ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
লালপুরে সিমেন্টের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় কৃষকের প্রতিবাদ, নির্মম পিটুনিতে ৬ দিন পর মৃত্যু” বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত সু-প্রিয় সহকর্মী, আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। ঈদ মোবারক। শুরু হয়েছে কম বেশি কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত দৌলতপুরে ‘গ্যারেজের আড়ালে’ মাদকের সাম্রাজ্য: স্বপন মেকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, পুলিশের যোগসাজশের দাবি স্থানীয়দের ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ লালপুরে মোটরসাইকেলের তেল না পেয়ে পেট্রোল পাম্প ঘেরাও, বিক্ষিপ্ত জনতা সিলেটে অবশেষে জমে ওঠেছে ঈদের বাজার পুঠিয়ায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অভিযান তানোরে সমাজের সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ইসলামপুরে ব্যস্ততম ত্রিমুখী সড়ক কলেজ মোড়ে প্রতিদিনই দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণহীন যান চলাচলে বাড়ছে ঝুকি

ইসলামপুরে ব্যস্ততম ত্রিমুখী সড়ক কলেজ মোড়ে প্রতিদিনই দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণহীন যান চলাচলে বাড়ছে ঝুকি; শিক্ষার্থী ও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি বিপদে: গোলচত্তর নির্মানের জোর দাবি


শফিকুর রহমান শিবলীঃ জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ব্যস্ততম এলাকা কলেজ মোড়। জামালপুর -দেওয়ানগঞ্জ মেইন সড়কের এই মোড় থেকে আরেকটি সড়ক গুঠাইল নৌ বন্দরের দিকে গিয়েছে। ফলে ত্রিমুখী সড়কের সংযোগস্থল কলেজ মোড়। এই মোড়ে যানবাহনের চাপ অনেক বেশী হলেও মোড়ে নেই কোনো সিগন্যাল ব্যাবস্থা,নেই স্পিড ব্রেকার বা ট্রাফিক চিহ্ন। ফলে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট- বড় দূর্ঘটনা– বাড়ছে জনদূর্ভোগ ও আশঙ্কা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিন দিক থেকেই বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দ্রুতগতিতে মোড়ে এসে একে অপরের মুখোমুখি হয়।বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যাওয়ার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠে। অভিভাবকদের আতঙ্কের শেষ থাকে না।

স্থানীয় চিশতিয়া ফার্মেসীর মালিক শরীফুল ইসলাম লেবু জানান, ” মোড়টি এত ব্যস্ত যে প্রতি দিনই কোনো না কোনো দূর্ঘটনা ঘটে।রিকশা,অটোরিকশা, মোটরসাইকেল – সব যানই দ্রুতগতিতে আসে। ফলে এখানে সবসময় যানজট লেগে থাকে।” সাওম ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী লান্জু জানান,” একই এলাকায় স্কুল এবং কলেজ থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপদে থাকে শিক্ষার্থীরা। ক্লাস ও পরীক্ষা শুরুর সময় প্রতিদিনই কোনো না কোনো শিক্ষার্থী দূর্ঘটনার শিকার হয়। কখনো কখনো বাঁধে বাকবিতন্ডা”।

পথচারী আব্দুল করিম জানান,” আজ সকালেও একটি অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একজন শিক্ষার্থী ও তার মাকে ধাক্কা দেয়। তারা গুরুতর আহত হয়েছেন।প্রায় প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটছে। সরকারী ইসলামপুর কলেজের শিক্ষক মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, ” এই মোড়টি ইসলামপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তিন দিক থেকে রাস্তা এসে এক জায়গায় মিলিত হয়েছে। কিন্তু কোনো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় দূর্ঘটনা বাড়ছেই। এখানে একটি গোলচত্তর নির্মান করা হলে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রিত থাকবে এবং দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে।” স্থানীয় এক দোকানদার জানান” অনেক চালক মোড়ে এসে হঠাৎ ব্রেক করে। এতে সামনে থাকা গাড়ী বা পথচারীদের ধাক্কা লাগা খুবই স্বাভাবিক। ছোটোখাটো ধাক্কাধাক্কি তো নিয়মিতই ঘটে।” এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে গোলচত্তর ও স্পিডব্রেকার নির্মান করা হোক। স্থানীয়রা আরও বলেন ” এত গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যদি সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়,তাহলে ইসলামপুরে যান চলাচল আরও শৃঙ্খলিত হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালপুরে সিমেন্টের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় কৃষকের প্রতিবাদ, নির্মম পিটুনিতে ৬ দিন পর মৃত্যু”

