ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রেজা আহমেদ বাচ্চু ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুর সাদ্দামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু একই জানাজায় পাশাপাশি কবরে শায়িত বাবা-ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্ধ মিল থেকে চলছে চাউল সংগ্রহ অভিযান রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতির সুস্থতায় দোয়া মাহফিল প্রতিবন্ধীর কষ্ট দেখে বাড়ালেন সাহায্যের হাত: হুইলচেয়ার উপহার দিলেন ছাত্রদল আহ্বায়ক বন্যাকবলিত মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দৌলতপুরে ৭০ পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভেড়ামারায়  সোনার বাংলা’র উদ্যোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ব্যাগ বিতরণ

দৌলতপুরে অবৈধভাবে ডি-৫ এম জলাশয় দখল করে মাছ ধরার অভিযোগ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের ডি-৫ এম জলাশয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে মাছ ধরা।

দৌলতপুরে অবৈধভাবে ডি-৫ এম জলাশয় আদালতের আদেশ অমান্য করে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে


জিল্লুর রহমান ডেইলি নিউজ বাংলা ডেক্স: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের ডি-৫ এম জলাশয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হাফিজুর রহমান মুকুট জানান , ২০০৯ সালে খলিসাকুন্ডি ডি -৫ এম জি, কে এফ, সি, ডি, আই প্রকল্পের সুফলভোগী। খলিসাকুন্ডি মৎস্যজীবি সমবায় লিমিটেড নামে কমিটি অনুমোদন হয়।

পরে সকলে মিলে পর পর ৩ বার আমরা খলিসাকুন্ডি ডি-৫ এম জলাশয়ে ইজারা নিয়ে থাকি। মেয়াদ শেষ হলে ২০১৯ আবার ইজারা নেওয়া হয় ২০২৪ সাল প্রর্যন্ত। কিন্তু খলিসাকুন্ডি মৎস্যজীবি সমবায় লিমিটেড এর সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন রবি, আমি জেল হাজতে থাকাকে পুঁজি করে উপজেলা মৎস্য অফিসারের যোগসাজশে কৌশলে আমাকে বাদ দিয়ে নতুন করে অবৈধভাবে জলাশয় দখল করে মাছ ধরে নিচ্ছে।

আমি কোন সুরাহা না পেয়ে দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ২২/৬/২০২০ তারিখে উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেক কে অবগত করে আপোষ মিমাংসা হয়। কিন্তু জাহাঙ্গীর হোসেন, শক্তি খাটিয়ে আবার আগের মত জলাশয় দখল নিয়ে মাছ ধরা শুরু করে।

আমি পরে ৯/২/২১ তারিখে আদালতের সরণাপন্ন হয়। আদালতের সরণাপন্ন হওয়া তে মরিয়া হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীর হোসেন সকল মাছ ধরার জন্য এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে জেলেদের ডেকে আনেন তিনি। তাই আমি এর সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আইনের সকল সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আমাদের ইজারা নেওয়া জলাশয় থেকে আমরা মাছ ধরছি। হাফিজুর রহমান মুকুট তার অংশ আমার কাছে অনেক আগে হস্তান্তর করেছেন। তবে উপজেলা চেয়ারম্যান এর কাছে আপোষ মিমাংসার হয়নাই। তবে প্রতিবেদকে কোন কাগজ পত্র দেখান নাই জাহাঙ্গীর হোসেন রবি।

এ দিকে এলাকাবাসী জানান, আগে এক সাথেই মাছ ছাড়া ও বিক্রয় করতো রবি ও মুকুট বর্তমান যে পরিস্থিতি যে কোন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটতে পারে তাই আমরা এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার থে সুষ্ঠু সমাধান চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার শহিদুল ইসলাম জানান, আমার কোন যোগসাজশ নাই এই ঘটনার সাথে। আমাকে যে কাগজ পত্র দেওয়া হয়েছে সেটাই আমি বাস্তোবায়ন করেছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

দৌলতপুরে অবৈধভাবে ডি-৫ এম জলাশয় দখল করে মাছ ধরার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৩:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১

দৌলতপুরে অবৈধভাবে ডি-৫ এম জলাশয় আদালতের আদেশ অমান্য করে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে


জিল্লুর রহমান ডেইলি নিউজ বাংলা ডেক্স: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের ডি-৫ এম জলাশয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হাফিজুর রহমান মুকুট জানান , ২০০৯ সালে খলিসাকুন্ডি ডি -৫ এম জি, কে এফ, সি, ডি, আই প্রকল্পের সুফলভোগী। খলিসাকুন্ডি মৎস্যজীবি সমবায় লিমিটেড নামে কমিটি অনুমোদন হয়।

পরে সকলে মিলে পর পর ৩ বার আমরা খলিসাকুন্ডি ডি-৫ এম জলাশয়ে ইজারা নিয়ে থাকি। মেয়াদ শেষ হলে ২০১৯ আবার ইজারা নেওয়া হয় ২০২৪ সাল প্রর্যন্ত। কিন্তু খলিসাকুন্ডি মৎস্যজীবি সমবায় লিমিটেড এর সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন রবি, আমি জেল হাজতে থাকাকে পুঁজি করে উপজেলা মৎস্য অফিসারের যোগসাজশে কৌশলে আমাকে বাদ দিয়ে নতুন করে অবৈধভাবে জলাশয় দখল করে মাছ ধরে নিচ্ছে।

আমি কোন সুরাহা না পেয়ে দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ২২/৬/২০২০ তারিখে উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেক কে অবগত করে আপোষ মিমাংসা হয়। কিন্তু জাহাঙ্গীর হোসেন, শক্তি খাটিয়ে আবার আগের মত জলাশয় দখল নিয়ে মাছ ধরা শুরু করে।

আমি পরে ৯/২/২১ তারিখে আদালতের সরণাপন্ন হয়। আদালতের সরণাপন্ন হওয়া তে মরিয়া হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীর হোসেন সকল মাছ ধরার জন্য এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে জেলেদের ডেকে আনেন তিনি। তাই আমি এর সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আইনের সকল সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আমাদের ইজারা নেওয়া জলাশয় থেকে আমরা মাছ ধরছি। হাফিজুর রহমান মুকুট তার অংশ আমার কাছে অনেক আগে হস্তান্তর করেছেন। তবে উপজেলা চেয়ারম্যান এর কাছে আপোষ মিমাংসার হয়নাই। তবে প্রতিবেদকে কোন কাগজ পত্র দেখান নাই জাহাঙ্গীর হোসেন রবি।

এ দিকে এলাকাবাসী জানান, আগে এক সাথেই মাছ ছাড়া ও বিক্রয় করতো রবি ও মুকুট বর্তমান যে পরিস্থিতি যে কোন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটতে পারে তাই আমরা এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার থে সুষ্ঠু সমাধান চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার শহিদুল ইসলাম জানান, আমার কোন যোগসাজশ নাই এই ঘটনার সাথে। আমাকে যে কাগজ পত্র দেওয়া হয়েছে সেটাই আমি বাস্তোবায়ন করেছি।