ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

কোরবানির ঈদ মধ্য রাতেও কামারের দোকানে ভিড়

কোরবানির ঈদ মধ্য রাতেও কামারের দোকানে ভিড়

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারদের। কোথাও কোথাও সেই ব্যস্ততা এমন যে মধ্যরাত পর্যন্ত ভিড় লেগে থাকে কামারের দোকানে। রাত ১২, ১টা পর্যন্ত কাজ করতে হয় কামারদের। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার সময় এমন দৃশ্য দেখা গেলো ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের কেওয়াগ্রামের মোড়ে মান্দারতলা নামক স্থানে অজিদ মন্ডলের (৫২) দোকানে।
উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের লংকারচর গ্রামের মৃত রনজিত মন্ডলের ছেলে অজিত মন্ডল দীর্ঘ দিন যাবত মান্দারতলা মোড়ে কামারের কাজ করে আসছেন। দোকানে তখনও বেশ কয়েকজন কাস্টমার বসে আছেন। তার সামনে দা, ছোল, ছোরা, চাপাতি, ছুরি, বটি প্রভভূতি যন্ত্রপাতি ধার করার জন্য নিয়ে আসছে কাস্টমারগণ। যন্ত্রপাতি ধার করে সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য বসে আছেন তারা।
কামার অজিত মন্ডল বলেন, সারা বছর খুব বেশি কাজ না হলেও কোরবানির ঈদের সময় ব্যস্ততা বেড়ে যায়। রাতে অল্প লোক আছে দিনের বেলায় আরও লোক থাকে। প্রতিদিনই মধরাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। এ সময় আমার ছেলে সুব্রত আমাকে সহযোগিতা করে। কোরবানির ঈদে কোরবানির পশু ছোলা ও মাংস বানানোর জন্য চাপাতি, ছোরা, দা, বটি, কুরাল কাজে লাগে। তাই সেগুলো মেরামত, ধার করানোর জন্য লোকজন নিয়ে আসে। কেউ কেউ নতুনও বানায়। যন্ত্র ভেদে একশ থেকে পাঁচশ টাকা পর্যন্ত খরচ নিয়ে থাকেন বলেন জানান তিনি।
 এ সময় ওই দোকানে ময়না গ্রামের ইমদাদুল শেখ, হাবিব শেখ, ফেলাননগর গ্রামের শাহজাহান মোল্যা প্রমুখ যন্ত্রপাতি নিয়ে বসেছিলেন। ইমদাদুল শেখ বলেন, এ এলাকার আসেপাশে আর কোন কামারের দোকান নেই। তাই ৫-৬ গ্রামের মানুষ যন্ত্রপাতি মেরামত বা ধার করাতে এখানে আসে।
Tag :

নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

কোরবানির ঈদ মধ্য রাতেও কামারের দোকানে ভিড়

আপডেট টাইম : ১০:৫৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

কোরবানির ঈদ মধ্য রাতেও কামারের দোকানে ভিড়

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারদের। কোথাও কোথাও সেই ব্যস্ততা এমন যে মধ্যরাত পর্যন্ত ভিড় লেগে থাকে কামারের দোকানে। রাত ১২, ১টা পর্যন্ত কাজ করতে হয় কামারদের। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার সময় এমন দৃশ্য দেখা গেলো ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের কেওয়াগ্রামের মোড়ে মান্দারতলা নামক স্থানে অজিদ মন্ডলের (৫২) দোকানে।
উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের লংকারচর গ্রামের মৃত রনজিত মন্ডলের ছেলে অজিত মন্ডল দীর্ঘ দিন যাবত মান্দারতলা মোড়ে কামারের কাজ করে আসছেন। দোকানে তখনও বেশ কয়েকজন কাস্টমার বসে আছেন। তার সামনে দা, ছোল, ছোরা, চাপাতি, ছুরি, বটি প্রভভূতি যন্ত্রপাতি ধার করার জন্য নিয়ে আসছে কাস্টমারগণ। যন্ত্রপাতি ধার করে সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য বসে আছেন তারা।
কামার অজিত মন্ডল বলেন, সারা বছর খুব বেশি কাজ না হলেও কোরবানির ঈদের সময় ব্যস্ততা বেড়ে যায়। রাতে অল্প লোক আছে দিনের বেলায় আরও লোক থাকে। প্রতিদিনই মধরাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। এ সময় আমার ছেলে সুব্রত আমাকে সহযোগিতা করে। কোরবানির ঈদে কোরবানির পশু ছোলা ও মাংস বানানোর জন্য চাপাতি, ছোরা, দা, বটি, কুরাল কাজে লাগে। তাই সেগুলো মেরামত, ধার করানোর জন্য লোকজন নিয়ে আসে। কেউ কেউ নতুনও বানায়। যন্ত্র ভেদে একশ থেকে পাঁচশ টাকা পর্যন্ত খরচ নিয়ে থাকেন বলেন জানান তিনি।
 এ সময় ওই দোকানে ময়না গ্রামের ইমদাদুল শেখ, হাবিব শেখ, ফেলাননগর গ্রামের শাহজাহান মোল্যা প্রমুখ যন্ত্রপাতি নিয়ে বসেছিলেন। ইমদাদুল শেখ বলেন, এ এলাকার আসেপাশে আর কোন কামারের দোকান নেই। তাই ৫-৬ গ্রামের মানুষ যন্ত্রপাতি মেরামত বা ধার করাতে এখানে আসে।