ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা দৌলতপুরে ৩২ কোটি টাকার রাস্তা-ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত

বগুড়ার  হাটে-বাজারে প্রচুর আমন চারার আমদানি 

বগুড়ার  হাটে-বাজারে প্রচুর আমন চারার আমদানি 

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় চলতি আমন মৌসুমে হাটে-বাজারে প্রচুর আমন ধানের চারার আমদানি লক্ষ্য করা গেছে। তবে জাত ভেদে প্রতি পণ ৩০০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তুলনামূলক হারে ধানের চারার দাম বেশি হওয়ায় চারা সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি-সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৪৮০ হেক্টর জমিতে বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন ধানের বীজ বপন করা হয়েছে। ওই উপজেলায় মোট ৪৯০ হেক্টর জমিতে বীজতলা করা হয়েছে। কৃষক আমন ধানের হাইব্রিড, উফসিসহ বিভিন্ন জাতের ধানের চারা রোপন করেছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বীজতলা থেকে চারা তুলে হাটে-বাজারে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। উপজেলার হাট করমজা, কাচারি বাজার, পাকুল্লা, বালুয়াহাট, সৈয়দ আহমেদ কলেজ হাট, সোনাতলা পুরাতন বন্দর হাটে প্রতি পণ আমন ধানের চারা জাতভেদে ৩০০-৩৫০ টাকা দরে বেচা-বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি হাটে-বাজারে ধানের চারার প্রচুর আমদানি লক্ষ্য করা গেলেও দাম ছিল কৃষকের নাগালের বাইরে। তবে উঁচু এলাকাগুলোতে আমন ধানের বীজতলার সংখ্যা বেশি হলেও ধানের চারার দাম সকল এলাকায় একই রকম দেখা গেছে। এ বিষয়ে খাবুলিয়া এলাকার আজিজার রহমান জানান  এবার তিনি ৮ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এজন্য তাকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাকার চারা কিনতে হয়েছে। কামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ গোলাম সোবহানী বুলবুল বলেন, এবার তিনি প্রায় ২ একর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের চারা উৎপাদন করেছেন, যা থেকে তিনি নিজের প্রায় ৩৫ বিঘা জমি রোপন করার পরেও প্রায় ৪০-৪৫ হাজার টাকার চারা বিক্রি করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন জানান  চলতি বছর বগুড়ার সোনাতলায় ৪৮০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বপন করা হয়েছে ৪৯০ হেক্টর জমিতে। আমন ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৬শ’ ৫০ হেক্টর। যা গতবছর ছিল ৯ হাজার ৬শ’ ২০ হেক্টর।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ালটন প্লাজা ও শঙ্খনীল সার্জিকালের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর: কিস্তি ক্রেতা ও পরিবারের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধা

বগুড়ার  হাটে-বাজারে প্রচুর আমন চারার আমদানি 

আপডেট টাইম : ০৩:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪

বগুড়ার  হাটে-বাজারে প্রচুর আমন চারার আমদানি 

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় চলতি আমন মৌসুমে হাটে-বাজারে প্রচুর আমন ধানের চারার আমদানি লক্ষ্য করা গেছে। তবে জাত ভেদে প্রতি পণ ৩০০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তুলনামূলক হারে ধানের চারার দাম বেশি হওয়ায় চারা সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি-সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৪৮০ হেক্টর জমিতে বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন ধানের বীজ বপন করা হয়েছে। ওই উপজেলায় মোট ৪৯০ হেক্টর জমিতে বীজতলা করা হয়েছে। কৃষক আমন ধানের হাইব্রিড, উফসিসহ বিভিন্ন জাতের ধানের চারা রোপন করেছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বীজতলা থেকে চারা তুলে হাটে-বাজারে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। উপজেলার হাট করমজা, কাচারি বাজার, পাকুল্লা, বালুয়াহাট, সৈয়দ আহমেদ কলেজ হাট, সোনাতলা পুরাতন বন্দর হাটে প্রতি পণ আমন ধানের চারা জাতভেদে ৩০০-৩৫০ টাকা দরে বেচা-বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি হাটে-বাজারে ধানের চারার প্রচুর আমদানি লক্ষ্য করা গেলেও দাম ছিল কৃষকের নাগালের বাইরে। তবে উঁচু এলাকাগুলোতে আমন ধানের বীজতলার সংখ্যা বেশি হলেও ধানের চারার দাম সকল এলাকায় একই রকম দেখা গেছে। এ বিষয়ে খাবুলিয়া এলাকার আজিজার রহমান জানান  এবার তিনি ৮ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এজন্য তাকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাকার চারা কিনতে হয়েছে। কামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ গোলাম সোবহানী বুলবুল বলেন, এবার তিনি প্রায় ২ একর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের চারা উৎপাদন করেছেন, যা থেকে তিনি নিজের প্রায় ৩৫ বিঘা জমি রোপন করার পরেও প্রায় ৪০-৪৫ হাজার টাকার চারা বিক্রি করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন জানান  চলতি বছর বগুড়ার সোনাতলায় ৪৮০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বপন করা হয়েছে ৪৯০ হেক্টর জমিতে। আমন ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৬শ’ ৫০ হেক্টর। যা গতবছর ছিল ৯ হাজার ৬শ’ ২০ হেক্টর।