1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
রাবিতে ফ্রুটস হান্টের 'রস উৎসব' উদযাপন - dailynewsbangla
রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বোয়ালমারীতে সরকারী রাস্তার কাছ কর্তন ও ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগ  রাজশাহীর বাগমারায় আওয়ামীলীগ নেতার ছত্রছায়ায় শিবির সভাপতি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে জনউদ্যোগ সংগঠনের সংবাদ সম্মেলন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ ইমদাদুল হক আর নেই জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যের ডাক দিলেন টোকেন চৌধুরী পবায় অবৈধ পুকুর খননের সময় আটক ১ , মেশিন জব্দ  বোয়ালমারীতে ১০২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৭ জন প্রধান শিক্ষকেরর পদ শূন্য জীবনতরী সমাজকল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে শিক্ষাবৃত্তি ও শীতবস্ত্র প্রদান বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শেষ, বিশ্ব মুসলিমের জন্য দোয়া আ. লীগ যে ওয়াদা করে তা রক্ষা করে: প্রধানমন্ত্রী

রাবিতে ফ্রুটস হান্টের ‘রস উৎসব’ উদযাপন

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাবিতে উদযাপিত হলো ‘ রস উৎসব’। বাংলায় একসময় শীতের সকালে ‘খেজুর রস উৎসব’ ছিল ব্যাপক জনপ্রিয়। প্রায় হারিয়ে যওয়া সেই ঐতিহ্যকে লালন করতে ও রসের স্বাদ উপভোগ করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী জুয়েল মামুনের উদ্যোগে পরিচালিত ‘ফ্রুটস হান্ট’ এই রস উৎসবের আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা আসতে শুরু করে। একপর্যায়ে প্রায় অর্ধ-শতাধিক দর্শনার্থীর উপস্থিতি দেখা যায়। সুস্বাদু খেজুর রস পান করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মহোদয়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীসহ অনেকেই ভিড় জমান। ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জি.এম শফিউর রহমান বলেন, ‘অনেক দিন পর রস উৎসবে আসলাম সত্যি আমার খুব ভালো লাগছে। সন্তানদের নিয়েই এসেছি। তারাও এই প্রথম খেজুরের রস খাচ্ছে। আমি ধন্যবাদ জানাই আয়োজক’কে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, অনেক দিন পর শীতের সকালে খেজুর রসের আয়োজন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজকের এ রস উৎসবে সবাই আসছে। সত্যি অনেক ভালো লাগছে। এরকম উৎসব প্রতি বছর হোক এমন প্রত্যাশা করছি।’আয়োজক জুয়েল মামুন বলেন, ‘আগের তুলনায় আমাদের দেশে খেজুর গাছের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে সুস্বাদু পানীয় রস আর দেশের সর্বত্র পাওয়া যায় না। হারিয়ে যাওয়ার পথে সেই খেজুরের রসের গৌরব ফিরিয়ে আনতে এই ‘রস উৎসবের’ আয়োজন করেছি।’

তিনি আরো বলেন, আমাদের ‘রস উৎসবে’ শতাধিক দর্শনার্থী উপস্থিত ছিল। শীতের সকালে খেজুরের রস পান করার মধ্যে বাংলার ঐতিহ্য ফুটে উঠে এবং বাংলার মানুষদের অতীত মনে করিয়ে দেয় এটি। তবে রস পান করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আমরা যথেষ্ট সতর্কতার সাথে রস সংগ্রহ করে এই মেলার আয়োজন করেছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