ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক , আপলোডের সময় : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২ , আজকের সময় : শুক্রবার, ৩ মে, ২০২৪

দৌলতপুরে ডাকাতি ও হত্যা মামলায় ৬জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় দায়ের করা ডাকাতি ও হত্যা মামলায় ৬ ডাকাতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বেলা ২টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম দণ্ডপ্রাপ্ত ৩আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের ইব্রাহিম মন্ডলের ছেলে স্বপন, ইসলামপুর গ্রামের পান্না মৃধার ছেলে নাহারুল, মৃত শমছের প্রামাণিকের ছেলে মকবুল, তফিল প্রামাণিকের ছেলে শফি, মৃত জলিল প্রামাণিকের ছেলে শাজাহান ও খলিল প্রামাণিকের ছেলে আজমল। রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আজমল, শাজাহান ও শফি আদালতে উপস্থিত থাকলেও স্বপন, নাহারুল ও মকবুল পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল রাতে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপ নগর গ্রামের শাজাহান আলী সাজার বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা করে। ডাকাতদল ওই বাড়িতে ভাংচুর ও নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার এবং বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র লুট করে। এসময় গৃহকর্তা শাজাহান আলী সাজা প্রতিবাদ করলে তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বোরহান উদ্দিন বাদী হয়ে ১৫জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫জনের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় ডাকাতি ও হত্যার মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০০৪ সালের ২৪ জানুয়ারী তদন্তকারী কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক ফেরদৌস হোসেন ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

মামলায় রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী জানান, ২০বছর আাগে দৌলতপুর থানার হত্যা মামলাটির স্বাক্ষ্য শুনানি শেষে ৬ জনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড সহ প্রত্যেককে পৃথকভাবে ২৫হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় এই মামলার ৮ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।