ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন জ্বালানি তেল সংগ্রহে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ভেড়ামারা থানা পুলিশ দৌলতপুরের নীরব বিকেল: উত্তেজনার ছায়ায় এক দাফনের গল্প প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযানে ভেড়ামারায় বিপুল পরিমানে  দেশীয় মদ উদ্ধার যা করার করেন!—বাগমারায় অনিয়ম ঢাকতে ঔদ্ধত্য এলজিইডি প্রকৌশলীর দৌলতপুরে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে দুই গরু চুরি খানাখন্দ রাস্তাদিয়ে চলে ছাত্রীদের কলেজে আসাযাওয়া, টিনসেটে চলে পাঠদান বরিশালে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ‘ঈদ পুনর্মিলনী’ অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত কালকিনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৫ ওয়ারেন্টের দুই আসামি গ্রেফতার

দৌলতপুরে কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন চলছে ঢিলেঢালা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ সরকার ঘোষিত ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও চলছে ঢিলেঢালা ভাবে। রোববার সকাল থেকে উপজেলা সদর বাদে অধিকাংশ মফস্মল এলাকার বাজারে খোলা ছিল দোকানপাট, ছিল ব্যপক জনসমাগম। ঐ সব এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের কোন অভিযান চলতে দেখেনি সেই এলাকার সচেতন মানুষ। বন্ধ হয়নি সাধারন মানুষের অবাধ চলাচল।

সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের লুকোচুরি খেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলার একাধিক সচেতন মানুষ, তাদের দাবি দৌলতপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ও কর্তা ব্যাক্তিরা মাঠে থাকলেও ঠিকমত কাজ করছেননা ইউনিয়ন ভিত্তিক পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কালিদাশপুর এলাকার এক স্কুল শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, শহর এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের লোক লকডাউন মানাতে কঠোর থাকলেও ফাড়ি এলাকার পুলিশ সদস্যরা শুধু বাজার ঘাটে গিয়ে মোবাইলে ছবি তুলে কর্তাব্যাক্তিদের নিকট পাঠিয়ে দেখাচ্ছে যে তারা সার্বক্ষনিক মাঠে কাজ করছে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার সকল প্রান্তে কাজ করে যাচ্ছেন সঠিক ভাবে। তবে ফাড়ি এলাকায় পুলিশের কাজে অবহেলার বিষয়ে (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন,ইতি মধ্যে ফাড়ির সকল সদ্যদের সঠিক ভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করার জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।।

দোকান খোলা রাখার কারন জানতে চাইলে বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাস্তাতে হাজার হাজার মানুষের চলাচল, চলছে অটোরিকশা যাতে ১০ জন করে লোক উঠছে তাতে করোনা নেই কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে করোনা আছে। এই লকডাউনের কারনে শুধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিন্তু করোনার বিস্তার কমছে না। আমরা চাই লকডাউন বাস্তবায়ন হলে সঠিক ভাবে হোক না হলে সব খুলে দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আমি একা এক বাজার থেকে আরেক বাজারে বা এলাকায় গেলে তারা আবার দোকানপাট খুলছে সকলের সহযোগীতা না থাকলে লকডাউন বাস্তবায়ন করা কষ্ট সাধ্য ব্যপার।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন

দৌলতপুরে কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন চলছে ঢিলেঢালা

আপডেট টাইম : ০৫:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ সরকার ঘোষিত ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও চলছে ঢিলেঢালা ভাবে। রোববার সকাল থেকে উপজেলা সদর বাদে অধিকাংশ মফস্মল এলাকার বাজারে খোলা ছিল দোকানপাট, ছিল ব্যপক জনসমাগম। ঐ সব এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের কোন অভিযান চলতে দেখেনি সেই এলাকার সচেতন মানুষ। বন্ধ হয়নি সাধারন মানুষের অবাধ চলাচল।

সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের লুকোচুরি খেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলার একাধিক সচেতন মানুষ, তাদের দাবি দৌলতপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ও কর্তা ব্যাক্তিরা মাঠে থাকলেও ঠিকমত কাজ করছেননা ইউনিয়ন ভিত্তিক পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কালিদাশপুর এলাকার এক স্কুল শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, শহর এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের লোক লকডাউন মানাতে কঠোর থাকলেও ফাড়ি এলাকার পুলিশ সদস্যরা শুধু বাজার ঘাটে গিয়ে মোবাইলে ছবি তুলে কর্তাব্যাক্তিদের নিকট পাঠিয়ে দেখাচ্ছে যে তারা সার্বক্ষনিক মাঠে কাজ করছে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার সকল প্রান্তে কাজ করে যাচ্ছেন সঠিক ভাবে। তবে ফাড়ি এলাকায় পুলিশের কাজে অবহেলার বিষয়ে (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন,ইতি মধ্যে ফাড়ির সকল সদ্যদের সঠিক ভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করার জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।।

দোকান খোলা রাখার কারন জানতে চাইলে বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাস্তাতে হাজার হাজার মানুষের চলাচল, চলছে অটোরিকশা যাতে ১০ জন করে লোক উঠছে তাতে করোনা নেই কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে করোনা আছে। এই লকডাউনের কারনে শুধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিন্তু করোনার বিস্তার কমছে না। আমরা চাই লকডাউন বাস্তবায়ন হলে সঠিক ভাবে হোক না হলে সব খুলে দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আমি একা এক বাজার থেকে আরেক বাজারে বা এলাকায় গেলে তারা আবার দোকানপাট খুলছে সকলের সহযোগীতা না থাকলে লকডাউন বাস্তবায়ন করা কষ্ট সাধ্য ব্যপার।