ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
চলছে অনলাইন প্রতারণা, প্রতারণার শিকার হয়েছে কম্বোডিয়া হাজারো প্রবাসী ​মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা, হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে চাচি রাজশাহীতে জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫ ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯২ ব্যাচের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের সবার জন্য -জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে কঠোর নজরদারি, গৌরনদীতে পরিদর্শনে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান ঘোড়াঘাটে পল্লী বিকাশ সহায়ক সংস্থার আয়োজনে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালপুরে সিমেন্টের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় কৃষকের প্রতিবাদ, নির্মম পিটুনিতে ৬ দিন পর মৃত্যু” বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত সু-প্রিয় সহকর্মী, আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। ঈদ মোবারক।

দৌলতপুরে প্রসূতির মৃত্যু মামলায় ডাক্তার টি.এ.কামালীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ

ডাক্তার টি.এ.কামালী

দৌলতপুর প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা বাজারে বিশ্বাস ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যু মামলায় ডাক্তার টি.এ.কামালীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। জানাগেছে গত ৯ নভেম্বর রবিবার সকাল ৯ টার দিকে ক্লিনিক মালিকের অবহেলায় ও ডাক্তার টি.এ.কামাল এর ভুল চিকিৎসায় ও.টি.তেই রমনী খাতুন (১৮) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়।

দৌলতপুর থানার ওসি তদন্ত শাহদৎ হোসেন জানান, উপজেলার আল্লারদর্গা বিশ্বাস ক্লিনিকে ওই প্রসূতির মর্মান্তিক মৃত্যু হলে, ঐ দিন তার ভাই হাসিবুল দৌলতপুর থানায় ৫ জন কে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে, মামলা নং ১৭। এই মামলার প্রধান আসামী ডাক্তার টি.এ. কামাল কে দৌলতপুর পুলিশ গত বুধবার রাতে ভেড়ামারা থেকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। জানাগেছে তার বিরুদ্ধে রমনী খাতুন, আল্লারদর্গা হিন্দু পাড়ার রমা রায় সহ এক ডজন প্রসূতী মা ও নবজাত শিশুর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর প্রমাণ রয়েছে।

ঘটনার সূত্র থেকে জানাগেছে রমনী খাতুন উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাদীপুর গ্রামের মো. বাচ্চু আলীর স্ত্রী রমনী খাতুন প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আল্লারদর্গা বিশ্বাস ক্লিনিকে ভর্তি হ’ন। ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফ সিজার অপারেশন করে সন্তান প্রসব করাবেন বলে ওই প্রসূতিকে ভর্তি করেন। রাত থেকে রবিববার সকাল পর্যন্ত প্রসূতি প্রসব যন্ত্রনায় কাতর ও ছটফট করলেও ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফ ডাক্তার এনে অপারেশন করাতে ব্যর্থ হয়।

একপর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফের স্ত্রী কথিত নার্স নার্গিস খাতুন ওই প্রসূতিতে ব্যাথা নাশক ইনজেকশন ও পরে টিএ কামাল এসে অপারেশনের জন্য একটি ইনজেকশন দিলে তৎক্ষনাত প্রসূতির মৃত্যু হয়। এদিকে ক্লিনিক মালিকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের আত্মীয় স্বজন ক্লিনিকে হামলা চালালে ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফ ও তার স্ত্রী নার্গিস খাতুন এবং ডাক্তার পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। একই সাথে দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আজগর আলীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত ওই ক্লিনিক সিল গালা করেছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চলছে অনলাইন প্রতারণা, প্রতারণার শিকার হয়েছে কম্বোডিয়া হাজারো প্রবাসী

দৌলতপুরে প্রসূতির মৃত্যু মামলায় ডাক্তার টি.এ.কামালীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ

আপডেট টাইম : ০৭:০৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০২০

দৌলতপুর প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা বাজারে বিশ্বাস ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যু মামলায় ডাক্তার টি.এ.কামালীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। জানাগেছে গত ৯ নভেম্বর রবিবার সকাল ৯ টার দিকে ক্লিনিক মালিকের অবহেলায় ও ডাক্তার টি.এ.কামাল এর ভুল চিকিৎসায় ও.টি.তেই রমনী খাতুন (১৮) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়।

দৌলতপুর থানার ওসি তদন্ত শাহদৎ হোসেন জানান, উপজেলার আল্লারদর্গা বিশ্বাস ক্লিনিকে ওই প্রসূতির মর্মান্তিক মৃত্যু হলে, ঐ দিন তার ভাই হাসিবুল দৌলতপুর থানায় ৫ জন কে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে, মামলা নং ১৭। এই মামলার প্রধান আসামী ডাক্তার টি.এ. কামাল কে দৌলতপুর পুলিশ গত বুধবার রাতে ভেড়ামারা থেকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। জানাগেছে তার বিরুদ্ধে রমনী খাতুন, আল্লারদর্গা হিন্দু পাড়ার রমা রায় সহ এক ডজন প্রসূতী মা ও নবজাত শিশুর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর প্রমাণ রয়েছে।

ঘটনার সূত্র থেকে জানাগেছে রমনী খাতুন উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাদীপুর গ্রামের মো. বাচ্চু আলীর স্ত্রী রমনী খাতুন প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আল্লারদর্গা বিশ্বাস ক্লিনিকে ভর্তি হ’ন। ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফ সিজার অপারেশন করে সন্তান প্রসব করাবেন বলে ওই প্রসূতিকে ভর্তি করেন। রাত থেকে রবিববার সকাল পর্যন্ত প্রসূতি প্রসব যন্ত্রনায় কাতর ও ছটফট করলেও ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফ ডাক্তার এনে অপারেশন করাতে ব্যর্থ হয়।

একপর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফের স্ত্রী কথিত নার্স নার্গিস খাতুন ওই প্রসূতিতে ব্যাথা নাশক ইনজেকশন ও পরে টিএ কামাল এসে অপারেশনের জন্য একটি ইনজেকশন দিলে তৎক্ষনাত প্রসূতির মৃত্যু হয়। এদিকে ক্লিনিক মালিকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের আত্মীয় স্বজন ক্লিনিকে হামলা চালালে ক্লিনিক মালিক আব্দুল লতিফ ও তার স্ত্রী নার্গিস খাতুন এবং ডাক্তার পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। একই সাথে দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আজগর আলীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত ওই ক্লিনিক সিল গালা করেছেন।