ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
চলছে অনলাইন প্রতারণা, প্রতারণার শিকার হয়েছে কম্বোডিয়া হাজারো প্রবাসী ​মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা, হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে চাচি রাজশাহীতে জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫ ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯২ ব্যাচের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের সবার জন্য -জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে কঠোর নজরদারি, গৌরনদীতে পরিদর্শনে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান ঘোড়াঘাটে পল্লী বিকাশ সহায়ক সংস্থার আয়োজনে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালপুরে সিমেন্টের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় কৃষকের প্রতিবাদ, নির্মম পিটুনিতে ৬ দিন পর মৃত্যু” বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত সু-প্রিয় সহকর্মী, আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। ঈদ মোবারক।

ডাব বিক্রিতে চলে দশমিনায় মানিকের সংসার

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: গরম কিংবা শীত সব ঋতুতেই ডাবের পানির সমান কদর রয়েছে। তবে গত কয়েক দিনের গরমে পটুয়াখালীর দশমিনায় ডাবের কদর অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেড়ে চলছে। তাইতো পথেঘাটে পিপাসা নিবারণের জন্য সচেতন মানুষ বেছে নেন ডাবের পানি। পথচারীদের মতে, উপজেলায় যত পানীয় পাওয়া যায় তার মধ্যে ডাবের পানিই সবচেয়ে নিরাপদ।

তাই অনেক ক্ষেত্রে কোমল পানীয়র বদলেও তারা বেছে নেন ডাবের পানি। গ্রাম ঘুরে ঘুরে ডাব কেনা, গাছ থেকে পাড়ানো ও গাড়িতে ওঠানো উপজেলায় পাইকারি বিক্রি ও খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে বহু মানুষ জড়িত। উপজেলায় অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন ডাব বিক্রির পেশা। ডাবের ওপর নির্ভর করে সংসার চলছে অনেকেরই। জনগুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন সড়কে কিছুদূর পরপরই চোখে পড়ে ভ্যানে কওে ও দোকানীদের দোকানের সামনে ডাব বিক্রির দৃশ্য। উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে ভ্যানে করে ডাব বিক্রি করছিলেন মোঃ মানিক।

তিনি ৪বছর ধরে ডাবের ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসায় জড়িত থাকার কারণে তিনি ডাব হাতে নিয়েই বুঝতে পারেন কোনটায় কতটুকু পানি আছে, কোনটায় সর বা শাঁস হয়েছে, কোনটার শাঁস শক্ত হয়েছে, কোনটায় পানি কম। ডাব বিক্রেতা মানিক জানান, ৪ বছর আগে এক শ’ ডাব কিনতেন ১৮০০ টাকায় আর এখন একটু বড় সাইজের এক শ’ ডাব কিনতে অন্তত তিন হাজার টাকা লাগে।

ডাব বিক্রিতে তার খুব সুনাম রয়েছে। অনেকেই তার কাছ থেকে ডাব কিনে খান। মানিক এর বাড়ি উপজেলার সদও ইউনিয়নের দশমিনা গ্রামে। মানিক জানান, ডাবের ব্যবসা করেই সংসারের খরচ এবং ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া চলছে। যা আয় করেন খরচ হয়ে যায়। অতিরিক্ত কিছু জমাতে পারেননি। তার কাছে সবচেয়ে বড় একটি ডাবের দাম ৫৫ টাকা। তাতে সাড়ে তিন থেকে চার গ্লাস পানি হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চলছে অনলাইন প্রতারণা, প্রতারণার শিকার হয়েছে কম্বোডিয়া হাজারো প্রবাসী

ডাব বিক্রিতে চলে দশমিনায় মানিকের সংসার

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: গরম কিংবা শীত সব ঋতুতেই ডাবের পানির সমান কদর রয়েছে। তবে গত কয়েক দিনের গরমে পটুয়াখালীর দশমিনায় ডাবের কদর অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেড়ে চলছে। তাইতো পথেঘাটে পিপাসা নিবারণের জন্য সচেতন মানুষ বেছে নেন ডাবের পানি। পথচারীদের মতে, উপজেলায় যত পানীয় পাওয়া যায় তার মধ্যে ডাবের পানিই সবচেয়ে নিরাপদ।

তাই অনেক ক্ষেত্রে কোমল পানীয়র বদলেও তারা বেছে নেন ডাবের পানি। গ্রাম ঘুরে ঘুরে ডাব কেনা, গাছ থেকে পাড়ানো ও গাড়িতে ওঠানো উপজেলায় পাইকারি বিক্রি ও খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে বহু মানুষ জড়িত। উপজেলায় অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন ডাব বিক্রির পেশা। ডাবের ওপর নির্ভর করে সংসার চলছে অনেকেরই। জনগুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন সড়কে কিছুদূর পরপরই চোখে পড়ে ভ্যানে কওে ও দোকানীদের দোকানের সামনে ডাব বিক্রির দৃশ্য। উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে ভ্যানে করে ডাব বিক্রি করছিলেন মোঃ মানিক।

তিনি ৪বছর ধরে ডাবের ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসায় জড়িত থাকার কারণে তিনি ডাব হাতে নিয়েই বুঝতে পারেন কোনটায় কতটুকু পানি আছে, কোনটায় সর বা শাঁস হয়েছে, কোনটার শাঁস শক্ত হয়েছে, কোনটায় পানি কম। ডাব বিক্রেতা মানিক জানান, ৪ বছর আগে এক শ’ ডাব কিনতেন ১৮০০ টাকায় আর এখন একটু বড় সাইজের এক শ’ ডাব কিনতে অন্তত তিন হাজার টাকা লাগে।

ডাব বিক্রিতে তার খুব সুনাম রয়েছে। অনেকেই তার কাছ থেকে ডাব কিনে খান। মানিক এর বাড়ি উপজেলার সদও ইউনিয়নের দশমিনা গ্রামে। মানিক জানান, ডাবের ব্যবসা করেই সংসারের খরচ এবং ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া চলছে। যা আয় করেন খরচ হয়ে যায়। অতিরিক্ত কিছু জমাতে পারেননি। তার কাছে সবচেয়ে বড় একটি ডাবের দাম ৫৫ টাকা। তাতে সাড়ে তিন থেকে চার গ্লাস পানি হয়।