ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মান্দার প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সোহেল রানা তানোরে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া ক্যাম্পাস সংলগ্ন মেসে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃ‍‍`ত্যু নাইওরি আনতেগেলে বরের ‘গেটে সেলামি’ নিয়ে সংঘর্ষ, উভয় পক্ষের আহত ৪ গৌরনদীতে পিকআপ ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে চালক নিহত দৌলতপুরে ৮ বছরের শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা, অভিযুক্ত আটক সাপাহারে স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ১ বেরোবিতে গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সিলেটের গোয়াইনঘাটের ভূমি অফিসে মারামারি, স্যোশাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল নওগাঁয় মুক্তিযুদ্ধের তিন ভাস্কর্য ভাঙচুরের দেড় বছরেও হয়নি সংস্কার

যে কোনো প্রান্তে হামলা চালাতে চীনের হাইপারসনিক প্রস্তুতি

ফাইল ছবি

মাত্র ১৪ মিনিটে চীনা যুদ্ধবিমান পৌঁছে যাবে মার্কিন উপকূলে, চালাতে পারবে পরমাণু হামলাও। শুধু আমেরিকায় নয়, খুব অল্প সময়েই যুদ্ধবিমানটি পারমাণু বোমা ফেলতে পারবে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে। তেমনই এক হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান তৈরি করছে চীন।

হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে এ হাইপারসনিক জেট আকাশে উড়বে। হাইপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ চলছে। চীনা এক বিজ্ঞানী বলেছেন, জেটটিকে পরীক্ষা করা হবে একটি উইন্ড টানেলের মধ্যে। সেই বিশেষ উইন্ড টানেলও তৈরির কাজ চলছে।

অত্যন্ত গোপনীয় উইন্ড টানেল প্রকল্পটিতে কাজ করছেন যে বিজ্ঞানীরা, তাদেরই একজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। তবে হাইপারসনিক জেট তৈরি হচ্ছে, সেটির পরীক্ষা শুধু নয়, আরও নানা ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে চীন।

২০২০ সালের মধ্যেই টানেলটি তৈরি হয়ে যাবে বলে চীনা বিজ্ঞানী ঝাও ওয়েই জানিয়েছেন। ওই বছরের মধ্যেই পরমাণু হামলায় সক্ষম হাপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ শেষ হবে। সেকেন্ডে ১২ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারবে চীনের এই হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান। অর্থাৎ শব্দের ৩৫ গুণ বেগে ছুটে চলবে বিমানটি।

এ গতিবেগে উড়লে চীন থেকে মার্কিন উপকূলে পৌঁছাতে মাত্র ১৪ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হবে। তবে এটিই চীনের প্রথম হাইপারসনিক জেট প্রকল্প নয়। ডিএফ-জেএফ নামে একটি হাইপারসনিক জেট ২০১৩ সালেই তৈরি করে চীন। এ পর্যন্ত অন্তত সাত বার পরীক্ষামূলক সফল উড্ডয়ন করা হয়েছে।

এই ডিএফ-জেডএফ শব্দের পাঁচগুণ এবং ১০ গুণ বেগে উড়তে পারে। ডিএফ-জেডএফ ব্যবহার করেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো বা পরমাণু বোমা ফেলা সম্ভব বলে চীনা বিজ্ঞানীদের দাবি। কিন্তু তার চেয়েও অনেক শক্তিশালী, দ্রুতগামী এবং প্রায় অপ্রতিরোধ্য জেট তৈরির পথে চীন অনেকটা এগিয়েছে। আনন্দবাজার।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মান্দার প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সোহেল রানা

যে কোনো প্রান্তে হামলা চালাতে চীনের হাইপারসনিক প্রস্তুতি

আপডেট টাইম : ১২:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

মাত্র ১৪ মিনিটে চীনা যুদ্ধবিমান পৌঁছে যাবে মার্কিন উপকূলে, চালাতে পারবে পরমাণু হামলাও। শুধু আমেরিকায় নয়, খুব অল্প সময়েই যুদ্ধবিমানটি পারমাণু বোমা ফেলতে পারবে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে। তেমনই এক হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান তৈরি করছে চীন।

হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে এ হাইপারসনিক জেট আকাশে উড়বে। হাইপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ চলছে। চীনা এক বিজ্ঞানী বলেছেন, জেটটিকে পরীক্ষা করা হবে একটি উইন্ড টানেলের মধ্যে। সেই বিশেষ উইন্ড টানেলও তৈরির কাজ চলছে।

অত্যন্ত গোপনীয় উইন্ড টানেল প্রকল্পটিতে কাজ করছেন যে বিজ্ঞানীরা, তাদেরই একজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। তবে হাইপারসনিক জেট তৈরি হচ্ছে, সেটির পরীক্ষা শুধু নয়, আরও নানা ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে চীন।

২০২০ সালের মধ্যেই টানেলটি তৈরি হয়ে যাবে বলে চীনা বিজ্ঞানী ঝাও ওয়েই জানিয়েছেন। ওই বছরের মধ্যেই পরমাণু হামলায় সক্ষম হাপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ শেষ হবে। সেকেন্ডে ১২ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারবে চীনের এই হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান। অর্থাৎ শব্দের ৩৫ গুণ বেগে ছুটে চলবে বিমানটি।

এ গতিবেগে উড়লে চীন থেকে মার্কিন উপকূলে পৌঁছাতে মাত্র ১৪ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হবে। তবে এটিই চীনের প্রথম হাইপারসনিক জেট প্রকল্প নয়। ডিএফ-জেএফ নামে একটি হাইপারসনিক জেট ২০১৩ সালেই তৈরি করে চীন। এ পর্যন্ত অন্তত সাত বার পরীক্ষামূলক সফল উড্ডয়ন করা হয়েছে।

এই ডিএফ-জেডএফ শব্দের পাঁচগুণ এবং ১০ গুণ বেগে উড়তে পারে। ডিএফ-জেডএফ ব্যবহার করেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো বা পরমাণু বোমা ফেলা সম্ভব বলে চীনা বিজ্ঞানীদের দাবি। কিন্তু তার চেয়েও অনেক শক্তিশালী, দ্রুতগামী এবং প্রায় অপ্রতিরোধ্য জেট তৈরির পথে চীন অনেকটা এগিয়েছে। আনন্দবাজার।