ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক উদ্ধার; আটক ১

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক উদ্ধার; আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া 

সোমবার ২৭ এপ্রিল  কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে পরিচালিত পৃথক অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটকসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান সামগ্রী উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সূত্র জানায়, সোমবার ভোররাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দৌলতপুর উপজেলার ছলিম পাড়া এলাকায় অভিযান চালায় চিলমারী বিওপির একটি টহল দল। এ সময় মো. মঙ্গল মোল্লা (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, দুটি হাতবোমা, একটি দেশীয় অস্ত্র (হাসুয়া) এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, একই দিন ভোরে পশ্চিম ধর্মদাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫ বোতল ভারতীয় মদ, ৭৪০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৬০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা।

অপর এক অভিযানে কাজীপুর সীমান্ত এলাকায় ৬ কেজি ভারতীয় জিরা উদ্ধার করে বিজিবি সদস্যরা, যার মূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা।
এর আগে, ২৬ এপ্রিল দুপুরে রংমহল বিওপির সদস্যরা কাজীপাড়া পাকরতলা মোড় এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৪৫ কেজি ভারতীয় ডিএপি সার জব্দ করে। যার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার ৬৮০ টাকা।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং “জিরো টলারেন্স” নীতির আওতায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, নিয়মিত টহল জোরদার এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক উদ্ধার; আটক ১

আপডেট টাইম : ০৪:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক উদ্ধার; আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া 

সোমবার ২৭ এপ্রিল  কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে পরিচালিত পৃথক অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটকসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান সামগ্রী উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সূত্র জানায়, সোমবার ভোররাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দৌলতপুর উপজেলার ছলিম পাড়া এলাকায় অভিযান চালায় চিলমারী বিওপির একটি টহল দল। এ সময় মো. মঙ্গল মোল্লা (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, দুটি হাতবোমা, একটি দেশীয় অস্ত্র (হাসুয়া) এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, একই দিন ভোরে পশ্চিম ধর্মদাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫ বোতল ভারতীয় মদ, ৭৪০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৬০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা।

অপর এক অভিযানে কাজীপুর সীমান্ত এলাকায় ৬ কেজি ভারতীয় জিরা উদ্ধার করে বিজিবি সদস্যরা, যার মূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা।
এর আগে, ২৬ এপ্রিল দুপুরে রংমহল বিওপির সদস্যরা কাজীপাড়া পাকরতলা মোড় এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৪৫ কেজি ভারতীয় ডিএপি সার জব্দ করে। যার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার ৬৮০ টাকা।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং “জিরো টলারেন্স” নীতির আওতায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, নিয়মিত টহল জোরদার এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।