ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
শীতের বাজারে লাল শাকের কদর বেড়েছে: ১০ টাকার শাকে লুকিয়ে আছে সুস্থ থাকার রহস্য হিজরার ঝুলন্ত ম*র*দেহ উদ্ধার পরিবার লা*শ নিতে অস্বীকৃতি, বাঘায় নকল ওষুধের কারখানায় অভিযান, এক লাখ টাকা জরিমানা ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে খলিসাকুন্ডি ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা নাগরপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ছাতারপাড়াতে প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ:টাইব্রেকারের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নওদাআজমপুরকে হারিয়ে গাছেরদাইড় ফুটবল একাদশের দুর্দান্ত জয়। স্বেচ্ছায় রক্তদান ফাউন্ডেশন কুষ্টিয়ার ১১৭ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবির চতুর্থ দিন, অফিস সাধারণ ছুটি, গ্রেফতার হচ্ছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা ভেড়ামারায় নদীভাঙন ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫০ পানচাষীকে বিনামূল্যে চাল বিতরণ সবুজকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

দৌলতপুরে কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন চলছে ঢিলেঢালা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ সরকার ঘোষিত ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও চলছে ঢিলেঢালা ভাবে। রোববার সকাল থেকে উপজেলা সদর বাদে অধিকাংশ মফস্মল এলাকার বাজারে খোলা ছিল দোকানপাট, ছিল ব্যপক জনসমাগম। ঐ সব এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের কোন অভিযান চলতে দেখেনি সেই এলাকার সচেতন মানুষ। বন্ধ হয়নি সাধারন মানুষের অবাধ চলাচল।

সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের লুকোচুরি খেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলার একাধিক সচেতন মানুষ, তাদের দাবি দৌলতপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ও কর্তা ব্যাক্তিরা মাঠে থাকলেও ঠিকমত কাজ করছেননা ইউনিয়ন ভিত্তিক পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কালিদাশপুর এলাকার এক স্কুল শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, শহর এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের লোক লকডাউন মানাতে কঠোর থাকলেও ফাড়ি এলাকার পুলিশ সদস্যরা শুধু বাজার ঘাটে গিয়ে মোবাইলে ছবি তুলে কর্তাব্যাক্তিদের নিকট পাঠিয়ে দেখাচ্ছে যে তারা সার্বক্ষনিক মাঠে কাজ করছে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার সকল প্রান্তে কাজ করে যাচ্ছেন সঠিক ভাবে। তবে ফাড়ি এলাকায় পুলিশের কাজে অবহেলার বিষয়ে (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন,ইতি মধ্যে ফাড়ির সকল সদ্যদের সঠিক ভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করার জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।।

দোকান খোলা রাখার কারন জানতে চাইলে বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাস্তাতে হাজার হাজার মানুষের চলাচল, চলছে অটোরিকশা যাতে ১০ জন করে লোক উঠছে তাতে করোনা নেই কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে করোনা আছে। এই লকডাউনের কারনে শুধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিন্তু করোনার বিস্তার কমছে না। আমরা চাই লকডাউন বাস্তবায়ন হলে সঠিক ভাবে হোক না হলে সব খুলে দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আমি একা এক বাজার থেকে আরেক বাজারে বা এলাকায় গেলে তারা আবার দোকানপাট খুলছে সকলের সহযোগীতা না থাকলে লকডাউন বাস্তবায়ন করা কষ্ট সাধ্য ব্যপার।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শীতের বাজারে লাল শাকের কদর বেড়েছে: ১০ টাকার শাকে লুকিয়ে আছে সুস্থ থাকার রহস্য

দৌলতপুরে কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন চলছে ঢিলেঢালা

আপডেট টাইম : ০৫:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ সরকার ঘোষিত ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও চলছে ঢিলেঢালা ভাবে। রোববার সকাল থেকে উপজেলা সদর বাদে অধিকাংশ মফস্মল এলাকার বাজারে খোলা ছিল দোকানপাট, ছিল ব্যপক জনসমাগম। ঐ সব এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের কোন অভিযান চলতে দেখেনি সেই এলাকার সচেতন মানুষ। বন্ধ হয়নি সাধারন মানুষের অবাধ চলাচল।

সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের লুকোচুরি খেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলার একাধিক সচেতন মানুষ, তাদের দাবি দৌলতপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ও কর্তা ব্যাক্তিরা মাঠে থাকলেও ঠিকমত কাজ করছেননা ইউনিয়ন ভিত্তিক পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কালিদাশপুর এলাকার এক স্কুল শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, শহর এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের লোক লকডাউন মানাতে কঠোর থাকলেও ফাড়ি এলাকার পুলিশ সদস্যরা শুধু বাজার ঘাটে গিয়ে মোবাইলে ছবি তুলে কর্তাব্যাক্তিদের নিকট পাঠিয়ে দেখাচ্ছে যে তারা সার্বক্ষনিক মাঠে কাজ করছে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার সকল প্রান্তে কাজ করে যাচ্ছেন সঠিক ভাবে। তবে ফাড়ি এলাকায় পুলিশের কাজে অবহেলার বিষয়ে (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন,ইতি মধ্যে ফাড়ির সকল সদ্যদের সঠিক ভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করার জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।।

দোকান খোলা রাখার কারন জানতে চাইলে বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাস্তাতে হাজার হাজার মানুষের চলাচল, চলছে অটোরিকশা যাতে ১০ জন করে লোক উঠছে তাতে করোনা নেই কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে করোনা আছে। এই লকডাউনের কারনে শুধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিন্তু করোনার বিস্তার কমছে না। আমরা চাই লকডাউন বাস্তবায়ন হলে সঠিক ভাবে হোক না হলে সব খুলে দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আমি একা এক বাজার থেকে আরেক বাজারে বা এলাকায় গেলে তারা আবার দোকানপাট খুলছে সকলের সহযোগীতা না থাকলে লকডাউন বাস্তবায়ন করা কষ্ট সাধ্য ব্যপার।