ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ

বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম অমোচনীয়”- জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু

বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম অমোচনীয়”- জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু

কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী আজ।

বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। ১ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেন।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯৩তম জন্মবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেন দক্ষিণ টাঙ্গাইলের গর্ব, নাগরপুর দেলদুয়ারের গণমানুষের নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির অন্যতম সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, রাজপথ কাঁপানো সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা, তৃণমূলের প্রাণের স্পন্দন জননেতা তারেক শামস খান হিমু।

এ বিষয়ে জননেতা তারেক শামস্ খান হিমুর সাথে গণমাধ্যমের কথা হয়। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন- দেশ স্বাধীন করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে। তাতে কখনোই দমে যাননি, একা হাতে সংসার সামলেছেন। তবুও বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে শেখ মুজিবকে কখনোই হার মানতে দেননি।

শুধু নিজ পরিবারই নয়, খোঁজ রাখতেন প্রতিবেশী এবং আত্বীয়-স্বজনদেরও। আলাদা করে দেখতেন না কাউকে। বাঙালির স্বাধীনতার জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন নিজের সর্বস্ব।

শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে দলের নেতাকর্মীদের কখনোই বিভ্রান্ত হতে না দিয়ে সমস্যা সমাধান করতেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা। বঙ্গবন্ধুর পেছনে থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সময় বলিষ্ট ভূমিকা রেখেছেন মহীয়সী এই নারী।

একজন যোগ্য জীবনসঙ্গীর উদাহরণ তৈরি করেছিলেন শেখ মুজিব। পচাত্তরের ১৫ আগস্ট একই সঙ্গে শহিদ হন তারা। আর তাই বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম অমোচনীয়।

আজকের এই দিনে আমি টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের পক্ষ হতে, নাগরপুর দেলদুয়ারের সমগ্র জনগণের পক্ষ হতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

Tag :

নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম অমোচনীয়”- জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু

আপডেট টাইম : ১০:২৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম অমোচনীয়”- জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু

কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী আজ।

বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। ১ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেন।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯৩তম জন্মবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেন দক্ষিণ টাঙ্গাইলের গর্ব, নাগরপুর দেলদুয়ারের গণমানুষের নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির অন্যতম সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, রাজপথ কাঁপানো সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা, তৃণমূলের প্রাণের স্পন্দন জননেতা তারেক শামস খান হিমু।

এ বিষয়ে জননেতা তারেক শামস্ খান হিমুর সাথে গণমাধ্যমের কথা হয়। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন- দেশ স্বাধীন করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে। তাতে কখনোই দমে যাননি, একা হাতে সংসার সামলেছেন। তবুও বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে শেখ মুজিবকে কখনোই হার মানতে দেননি।

শুধু নিজ পরিবারই নয়, খোঁজ রাখতেন প্রতিবেশী এবং আত্বীয়-স্বজনদেরও। আলাদা করে দেখতেন না কাউকে। বাঙালির স্বাধীনতার জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন নিজের সর্বস্ব।

শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে দলের নেতাকর্মীদের কখনোই বিভ্রান্ত হতে না দিয়ে সমস্যা সমাধান করতেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা। বঙ্গবন্ধুর পেছনে থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সময় বলিষ্ট ভূমিকা রেখেছেন মহীয়সী এই নারী।

একজন যোগ্য জীবনসঙ্গীর উদাহরণ তৈরি করেছিলেন শেখ মুজিব। পচাত্তরের ১৫ আগস্ট একই সঙ্গে শহিদ হন তারা। আর তাই বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম অমোচনীয়।

আজকের এই দিনে আমি টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের পক্ষ হতে, নাগরপুর দেলদুয়ারের সমগ্র জনগণের পক্ষ হতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।