ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
তানোরে পরোকিয়া করতে গিয়ে পালিয়ে রক্ষা হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাইয়ের পর হ্যান্ডকাপ ফেরত পেলেও গ্রেফতার হয়নি আসামি বিএনপির সদস্যসচিবের স্থায়ী বহিস্কার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাসান মামুনকে পূর্নবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, গৌরনদীতে সাংবাদিকতা নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য: “ভুলের কারণে পেশা প্রশ্নবিদ্ধ” নাসিরনগরে সাংসদ এম এ হান্নানকে এম পিকে গণ নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান ভেড়ামারায় অস্ত্র গুলি সহ ৩ আন্ত- জেলা ডাকাত গ্রেফতার পণ্য কিনে ফ্রিজসহ একাধিক উপহার পেয়ে খুশি ক্রেতারা রাজশাহীর পবায় পুলিশের কাছ থেকে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাই তানোরে শিব নদী পাড়ে বিনোদন পিপাসু মানুষের ভিড় গোলাপগঞ্জের প্রথম সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান মারা গেছেন, বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে পরোকিয়া করতে গিয়ে পালিয়ে রক্ষা

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

আপডেট টাইম : ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।