ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের হাসুয়ার কোপে ছোট ভাই নিহত নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ পালিত ভেড়ামারায়  ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ভেড়ামারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন ডেঙ্গু ঠেকাতে কুষ্টিয়ায় স্কাউটসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান গাজীপুরে হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত: জাতীয় ঐক্যের আহ্বান। দৌলতপুরে বাস-আলগামন সংঘর্ষে চালক নিহত,আহত একাধিক ভেড়ামারায় ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রেজা আহমেদ বাচ্চু

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি।

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের হাসুয়ার কোপে ছোট ভাই নিহত

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

আপডেট টাইম : ১০:১৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।