ইসলামপুরে ব্যস্ততম ত্রিমুখী সড়ক কলেজ মোড়ে প্রতিদিনই দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণহীন যান চলাচলে বাড়ছে ঝুকি

আপডেট টাইম : ০৩:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ইসলামপুরে ব্যস্ততম ত্রিমুখী সড়ক কলেজ মোড়ে প্রতিদিনই দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণহীন যান চলাচলে বাড়ছে ঝুকি; শিক্ষার্থী ও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি বিপদে: গোলচত্তর নির্মানের জোর দাবি


শফিকুর রহমান শিবলীঃ জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ব্যস্ততম এলাকা কলেজ মোড়। জামালপুর -দেওয়ানগঞ্জ মেইন সড়কের এই মোড় থেকে আরেকটি সড়ক গুঠাইল নৌ বন্দরের দিকে গিয়েছে। ফলে ত্রিমুখী সড়কের সংযোগস্থল কলেজ মোড়। এই মোড়ে যানবাহনের চাপ অনেক বেশী হলেও মোড়ে নেই কোনো সিগন্যাল ব্যাবস্থা,নেই স্পিড ব্রেকার বা ট্রাফিক চিহ্ন। ফলে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট- বড় দূর্ঘটনা– বাড়ছে জনদূর্ভোগ ও আশঙ্কা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিন দিক থেকেই বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দ্রুতগতিতে মোড়ে এসে একে অপরের মুখোমুখি হয়।বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যাওয়ার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠে। অভিভাবকদের আতঙ্কের শেষ থাকে না।

স্থানীয় চিশতিয়া ফার্মেসীর মালিক শরীফুল ইসলাম লেবু জানান, ” মোড়টি এত ব্যস্ত যে প্রতি দিনই কোনো না কোনো দূর্ঘটনা ঘটে।রিকশা,অটোরিকশা, মোটরসাইকেল – সব যানই দ্রুতগতিতে আসে। ফলে এখানে সবসময় যানজট লেগে থাকে।” সাওম ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী লান্জু জানান,” একই এলাকায় স্কুল এবং কলেজ থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপদে থাকে শিক্ষার্থীরা। ক্লাস ও পরীক্ষা শুরুর সময় প্রতিদিনই কোনো না কোনো শিক্ষার্থী দূর্ঘটনার শিকার হয়। কখনো কখনো বাঁধে বাকবিতন্ডা”।

পথচারী আব্দুল করিম জানান,” আজ সকালেও একটি অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একজন শিক্ষার্থী ও তার মাকে ধাক্কা দেয়। তারা গুরুতর আহত হয়েছেন।প্রায় প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটছে। সরকারী ইসলামপুর কলেজের শিক্ষক মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, ” এই মোড়টি ইসলামপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তিন দিক থেকে রাস্তা এসে এক জায়গায় মিলিত হয়েছে। কিন্তু কোনো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় দূর্ঘটনা বাড়ছেই। এখানে একটি গোলচত্তর নির্মান করা হলে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রিত থাকবে এবং দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে।” স্থানীয় এক দোকানদার জানান” অনেক চালক মোড়ে এসে হঠাৎ ব্রেক করে। এতে সামনে থাকা গাড়ী বা পথচারীদের ধাক্কা লাগা খুবই স্বাভাবিক। ছোটোখাটো ধাক্কাধাক্কি তো নিয়মিতই ঘটে।” এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে গোলচত্তর ও স্পিডব্রেকার নির্মান করা হোক। স্থানীয়রা আরও বলেন ” এত গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যদি সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়,তাহলে ইসলামপুরে যান চলাচল আরও শৃঙ্খলিত হবে।