ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফিরোজ কবির ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ চলছে অনলাইন প্রতারণা, প্রতারণার শিকার হয়েছে কম্বোডিয়া হাজারো প্রবাসী ​মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা, হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে চাচি রাজশাহীতে জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫ ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯২ ব্যাচের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের সবার জন্য -জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে কঠোর নজরদারি, গৌরনদীতে পরিদর্শনে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান ঘোড়াঘাটে পল্লী বিকাশ সহায়ক সংস্থার আয়োজনে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালপুরে সিমেন্টের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় কৃষকের প্রতিবাদ, নির্মম পিটুনিতে ৬ দিন পর মৃত্যু” বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল ঠিকানাবিহীন ৩২৯০২ পরিবার

কাজী মোস্তফা রুমি: যেসব মানুষের ঘর ছিল না, জমি ছিল না সেই ঠিকানাবিহীন পরিবারগুলো পেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার। সেই উপহার যেনতেন নয়, ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আশ্রয় পেল পরিবারগুলো। পরিবারের দুই শতাংশ জমি ও একটি সেমি পাকা ঘর করে পেয়েছে ৩২ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন, ঘরহীন পরিবার। ঈদের আগে এগুলোকে ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ভূমি ও ঘরহীন পরিবারের মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার পোড়াদিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা জেলার বরগুনা সদর উপজেলার খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ জেলার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মুজিব বর্ষে একটি মানুষও গৃহহীন, ভূমিহীন থাকবে না। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে আরও ৬৫ হাজার ৬৭৪টি একক ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তৃতীয় ধাপে বাড়িগুলোকে আরও টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল করতে সরকার খরচ বাড়িয়েছে এবং নকশায় পরিবর্তন এনেছে। এখন ভূমি ও গৃহহীনেরা ২ দশমিক ২ শতাংশ জমিসহ উন্নত মানের আবাস পাবেন।
বাড়িগুলোকে টেকসই ও দর্শনীয় করতে প্রতিটি বাড়ির জন্য খরচ ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। বাড়িগুলোকে আরও টেকসই করার জন্য সরকার শক্তিশালী গ্রেট-বিম, লিন্টেল ও রিইনফোর্সড কংক্রিট কলাম (আরসিসি) পিলারবিশিষ্ট বাড়ি নির্মাণ করছে।
প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি একক বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। চলতি অর্থবছর ২০২১-২২ পর্যন্ত ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩টি বাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপের আওতায় চরাঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি প্রায় ১ হাজার ২৪২টি বাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিবেচনায় রেখে ঘরগুলো যাতে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা যায়, সে জন্য বিশেষ নকশা করা হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীন ১৯৯৭ সাল থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৮ হাজার ৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। পুনর্বাসিত মানুষের সংখ্যা ৩৫ লাখ ৪০ হাজার ১৫ জন (একটি পরিবারে আনুমানিক পাঁচজন ব্যক্তি হিসাবে)।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফিরোজ কবির ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল ঠিকানাবিহীন ৩২৯০২ পরিবার

আপডেট টাইম : ০৩:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২
কাজী মোস্তফা রুমি: যেসব মানুষের ঘর ছিল না, জমি ছিল না সেই ঠিকানাবিহীন পরিবারগুলো পেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার। সেই উপহার যেনতেন নয়, ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আশ্রয় পেল পরিবারগুলো। পরিবারের দুই শতাংশ জমি ও একটি সেমি পাকা ঘর করে পেয়েছে ৩২ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন, ঘরহীন পরিবার। ঈদের আগে এগুলোকে ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ভূমি ও ঘরহীন পরিবারের মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার পোড়াদিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা জেলার বরগুনা সদর উপজেলার খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ জেলার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মুজিব বর্ষে একটি মানুষও গৃহহীন, ভূমিহীন থাকবে না। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে আরও ৬৫ হাজার ৬৭৪টি একক ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তৃতীয় ধাপে বাড়িগুলোকে আরও টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল করতে সরকার খরচ বাড়িয়েছে এবং নকশায় পরিবর্তন এনেছে। এখন ভূমি ও গৃহহীনেরা ২ দশমিক ২ শতাংশ জমিসহ উন্নত মানের আবাস পাবেন।
বাড়িগুলোকে টেকসই ও দর্শনীয় করতে প্রতিটি বাড়ির জন্য খরচ ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। বাড়িগুলোকে আরও টেকসই করার জন্য সরকার শক্তিশালী গ্রেট-বিম, লিন্টেল ও রিইনফোর্সড কংক্রিট কলাম (আরসিসি) পিলারবিশিষ্ট বাড়ি নির্মাণ করছে।
প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি একক বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। চলতি অর্থবছর ২০২১-২২ পর্যন্ত ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩টি বাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপের আওতায় চরাঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি প্রায় ১ হাজার ২৪২টি বাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিবেচনায় রেখে ঘরগুলো যাতে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা যায়, সে জন্য বিশেষ নকশা করা হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীন ১৯৯৭ সাল থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৮ হাজার ৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। পুনর্বাসিত মানুষের সংখ্যা ৩৫ লাখ ৪০ হাজার ১৫ জন (একটি পরিবারে আনুমানিক পাঁচজন ব্যক্তি হিসাবে)।