ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

দৌলতপুরে সুদের টাকার বিরোধে শতাধিক মানুষ গ্রামছাড়া – পুলিশের পুনর্বাসন উদ্যোগ স্থানীয়দের বাধায় ব্যর্থ

দৌলতপুরে সুদের টাকার বিরোধে শতাধিক মানুষ গ্রামছাড়া

পুলিশের পুনর্বাসন উদ্যোগ স্থানীয়দের বাধায় ব্যর্থ

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের টলটলি পাড়া গ্রামে সুদের টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শতাধিক মানুষ গ্রামছাড়া অবস্থায় রয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয় পুলিশ প্রশাসন, তবে স্থানীয়দের বাধায় সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, টলটলি পাড়ার ডাক্তার এনায়েতের অনুসারী এনামুল, জমিরসহ প্রায় ২০–২৫ জন কয়েক বছর আগে স্থানীয় ব্যবসায়ী ‘মাসুদ গ্রুপ’-এর কাছ থেকে উচ্চ সুদে প্রায় দুই কোটি টাকা ধার নেয়। পরবর্তীতে তারা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে একাধিক সালিশি বৈঠক হলেও সমাধান হয়নি।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, এনায়েত গ্রুপ স্থানীয় প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সমর্থক হওয়ায় তারা এলাকার ওপর প্রভাব খাটিয়ে আসছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় মাসুদ গ্রুপ পাওনা টাকা দাবি করলে সংঘর্ষ বাঁধে। রক্তক্ষয়ী ওই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয় এবং এনায়েত গ্রুপের প্রায় ৬০–৭০ পরিবারের সদস্য গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

দীর্ঘ এক বছর পর শনিবার সকালে দৌলতপুর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও গ্রামছাড়া লোকজনকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়দের বাধার মুখে উদ্যোগটি ব্যর্থ হয়।

ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, “পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি, শিগগিরই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

Tag :

নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

দৌলতপুরে সুদের টাকার বিরোধে শতাধিক মানুষ গ্রামছাড়া – পুলিশের পুনর্বাসন উদ্যোগ স্থানীয়দের বাধায় ব্যর্থ

আপডেট টাইম : ০৬:১৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

দৌলতপুরে সুদের টাকার বিরোধে শতাধিক মানুষ গ্রামছাড়া

পুলিশের পুনর্বাসন উদ্যোগ স্থানীয়দের বাধায় ব্যর্থ

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের টলটলি পাড়া গ্রামে সুদের টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শতাধিক মানুষ গ্রামছাড়া অবস্থায় রয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয় পুলিশ প্রশাসন, তবে স্থানীয়দের বাধায় সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, টলটলি পাড়ার ডাক্তার এনায়েতের অনুসারী এনামুল, জমিরসহ প্রায় ২০–২৫ জন কয়েক বছর আগে স্থানীয় ব্যবসায়ী ‘মাসুদ গ্রুপ’-এর কাছ থেকে উচ্চ সুদে প্রায় দুই কোটি টাকা ধার নেয়। পরবর্তীতে তারা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে একাধিক সালিশি বৈঠক হলেও সমাধান হয়নি।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, এনায়েত গ্রুপ স্থানীয় প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সমর্থক হওয়ায় তারা এলাকার ওপর প্রভাব খাটিয়ে আসছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় মাসুদ গ্রুপ পাওনা টাকা দাবি করলে সংঘর্ষ বাঁধে। রক্তক্ষয়ী ওই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয় এবং এনায়েত গ্রুপের প্রায় ৬০–৭০ পরিবারের সদস্য গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

দীর্ঘ এক বছর পর শনিবার সকালে দৌলতপুর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও গ্রামছাড়া লোকজনকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়দের বাধার মুখে উদ্যোগটি ব্যর্থ হয়।

ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, “পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি, শিগগিরই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।