ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
পীর হত্যা ও গুজবের আগুনে দৌলতপুর উত্তাল, শফি মণ্ডলের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার অনুমতি ছাড়াই ফুলবাড়ীতে ফসলি জমিতে পুকুর খনন, স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ফুলবাড়ীতে ডায়রিয়া রোগী বাড়ছে বেরোবি ক্যাম্পাসে নতুন ডাক বাক্স উদ্বোধন, ভবিষ্যতে পোস্ট অফিস স্থাপনের আশ্বাস তানোরে জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সপ্তাহ ও মেলার পুরুষ্কার বিতরণ  তানোরে বিএমডিএর সেচ প্রকল্প কৃষি উৎপাদনে বড় ভুমিকা রাখছে  গৌরনদীতে খালে ভাসমান নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে নানা আয়োজনে বরণ করা হচ্ছে ১৪৩৩ বাংলা মান্দায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি ডা.ইকরামুল বারী টিপু লালপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা

দৌলতপুর রহিমা বেগম একাডেমি সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণকারীর খপ্পর থেকে প্রাণে রক্ষা পেল সাঈদ

দৌলতপুর প্রডিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লার দর্গা বাজারের রহিমা বেগম একাডেমি’র সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল্লাহ আল সাঈদ, রোল নম্বর ৪৪ অপহরণকারীর খপ্পর থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছে।

সাঈদের বর্ণনা থেকে জানাগেছে আব্দুল্লাহ আল সাঈদ পিতা মিজানুর রহমান, আল্লারদর্গা, চামনায় গত ১২মার্চ সকাল ৯ টার দিকে সে চামনা নিজ বাড়ি থেকে স্কুলের পথে আসতে নাসির উদ্দিন বিশ্বাস ইন্ডাস্ট্রির (বিড়ি) পূর্ব দিকের রাস্তা বরাবর আসলে একটি অপহরণ চক্রের সদস্য তার পায়ে আঘাত লেগেছে বলে ছেলেটিকে জানায় এবং তাদের রাখা একটি কারের মধ্যে পানি আছে বলে পানি নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করে।

ছাত্রটি গাড়ির মধ্যে পানি আনতে গেলে, অপহরণচক্র তাকে গাড়ির দরজা খুলে ভিতরে নিয়ে নেয়। সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই অপহরণকারীরা ময়েন মার্কেটের সামনে গাড়ীটি আসলে তার নাকে চেতনা নাশক ঔষধ চেপে ধরে, সে অজ্ঞান হয়ে যায়।

বেলা ৪ টার দিকে রাজবাড়ী চার রাস্তার মোড়ে অপহরণকারীরা গাড়ি রেখে সম্ভবত খাবার খেতে অথবা যে কোন প্রয়োজনে বাইরে গেলে, এ সময় ছাত্রটি জ্ঞান ফিরে পায়। সে দেখতে পায় সাইনবোর্ডে লেখা রাজবাড়ী, সে গাড়ীর দরজা খুলে বের হয়ে একটি রিক্সায় উঠে স্টেশনে যাই।

সেখানে পুলিশের সহযোগিতায় সাঈদ তার বাবার নাম্বারে ফোন করে এবং বাবাকে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করে। বাবা মিজানুর রহমান ফোন করে তার বোন ইতিআরা খাতুন এ্যনি, কুষ্টিয়া রেল স্টেশনের বুকিং কর্মকর্তা। এনি দ্রুত একটি ট্রেন ধরে রাজবাড়ী যায় এবং ছেলেকে উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য ছেলেটি তার স্কুলে আসা সাইকেলটি আশা সিনিয়া হলের সামনেই রেখে পানি আনতে যায়, এ পর্যন্ত সাইকেলটি উদ্ধার হয়নি এবং রাজবাড়ীতে তাকে স্কুল ছাত্র বলে কেউ ধরে নিবে বলে তার পোশাক ও বইপত্র ব্যাগ ছুড়ে অন্যত্র ফেলে দেয়। তার বাবা-মা’র ইচ্ছা এই প্রতারক চক্রকে প্রশাসন শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করুক। এ ধরনের অপরাধ দিন দিন এলাকায় বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপহরণ চক্রটি তাকে রাজবাড়ী হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে তাদের ধারণা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পীর হত্যা ও গুজবের আগুনে দৌলতপুর উত্তাল, শফি মণ্ডলের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার

দৌলতপুর রহিমা বেগম একাডেমি সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণকারীর খপ্পর থেকে প্রাণে রক্ষা পেল সাঈদ

আপডেট টাইম : ০৪:৩০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

দৌলতপুর প্রডিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লার দর্গা বাজারের রহিমা বেগম একাডেমি’র সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল্লাহ আল সাঈদ, রোল নম্বর ৪৪ অপহরণকারীর খপ্পর থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছে।

সাঈদের বর্ণনা থেকে জানাগেছে আব্দুল্লাহ আল সাঈদ পিতা মিজানুর রহমান, আল্লারদর্গা, চামনায় গত ১২মার্চ সকাল ৯ টার দিকে সে চামনা নিজ বাড়ি থেকে স্কুলের পথে আসতে নাসির উদ্দিন বিশ্বাস ইন্ডাস্ট্রির (বিড়ি) পূর্ব দিকের রাস্তা বরাবর আসলে একটি অপহরণ চক্রের সদস্য তার পায়ে আঘাত লেগেছে বলে ছেলেটিকে জানায় এবং তাদের রাখা একটি কারের মধ্যে পানি আছে বলে পানি নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করে।

ছাত্রটি গাড়ির মধ্যে পানি আনতে গেলে, অপহরণচক্র তাকে গাড়ির দরজা খুলে ভিতরে নিয়ে নেয়। সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই অপহরণকারীরা ময়েন মার্কেটের সামনে গাড়ীটি আসলে তার নাকে চেতনা নাশক ঔষধ চেপে ধরে, সে অজ্ঞান হয়ে যায়।

বেলা ৪ টার দিকে রাজবাড়ী চার রাস্তার মোড়ে অপহরণকারীরা গাড়ি রেখে সম্ভবত খাবার খেতে অথবা যে কোন প্রয়োজনে বাইরে গেলে, এ সময় ছাত্রটি জ্ঞান ফিরে পায়। সে দেখতে পায় সাইনবোর্ডে লেখা রাজবাড়ী, সে গাড়ীর দরজা খুলে বের হয়ে একটি রিক্সায় উঠে স্টেশনে যাই।

সেখানে পুলিশের সহযোগিতায় সাঈদ তার বাবার নাম্বারে ফোন করে এবং বাবাকে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করে। বাবা মিজানুর রহমান ফোন করে তার বোন ইতিআরা খাতুন এ্যনি, কুষ্টিয়া রেল স্টেশনের বুকিং কর্মকর্তা। এনি দ্রুত একটি ট্রেন ধরে রাজবাড়ী যায় এবং ছেলেকে উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য ছেলেটি তার স্কুলে আসা সাইকেলটি আশা সিনিয়া হলের সামনেই রেখে পানি আনতে যায়, এ পর্যন্ত সাইকেলটি উদ্ধার হয়নি এবং রাজবাড়ীতে তাকে স্কুল ছাত্র বলে কেউ ধরে নিবে বলে তার পোশাক ও বইপত্র ব্যাগ ছুড়ে অন্যত্র ফেলে দেয়। তার বাবা-মা’র ইচ্ছা এই প্রতারক চক্রকে প্রশাসন শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করুক। এ ধরনের অপরাধ দিন দিন এলাকায় বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপহরণ চক্রটি তাকে রাজবাড়ী হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে তাদের ধারণা।