ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

তানোরে প্রবেশপত্র আটকে টাকা আদায়

তানোরে প্রবেশপত্র আটকে টাকা আদায়

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (১৯এপ্রিল) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে স্কুল চত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
জানা যায়, উপজেলার কলমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর নিয়মিত  মোট ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার্থী
হাসিবুল ইসলাম বলেন,ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা,কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা ও প্রবেশপত্র নিতে ৪০০ টাকা নেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন বলেন, ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা ও কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা নেয়া হয়েছে।কিন্ত্ত প্রবেশপত্র নিতে আরো ৫০০ টাকা চেয়েছে,না দেয়ায় তাকে প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি।মিনহাজুল ইসলাম বলেন,গতকাল রবিবার সকালে প্রবেশপত্র আনার জন্য স্কুলে যাই। আমাদের সহকারী শিক্ষক স্যার এ সময় ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় আমার প্রবেশপত্র আটক করে রাখেন। তিনি আরও বলেন, ৫০০ টাকা না দিলে কাউকে এবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না। আমার পিতা একজন কৃষক মানুষ। এর আগে অনেক কষ্ট করে ৭ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ এবং
কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা দিয়েছেন।এখন ৫০০ টাকা দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই খালি হাতে চলে আসছি। পরীক্ষা দিতে পারবো কি না এটা ভেবে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
এবিষয়ে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ,ন,ম মোফাখখারুল বলেন,প্রবেশপত্র দিতে টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নাই। তিনি বলেন,কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, কোথায় কত ফি নিতে হবে তা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত। বোর্ডের নির্দেশনার বাইরে কোনো ফি নেওয়ার সুযোগ নেই। পরীক্ষার খরচ, কেন্দ্র ফি বোর্ড যা নির্ধারণ করে দেবে এর বাইরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
এবিষয়ে কলমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বলেন,কোচিং ক্লাসের টাকা অভিভাবকগণের সঙ্গে আলোচনা করে নেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কোচিং ক্লাসের এক হাজার টাকা ও প্রবেশপত্র বাবদ নেয়া টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে স্কুলের সাবেক সভাপতি মানিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।
Tag :

সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ।

তানোরে প্রবেশপত্র আটকে টাকা আদায়

আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

তানোরে প্রবেশপত্র আটকে টাকা আদায়

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (১৯এপ্রিল) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে স্কুল চত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
জানা যায়, উপজেলার কলমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর নিয়মিত  মোট ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার্থী
হাসিবুল ইসলাম বলেন,ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা,কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা ও প্রবেশপত্র নিতে ৪০০ টাকা নেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন বলেন, ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা ও কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা নেয়া হয়েছে।কিন্ত্ত প্রবেশপত্র নিতে আরো ৫০০ টাকা চেয়েছে,না দেয়ায় তাকে প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি।মিনহাজুল ইসলাম বলেন,গতকাল রবিবার সকালে প্রবেশপত্র আনার জন্য স্কুলে যাই। আমাদের সহকারী শিক্ষক স্যার এ সময় ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় আমার প্রবেশপত্র আটক করে রাখেন। তিনি আরও বলেন, ৫০০ টাকা না দিলে কাউকে এবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না। আমার পিতা একজন কৃষক মানুষ। এর আগে অনেক কষ্ট করে ৭ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ এবং
কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা দিয়েছেন।এখন ৫০০ টাকা দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই খালি হাতে চলে আসছি। পরীক্ষা দিতে পারবো কি না এটা ভেবে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
এবিষয়ে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ,ন,ম মোফাখখারুল বলেন,প্রবেশপত্র দিতে টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নাই। তিনি বলেন,কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, কোথায় কত ফি নিতে হবে তা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত। বোর্ডের নির্দেশনার বাইরে কোনো ফি নেওয়ার সুযোগ নেই। পরীক্ষার খরচ, কেন্দ্র ফি বোর্ড যা নির্ধারণ করে দেবে এর বাইরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
এবিষয়ে কলমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বলেন,কোচিং ক্লাসের টাকা অভিভাবকগণের সঙ্গে আলোচনা করে নেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কোচিং ক্লাসের এক হাজার টাকা ও প্রবেশপত্র বাবদ নেয়া টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে স্কুলের সাবেক সভাপতি মানিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।