ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ

সাংবাদিক কে হুমকি দিয়ে বিপাকে অভিনেতা হিরো আলম।

কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টারঃ  বগুড়ায় এক সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বিপাকে পড়ে থানায় হাজিরা দিতে এসে হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দিলেন আলোচিত ও সমালোচিত আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম। তিনি জেলার নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন। জিডির তদন্তের স্বার্থে তাকে থানায় ডাকা হয়। এসময় হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দেন তিনি।
সংবাদ প্রকাশের জেরধরে স্থানীয় সংবাদকর্মী এমদাদুল হককে হুমকির ঘটনায় জিডির তদন্তের স্বার্থে বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে থানায় হাজির হন হিরো আলম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম দয়া, থানার উপ-পরিদর্শক বিকাশ চক্রবর্ত্তী, জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল আহাদ সহ কয়েকজন ব্যক্তি।
সকলের উপস্থিতিতে জিডির বিষয়ে মিমাংসার প্রস্তাব দেন হিরো আলম। এসময় থানার ওসি তাকে বলেন, জিডি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের জন্য আপনাকে থানায় ডাকা হয়েছে, মিমাংসার জন্য না।
জানা গেছে, হিরো আলম ও তার সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী নুসরাত জাহান জিমুকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক এমদাদুল। গত ২৭ জুলাই ওই সাংবাদিককে মুঠোফোনে হুমকি দেন হিরো আলম। হুমকির একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ৩০ জুলাই নন্দীগ্রাম থানায় জিডি করেন সাংবাদিক।
থানায় এসে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকরা যা ইচ্ছে তাই করবে নাকি? আমার মন্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছে। বকাবকি করে কি অন্যায় করেছি? আমার ফোন নম্বর ফেসবুকে দিয়ে সাংবাদিকরা কি অপরাধ করেনি?
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, মিমাংসা করতে ডাকা হয়নি। সাংবাদিকের জিডির বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে হিরো আলমকে থানায় ডেকেছি।
জিডির বাদী সাংবাদিক এমদাদুল হক বলেন, আমি জিডি করেছি, যা হবার আদালতে হবে।
Tag :

নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক কে হুমকি দিয়ে বিপাকে অভিনেতা হিরো আলম।

আপডেট টাইম : ০৫:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২
কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টারঃ  বগুড়ায় এক সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বিপাকে পড়ে থানায় হাজিরা দিতে এসে হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দিলেন আলোচিত ও সমালোচিত আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম। তিনি জেলার নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন। জিডির তদন্তের স্বার্থে তাকে থানায় ডাকা হয়। এসময় হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দেন তিনি।
সংবাদ প্রকাশের জেরধরে স্থানীয় সংবাদকর্মী এমদাদুল হককে হুমকির ঘটনায় জিডির তদন্তের স্বার্থে বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে থানায় হাজির হন হিরো আলম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম দয়া, থানার উপ-পরিদর্শক বিকাশ চক্রবর্ত্তী, জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল আহাদ সহ কয়েকজন ব্যক্তি।
সকলের উপস্থিতিতে জিডির বিষয়ে মিমাংসার প্রস্তাব দেন হিরো আলম। এসময় থানার ওসি তাকে বলেন, জিডি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের জন্য আপনাকে থানায় ডাকা হয়েছে, মিমাংসার জন্য না।
জানা গেছে, হিরো আলম ও তার সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী নুসরাত জাহান জিমুকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক এমদাদুল। গত ২৭ জুলাই ওই সাংবাদিককে মুঠোফোনে হুমকি দেন হিরো আলম। হুমকির একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ৩০ জুলাই নন্দীগ্রাম থানায় জিডি করেন সাংবাদিক।
থানায় এসে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকরা যা ইচ্ছে তাই করবে নাকি? আমার মন্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছে। বকাবকি করে কি অন্যায় করেছি? আমার ফোন নম্বর ফেসবুকে দিয়ে সাংবাদিকরা কি অপরাধ করেনি?
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, মিমাংসা করতে ডাকা হয়নি। সাংবাদিকের জিডির বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে হিরো আলমকে থানায় ডেকেছি।
জিডির বাদী সাংবাদিক এমদাদুল হক বলেন, আমি জিডি করেছি, যা হবার আদালতে হবে।