ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা দৌলতপুরে ৩২ কোটি টাকার রাস্তা-ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত

প্রকৃতির মাঝে এখনো বর্ষা আসেনি তবুও ফুটেছে গাছে কদম ফুল

প্রকৃতির মাঝে এখনো বর্ষা আসেনি তবুও ফুটেছে গাছে কদম ফুল

 বগুড়া প্রতিনিধি ঃ প্রকৃতিতে এখনও বর্ষা আসেনি। আসুক নাআসুক,কদম কিন্তু ঠিকই ফুটেছে। কদমকে কাব্য ভাষায় বলা হয় বর্ষার দুত। বর্ষার সঙ্গে কদম ফুলের নিবিড় সম্পর্ক। বর্ষার আগমনী বার্তা বা দুত হিসেবে কদম ফুল প্রতীক। বর্ণে, গন্ধে সেরা এই ফুলের সঙ্গে বাঙালীর পরিচয়ও বহু প্রাচীণ। আবার কদমের আরেক নাম মেঘাগমপ্রিয়। কদম ফুলের সৌন্দর্য তুলনারহিত। এর আকার ছোট বলের মতো। রঙটা গাঢ় হলুদ, তার চারপাশে হালকা সাদা । গত চার দশকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কদম বছরের একাধিক সময়ে ফোটে। এবারে বর্ষার আগে ফুটেছে, বসন্তের শেষেও ফোটে। আবার শীতকালেও এই ফুল ফোটে। এটি নীপ নামেও পরিচিত। বাংরাদেশ সহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল,চীন,মালয় কদমের আদি নিবাস। দীর্ঘকৃতি,বহুশাখাবিশিষ্ট বিশাল বৃক্ষ বিশেষ। কবিতায় গানে বর্ষাকে বর্ণনা করতে বারবার এসেছে কদম ফুল প্রসঙ্গ। রবীন্দ্র সংগীতে তাই স্থান পেয়েছে বাদল দিনেরও প্রথম কদমও ফুল করেছ দান। গানগুলি যেন প্রকৃতিতে বর্ষার রুপকে ছবির মতো তুলে ধরে। কদম ফুল সৌন্দর্যে পিপাসুদের তৃপ্তি দেয়। কদম ফুল চর্মরোগের জন্যও ব্যবহত হয়। এই গাছের নির্যাস মারাত্মক ব্যকটেরিয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। লিভার রোগের জন্য এই ফুল উপকারি। ঘ্রানে,বর্ণে, সৌন্দর্যে ও ওষুধে গুণে কদমগাছ পরিপুর্ন হলেও এই গাছের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তাই প্রকৃতিকে বাঁচাতে কদমসহ সব ধরনের বৃক্ষ রোপণ করতে হবে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা

প্রকৃতির মাঝে এখনো বর্ষা আসেনি তবুও ফুটেছে গাছে কদম ফুল

আপডেট টাইম : ০৪:৩১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

প্রকৃতির মাঝে এখনো বর্ষা আসেনি তবুও ফুটেছে গাছে কদম ফুল

 বগুড়া প্রতিনিধি ঃ প্রকৃতিতে এখনও বর্ষা আসেনি। আসুক নাআসুক,কদম কিন্তু ঠিকই ফুটেছে। কদমকে কাব্য ভাষায় বলা হয় বর্ষার দুত। বর্ষার সঙ্গে কদম ফুলের নিবিড় সম্পর্ক। বর্ষার আগমনী বার্তা বা দুত হিসেবে কদম ফুল প্রতীক। বর্ণে, গন্ধে সেরা এই ফুলের সঙ্গে বাঙালীর পরিচয়ও বহু প্রাচীণ। আবার কদমের আরেক নাম মেঘাগমপ্রিয়। কদম ফুলের সৌন্দর্য তুলনারহিত। এর আকার ছোট বলের মতো। রঙটা গাঢ় হলুদ, তার চারপাশে হালকা সাদা । গত চার দশকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কদম বছরের একাধিক সময়ে ফোটে। এবারে বর্ষার আগে ফুটেছে, বসন্তের শেষেও ফোটে। আবার শীতকালেও এই ফুল ফোটে। এটি নীপ নামেও পরিচিত। বাংরাদেশ সহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল,চীন,মালয় কদমের আদি নিবাস। দীর্ঘকৃতি,বহুশাখাবিশিষ্ট বিশাল বৃক্ষ বিশেষ। কবিতায় গানে বর্ষাকে বর্ণনা করতে বারবার এসেছে কদম ফুল প্রসঙ্গ। রবীন্দ্র সংগীতে তাই স্থান পেয়েছে বাদল দিনেরও প্রথম কদমও ফুল করেছ দান। গানগুলি যেন প্রকৃতিতে বর্ষার রুপকে ছবির মতো তুলে ধরে। কদম ফুল সৌন্দর্যে পিপাসুদের তৃপ্তি দেয়। কদম ফুল চর্মরোগের জন্যও ব্যবহত হয়। এই গাছের নির্যাস মারাত্মক ব্যকটেরিয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। লিভার রোগের জন্য এই ফুল উপকারি। ঘ্রানে,বর্ণে, সৌন্দর্যে ও ওষুধে গুণে কদমগাছ পরিপুর্ন হলেও এই গাছের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তাই প্রকৃতিকে বাঁচাতে কদমসহ সব ধরনের বৃক্ষ রোপণ করতে হবে।