ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় পদ্মার গ্রাসে বিলীন জনপদ: পাউবোর উদাসীনতায় দিশেহারা হাজারো কৃষক ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক ছাতারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত  ভেড়ামারায় এক কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার নাগরপুরে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক তারিয়াশ পলাশ, সদস্য সচিব সরদার আশরাফ ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন রুবেল, বাঁচতে হলে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা দৌলতপুরে ৩২ কোটি টাকার রাস্তা-ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন

নওগাঁয় পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদের ব্যবহার বাড়ছে 

নওগাঁয় পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদের ব্যবহার বাড়ছে 

মোহাম্মদ আককাস আলী  :নওগাঁয় পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদের ব্যবহার বাড়ছে। কৃষকদের কাছে আমন ধানের ক্ষতিকর পোকা-মাকড় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জনপ্রিয় এই পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির নাম ‘আলোক ফাঁদ’। উপজেলার কৃষকরা এই কৃষিবান্ধব পদ্ধতির প্রতি আগ্রহী হওয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে এর ব্যবহার। ক্ষতিকর পোকার অধিকতর আক্রমণের আগেই চিহ্নিত করে কম খরচে অল্প পরিমাণে বালাইনাশক প্রয়োগ করার পাশাপাশি কমছে কীটনাশকের ব্যবহারও। এর ফলে কম খরচে ফলন বেশি হওয়ার আশা কৃষকদের।
 জেলার ১১টি উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় এই আলোকফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার হচ্ছে। আলোক ফাঁদ বেশি ব্যবহার করছেন জেলার রাণীনগর উপজেলার কৃষকরা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিদের্শনা মোতাবেক একযোগে সারা দেশের সঙ্গে প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমন ফসলের খেতে ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রয়োজনের তাগিদে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে।
 কৃষক নিজেই জমিতে পোকার লক্ষ্য করে ধান খেতে কোন্ ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে তা তারা সহজেই নিরূপণ করতে পারেন। কৃষি সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা নিয়ে পরিমাণ মতো বালাইনাশক জমিতে প্রয়োগ করতে পারছেন। এতে করে পোকার আক্রমনের আগেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারছেন কৃষকরা। এই আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে কৃষকরা বর্তমানে আমন ক্ষেতে খুব কম ঔষধ ব্যবহার করছেন। এতে কৃষকদের খরচ অনেকটাই কমে আসছে এবং ধানের উৎপাদনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ১লাখ ৯০হাজার হেক্টর জমিতে আমনধানের চাষ হয়েছে। জেলার প্রতিটি কৃষি অফিসের অনুপ্রেরনায় কৃষকরা বর্তমানে এই পরিবেশ বান্ধব “আলোক ফাঁদ” পদ্ধতির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকরা সহজেই আমন ধানের শত্রু বিভিন্ন পোকা চিহ্নিত করে স্ব স্ব এলাকার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তা নিধন করতে পারছেন। এতে করে আমন ক্ষেত পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা পাচ্ছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় পদ্মার গ্রাসে বিলীন জনপদ: পাউবোর উদাসীনতায় দিশেহারা হাজারো কৃষক

নওগাঁয় পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদের ব্যবহার বাড়ছে 

আপডেট টাইম : ০৮:০১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

নওগাঁয় পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদের ব্যবহার বাড়ছে 

মোহাম্মদ আককাস আলী  :নওগাঁয় পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদের ব্যবহার বাড়ছে। কৃষকদের কাছে আমন ধানের ক্ষতিকর পোকা-মাকড় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জনপ্রিয় এই পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির নাম ‘আলোক ফাঁদ’। উপজেলার কৃষকরা এই কৃষিবান্ধব পদ্ধতির প্রতি আগ্রহী হওয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে এর ব্যবহার। ক্ষতিকর পোকার অধিকতর আক্রমণের আগেই চিহ্নিত করে কম খরচে অল্প পরিমাণে বালাইনাশক প্রয়োগ করার পাশাপাশি কমছে কীটনাশকের ব্যবহারও। এর ফলে কম খরচে ফলন বেশি হওয়ার আশা কৃষকদের।
 জেলার ১১টি উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় এই আলোকফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার হচ্ছে। আলোক ফাঁদ বেশি ব্যবহার করছেন জেলার রাণীনগর উপজেলার কৃষকরা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিদের্শনা মোতাবেক একযোগে সারা দেশের সঙ্গে প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমন ফসলের খেতে ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রয়োজনের তাগিদে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে।
 কৃষক নিজেই জমিতে পোকার লক্ষ্য করে ধান খেতে কোন্ ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে তা তারা সহজেই নিরূপণ করতে পারেন। কৃষি সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা নিয়ে পরিমাণ মতো বালাইনাশক জমিতে প্রয়োগ করতে পারছেন। এতে করে পোকার আক্রমনের আগেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারছেন কৃষকরা। এই আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে কৃষকরা বর্তমানে আমন ক্ষেতে খুব কম ঔষধ ব্যবহার করছেন। এতে কৃষকদের খরচ অনেকটাই কমে আসছে এবং ধানের উৎপাদনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ১লাখ ৯০হাজার হেক্টর জমিতে আমনধানের চাষ হয়েছে। জেলার প্রতিটি কৃষি অফিসের অনুপ্রেরনায় কৃষকরা বর্তমানে এই পরিবেশ বান্ধব “আলোক ফাঁদ” পদ্ধতির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকরা সহজেই আমন ধানের শত্রু বিভিন্ন পোকা চিহ্নিত করে স্ব স্ব এলাকার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তা নিধন করতে পারছেন। এতে করে আমন ক্ষেত পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা পাচ্ছে।