ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং আরও তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে হামলায় শত্রুপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটি জানিয়েছে, এই হামলা ছিল কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় নিহত বেসামরিক নাগরিকদের প্রতিশোধ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আল জাজিরা। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলায় দুই দম্পতি ও তাদের সন্তান নিহত হওয়ার জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইআরজিসির মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র‍্যাম্প এবং রক্ষণাবেক্ষণ শেড লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তাদের দাবি, ওই শেডেই মার্কিন বাহিনীর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রাখা ছিল।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে হামলায় শত্রুপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।

বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘এই হামলায় শত্রুপক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা, কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছে। গভীর রাতে ঘুমন্ত নিরীহ পরিবারকে হত্যা করা শিশুহত্যাকারী সেনাবাহিনীর জন্য এই অঞ্চলে কোনো স্থান নেই।’

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, অঞ্চল থেকে ‘শেষ মার্কিন দখলদার’ বিতাড়িত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জর্ডানকে ঘিরেও তাদের সংগ্রাম চলবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আইআরজিসির এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে ইরানের দাবির কথাই তুলে ধরা হয়েছে।

এএন

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

আপডেট টাইম : ০৭:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং আরও তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে হামলায় শত্রুপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটি জানিয়েছে, এই হামলা ছিল কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় নিহত বেসামরিক নাগরিকদের প্রতিশোধ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আল জাজিরা। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলায় দুই দম্পতি ও তাদের সন্তান নিহত হওয়ার জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইআরজিসির মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র‍্যাম্প এবং রক্ষণাবেক্ষণ শেড লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তাদের দাবি, ওই শেডেই মার্কিন বাহিনীর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রাখা ছিল।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে হামলায় শত্রুপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।

বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘এই হামলায় শত্রুপক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা, কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছে। গভীর রাতে ঘুমন্ত নিরীহ পরিবারকে হত্যা করা শিশুহত্যাকারী সেনাবাহিনীর জন্য এই অঞ্চলে কোনো স্থান নেই।’

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, অঞ্চল থেকে ‘শেষ মার্কিন দখলদার’ বিতাড়িত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জর্ডানকে ঘিরেও তাদের সংগ্রাম চলবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আইআরজিসির এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে ইরানের দাবির কথাই তুলে ধরা হয়েছে।

এএন