ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারা হাসপাতালে সিভিল সার্জনের আকস্মিক পরিদর্শন, বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট নিয়ে ক্ষোভ তানোরে গ্রাম আদালত বিষয়ক র‍্যালি, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন ও  সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন নওগাঁ ডিসি এসপি সেজে প্রতারণার অভিযোগে এক প্রতারক গ্রেফতার  ভোক্তা অধিকারের অভিযান দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নওগাঁয় ভরা মৌসুমে নষ্ট হয় ৩০০ কোটি টাকার আম,চাষিদের শিল্পায়নের দাবি  তানোরে যুবককে হাতুড়িপেটা করে নালায় নিক্ষেপ অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৪ জন আটক ও ২টি ট্র‍াক্টর জব্দ-২ তানোরে ভুল চিকিৎসায় গরুর মৃত্যু দায় নিবে কে সিলেটে বন্ধুর বৌ নিয়ে খেলানেলা, অত:পর খুন দৌলতপুরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামী-শাশুড়ি আটক

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি।

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারা হাসপাতালে সিভিল সার্জনের আকস্মিক পরিদর্শন, বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট নিয়ে ক্ষোভ

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

আপডেট টাইম : ১০:১৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।