ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কীভাবে নিকাহ্ রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে? জবাব চেয়েছে মাউশি দৌলতপুরে ব্র্যাকের কর্মশালা: নিরাপদ কৃষিতে বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারে জোর নওগাঁয় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত  বেরোবির মেগা প্রকল্প আবারও এডিপির ‘সবুজ পাতায়’ ঘোড়াঘাটে বৃদ্ধা দাদীকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় নাতিসহ গ্রেপ্তার ৩ বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সন্তানের সিলেটে স্বপ্না ফিজিওথেরাপী ও হিজামা সেন্টারের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশ কমিশনার বরাবরে অভিযোগ কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ হত্যা: মামলায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার গোদাগাড়ীতে সড়ক ও জনপথের জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ধরমপুরে ব্রি ধান-১২০ এর প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

আইজি প্রিজনের দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের কারাগারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন 

আইজি প্রিজনের দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের কারাগারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন 

আলিফ হোসেনঃ
‘রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ’এই স্লোগানকে সামনে রেখে কারাগারকে কেবল বন্দিশালা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই সংশোধনাগারে রূপান্তর করতে কারা মহাপরিদর্শক
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহের হোসেন বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
কারা প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং বন্দিদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান কারা মহাপরিদর্শক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কারাগারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা থেকে শুরু করে বন্দিদের পুষ্টি ও পুনর্বাসন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তনে এসেছে।
সম্প্রতি আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষায় কারাগারের জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার এবং নতুন ও আধুনিক কারাগার নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে। বিশেষ করে বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিনি বিশেষ নজর দিয়েছেন। রুপ দিচ্ছেন ডিজিটাল কারাব্যবস্থা ও স্বচ্ছতা।
​প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কারাগারের কার্যক্রমে ডিজিটালাইজেশন আনা হয়েছে। ই-প্রিজন ব্যবস্থা ও বন্দিদের তথ্য ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে কারাব্যবস্থাপনাকে আরও জনবান্ধব করা হয়েছে।এছাড়া বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের ভিডিও কল বা বিশেষ টেলিফোন আলাপ সহজতর করা হয়েছে, যা মানবিক দিক থেকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে।বন্দি কল্যাণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি কারাগারকে কর্মমুখর করতে আইজি প্রিজন বন্দিদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন। এর ফলে বন্দিরা হস্তশিল্প, সেলাই ও কৃষি কাজের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলছেন।উৎপাদিত পণ্য বিক্রির লভ্যাংশ বন্দিদের নিজের ব্যাংক হিসেবে জমা হচ্ছে কিছু কারাগারে।
কারগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তারা সমাজে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।এছাড়াও বন্দীদের পড়ালেখা,মানসম্মত খাবার ও চিকিৎসা সেবা খাবারের মান উন্নয়নে গতানুগতিক তালিকায় পরিবর্তন এনে উন্নত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলমান রয়েছে। পাশাপাশি কারা হাসপাতালের আধুনিকায়ণ এবং জরুরি ভিত্তিতে বাইরের হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধি করে বন্দিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন তিনি।শুদ্ধাচার ও শৃঙ্খলা রক্ষা কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। নিয়মিত সন্দেহভাজন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডোপ টেষ্টের মাধ্যমে মাদকাসক্ত শনাক্তকরণ ও যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছেন। এর ফলে কারাগারের অভ্যন্তরীণ মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়ম রোধে অভাবনীয় সাফল্য আসতে শুরু করেছে। বর্তমান কারা মহাপরিদর্শক এই উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীল উদ্যোগের ফলে কারাগারগুলো আজ অন্ধকার থেকে আলোর পথে পা বাড়াচ্ছে। তাঁর এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আগামী দিনে দেশের কারাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে এই প্রত্যাশা সবার।
এমন কারাবান্ধব প্রিজন দেশের কারাগারে স্বরনীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কীভাবে নিকাহ্ রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে? জবাব চেয়েছে মাউশি

আইজি প্রিজনের দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের কারাগারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন 

আপডেট টাইম : ০৭:৫৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আইজি প্রিজনের দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের কারাগারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন 

আলিফ হোসেনঃ
‘রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ’এই স্লোগানকে সামনে রেখে কারাগারকে কেবল বন্দিশালা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই সংশোধনাগারে রূপান্তর করতে কারা মহাপরিদর্শক
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহের হোসেন বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
কারা প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং বন্দিদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান কারা মহাপরিদর্শক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কারাগারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা থেকে শুরু করে বন্দিদের পুষ্টি ও পুনর্বাসন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তনে এসেছে।
সম্প্রতি আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষায় কারাগারের জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার এবং নতুন ও আধুনিক কারাগার নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে। বিশেষ করে বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিনি বিশেষ নজর দিয়েছেন। রুপ দিচ্ছেন ডিজিটাল কারাব্যবস্থা ও স্বচ্ছতা।
​প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কারাগারের কার্যক্রমে ডিজিটালাইজেশন আনা হয়েছে। ই-প্রিজন ব্যবস্থা ও বন্দিদের তথ্য ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে কারাব্যবস্থাপনাকে আরও জনবান্ধব করা হয়েছে।এছাড়া বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের ভিডিও কল বা বিশেষ টেলিফোন আলাপ সহজতর করা হয়েছে, যা মানবিক দিক থেকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে।বন্দি কল্যাণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি কারাগারকে কর্মমুখর করতে আইজি প্রিজন বন্দিদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন। এর ফলে বন্দিরা হস্তশিল্প, সেলাই ও কৃষি কাজের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলছেন।উৎপাদিত পণ্য বিক্রির লভ্যাংশ বন্দিদের নিজের ব্যাংক হিসেবে জমা হচ্ছে কিছু কারাগারে।
কারগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তারা সমাজে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।এছাড়াও বন্দীদের পড়ালেখা,মানসম্মত খাবার ও চিকিৎসা সেবা খাবারের মান উন্নয়নে গতানুগতিক তালিকায় পরিবর্তন এনে উন্নত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলমান রয়েছে। পাশাপাশি কারা হাসপাতালের আধুনিকায়ণ এবং জরুরি ভিত্তিতে বাইরের হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধি করে বন্দিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন তিনি।শুদ্ধাচার ও শৃঙ্খলা রক্ষা কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। নিয়মিত সন্দেহভাজন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডোপ টেষ্টের মাধ্যমে মাদকাসক্ত শনাক্তকরণ ও যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছেন। এর ফলে কারাগারের অভ্যন্তরীণ মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়ম রোধে অভাবনীয় সাফল্য আসতে শুরু করেছে। বর্তমান কারা মহাপরিদর্শক এই উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীল উদ্যোগের ফলে কারাগারগুলো আজ অন্ধকার থেকে আলোর পথে পা বাড়াচ্ছে। তাঁর এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আগামী দিনে দেশের কারাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে এই প্রত্যাশা সবার।
এমন কারাবান্ধব প্রিজন দেশের কারাগারে স্বরনীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।