ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় বালুর স্তূপে ঢাকা পড়েছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু পিকআপ ভর্তি ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন জব্দ খলিসাকুন্ডি কে.পি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী ভেড়ামারায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের হানা কঠোর অবস্থানে এসি ল্যান্ড আজ ১৭ এপ্রিল : ফুলবাড়ীর আঁখিরা গণহত্যা দিবস : নওগাঁয় আন্তজেলা প্রতারক এবং প্লাটিনাম কয়েন  চক্রের ৪ হোতা গ্রেফতার মোহনপুরে পেঁয়াজ সংরক্ষণের এয়ার-ফ্লো মেশিন বিতরণ আগৈলঝাড়ায় ব্রিজ নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের সত্যতা মেলায়, ভেঙে ফেলার নির্দেশ নওগাঁয় কোর্ট-এর অফিসার ও ফোর্সদের নিয়ে পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামের মত বিনিময়  পত্নীতলা ১৪ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্যসহ দুই নারী গ্রেফতার

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি।

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় বালুর স্তূপে ঢাকা পড়েছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

আপডেট টাইম : ১০:১৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।