ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ  সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ড, হয়রানি শিকার নিরীহ ব্যক্তি: নেপথ্যে এ. এস. আই ফায়াজ প্রান্তিক মানুষের স্বাবলম্বীতা গড়ে তুলতে ব্র্যাকের মানবিক উদ্যোগ জাপানের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১ ভেড়ামারায় নিঃস্ব দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন  ইউএনও ভেড়ামারায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে অভিযানে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস ২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন পায়নি রাজশাহীর সিএমএম আদালত সাংবাদিক সুরুজ আলীর মুক্তিসহ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎

ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎

‎ ‎হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া ‎ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বামন পাড়া আজিজ বিড়ি মোড় সংলগ্ন এলাকায় ‘ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে দাহ্য তেল মজুদ ও বিক্রয় করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে তেল ব্যবসার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের আতঙ্ক বিরাজ করছে। ‎ ‎

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজ এন্টারপ্রাইজের মালিক ফিরোজ খান দাবি করেন, আমি ফায়ার সার্ভিসের কাগজপত্র ও পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স করে অনুমোদন নিয়েই তেলের ব্যবসা করছি। আমার সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স রয়েছে। ‎ ‎তবে ফিরোজ খানের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শরীফুল ইসলাম জানান, ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুমোদন নেয়নি এবং তাদের কোনো লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। কেউ যদি জ্বালানি তেলের ব্যবসা করতে চান, তবে তাকে সবার আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি বা ছাড়পত্র নিতে হবে।

‎ ‎এ বিষয়ে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক আমিরুল আরাফাত বলেন, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পৌরসভা থেকে কেবল খুচরা তেল ব্যবসায়ী হিসেবে একটি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করেছে। কিন্তু কেউ যদি এই লাইসেন্স দেখিয়ে তেল অবৈধভাবে মজুদ করে বা বৃহৎ আকারে বিপজ্জনক ব্যবসা পরিচালনা করে, তবে তার বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

‎ ‎তিনি আরও বলেন, আবাসিক এলাকায় এভাবে বড় পরিসরে বা বৃহৎ আকারে তেল ব্যবসা করার কোনো সুযোগ নেই। দেশের প্রচলিত বিস্ফোরক দ্রব্য আইন অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি একটি কঠোর দণ্ডনীয় অপরাধ। ‎ ‎স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই অবৈধ তেলের ডিপো বা মজুদ বন্ধে এবং আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎

ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎

আপডেট টাইম : ০৮:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎

‎ ‎হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া ‎ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বামন পাড়া আজিজ বিড়ি মোড় সংলগ্ন এলাকায় ‘ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে দাহ্য তেল মজুদ ও বিক্রয় করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে তেল ব্যবসার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের আতঙ্ক বিরাজ করছে। ‎ ‎

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজ এন্টারপ্রাইজের মালিক ফিরোজ খান দাবি করেন, আমি ফায়ার সার্ভিসের কাগজপত্র ও পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স করে অনুমোদন নিয়েই তেলের ব্যবসা করছি। আমার সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স রয়েছে। ‎ ‎তবে ফিরোজ খানের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শরীফুল ইসলাম জানান, ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুমোদন নেয়নি এবং তাদের কোনো লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। কেউ যদি জ্বালানি তেলের ব্যবসা করতে চান, তবে তাকে সবার আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি বা ছাড়পত্র নিতে হবে।

‎ ‎এ বিষয়ে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক আমিরুল আরাফাত বলেন, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পৌরসভা থেকে কেবল খুচরা তেল ব্যবসায়ী হিসেবে একটি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করেছে। কিন্তু কেউ যদি এই লাইসেন্স দেখিয়ে তেল অবৈধভাবে মজুদ করে বা বৃহৎ আকারে বিপজ্জনক ব্যবসা পরিচালনা করে, তবে তার বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

‎ ‎তিনি আরও বলেন, আবাসিক এলাকায় এভাবে বড় পরিসরে বা বৃহৎ আকারে তেল ব্যবসা করার কোনো সুযোগ নেই। দেশের প্রচলিত বিস্ফোরক দ্রব্য আইন অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি একটি কঠোর দণ্ডনীয় অপরাধ। ‎ ‎স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই অবৈধ তেলের ডিপো বা মজুদ বন্ধে এবং আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।