ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৮টি লক্ষণ ফিলিপনগরে ‘মেধাযাত্রা–২০২৬’, ৪৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, সংবর্ধিত ৪০ কৃতী শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত শীঘ্রই  স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মসূচী নিয়ে আসছে অর্ধশতাধিক সামাজিক  সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করেছে বিজিবি জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সেরা প্রতিবেদক নির্বাচিত সাংবাদিক আছানুল হক কালীগঞ্জে স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত, গ্রেফতার ০৩ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা দেখতে ডিমলায় জনতার ঢল নাগরপুরে বিজয়া দশমীর মেলার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিসর্জন সম্পন্ন যশোরের লালদীঘিতে ভক্তদের অশ্রুসিক্ত বিদায় আসছে বছরের অপেক্ষা, নৌকায় চড়ে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা

ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

‎ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

‎

হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া

‎পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার আড়কান্দি গ্রামে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। অব্যাহত নদীভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় শতবিঘা পানের বরজসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে চরম নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও পানচাষিরা।

‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্য মতে, নদীভাঙনের কারণে বিলীন হওয়া সিকস্তী (নদীগর্ভে তলে যাওয়া) জমির পরিমাণ আনুমানিক ২৫ হেক্টর। গত কয়েকদিনে পানির প্রবল তোড়ে তীরের মাটি ধসে পড়ে এই বিশাল এলাকার কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে যায়।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চোখের সামনেই তাদের আবাদের একমাত্র সম্বল পানের বরজ ও গাছপালা নদীতে ভেসে যেতে দেখেছেন।

‎এদিকে খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত আড়কান্দি গ্রাম সশরীরে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি দল। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন।

‎পরিদর্শনকালে প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয়রা দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং স্থায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

‎ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষিরা জানান, পানের বরজ তৈরিতে প্রচুর অর্থ ও শ্রম দিতে হয়। হঠাৎ এমন ভাঙনে তাদের মূলধনসহ আয়ের প্রধান পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি জরুরি সহায়তা ও প্রণোদনা না পেলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না বলে জানান।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৮টি লক্ষণ

ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

আপডেট টাইম : ০৮:২২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

‎ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

‎

হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া

‎পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার আড়কান্দি গ্রামে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। অব্যাহত নদীভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় শতবিঘা পানের বরজসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে চরম নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও পানচাষিরা।

‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্য মতে, নদীভাঙনের কারণে বিলীন হওয়া সিকস্তী (নদীগর্ভে তলে যাওয়া) জমির পরিমাণ আনুমানিক ২৫ হেক্টর। গত কয়েকদিনে পানির প্রবল তোড়ে তীরের মাটি ধসে পড়ে এই বিশাল এলাকার কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে যায়।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চোখের সামনেই তাদের আবাদের একমাত্র সম্বল পানের বরজ ও গাছপালা নদীতে ভেসে যেতে দেখেছেন।

‎এদিকে খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত আড়কান্দি গ্রাম সশরীরে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি দল। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন।

‎পরিদর্শনকালে প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয়রা দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং স্থায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

‎ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষিরা জানান, পানের বরজ তৈরিতে প্রচুর অর্থ ও শ্রম দিতে হয়। হঠাৎ এমন ভাঙনে তাদের মূলধনসহ আয়ের প্রধান পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি জরুরি সহায়তা ও প্রণোদনা না পেলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না বলে জানান।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।