাহী ব্যুরো চীফঃ রাজশাহী নগরীর খ্রিষ্টানপাড়া মোড় সংলগ্ন নির্মাণাধীন ৪ তলা একটি ভবন ধ্বসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া ( মথুরডাঙ্গা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর না পাওয়া গেলেও ভবনের নিচে ও আশেপাশে থাকা বেশ কয়েটটি প্রাইভেট কার চাপা পড়ে ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা ও ভবন ধ্বসের পর উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবনটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট।

প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেকতলা তোলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ধ্বসে পড়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসকল বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভবনটির মালিক ছিলেন আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোট ভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।

ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালো মানের সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না।’ রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।

ভবনটির নকশা অনুমোদন ছিলো কিনা তা জানতে আরডিএ.র অথরাইজড অফিসার মুহা. আবুল আজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।