
দশমিনায় রাস্তায় বীজ রোপণ করে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন
দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় বুধবার সকাল ১০ টায় রাস্তায় বীজ রোপণ করে প্রতিবাদ করে এলাকাবাসি।
জানা যায় উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বেগম আরেফাতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় দিগন্ত সড়ক রাস্তাটি ড়ে কিরোমিটার । রাস্তাটি দীর্ঘ ৭-৮ বছর আগে এলজিডির অর্থায়নে পাকা করা হয়। রাস্তাটি ৩- ৪ বছর পর্যন্ত বিভিন্না স্থানে নালা- খন্দ হয়ে লোকজন ও যান চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পরে। একাধিকবার ঘটে দূর্ঘটনা। এলাকার প্রায় ৪-৫ হাজর লোক ও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে চলাফেরা ঐ রাস্তা দিয়ে।
২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে এডিপির অর্থায়নে পটুয়াখালী জেলা পরিষদ এর বাস্তবায়নে রাস্তাটি নির্মানের জন্য সাড়ে চার লাখ দশ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়ে নেইমফলক উন্মোচন করলেও রাস্তাটি নির্মানের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তৎকালীন সময়ে জেলা পরিষদ এডিপি কতৃক বরাদ্দের টাকার কোন কাজে ব্যায় হয়েছে তার প্রমান মেলেনি। এলাকার লোকজন, যানবাহন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদেও চলাচলে দূর্ভোগ লাগবে বারবার প্রশাসনের দারস্থ হলেও নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। বর্তমানে রাস্তটির কোন ইট নেই বিভিন্ন স্থানে হাটুসমান কাঁদা হওয়ায় এলাকার ভুক্তভোগী লোক জন ধানের বীজ রোপণ করে রাস্তাটি দ্রæত সময়ের মধ্যে নির্মানের দাবি জানান।
সবেক জেলা পরিষদ সদস্য জাকির হোসেন ভুট্টো বলেন তৎকালীন সময় জেলা পরিষদ থেকে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য চার লাখ দশ হাজর টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ঐ টাকা দিয়ে ঠিকাদার কাজ করছে আমার জানা মতে। তবে চার লাখ দশ হাজার টাকার কাজ এই রাস্তার দক্ষিন পাশে তারার বাঁধ থেকে প্যাদা বাড়ি পর্যন্ত হয়েছে।
স্থানীয় ও বৈষম্য ছাত্রদের দাবি তৎকালীন সময় জেলা পরিষদ সদস্য জাকির হোসেন ভুট্রো নামে বেনামে জেলাপরিষদ থেকে বরাদ্দ এনে বাড়ির রাস্তা ও পুকুরের ঘাট করেছে। ওই রাস্তাটিতে বারবার বরাদ্দ এনে জেলাপরিষদ সদস্য কাজ না করে ভোগ করছে। নিজে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হয়েছে। বিগত ১৬ বছরের ইতিহাস পর্যালচনা করলে জাকির হোসেন ভুট্রোর দূর্নীতির চিত্র পাওয়া যাবে।
উপজেলা প্রকৌশলী মকবুল জানান রাস্তটির আইডি পরছে। এটি একটি চলোমান প্রক্রিয়া। সময় দিতে হবে। জেলা পরিষদ থেকে রাস্তা নির্মানে একাধিক বরাদ্দর কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে দেখতে হবে। এখোন কিছু বলা সম্ভব না।