ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৩ জেলের কারাদণ্ড, শিশুকে মুচলেকায় মুক্তি দৌলতপুরে স্বপন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ছাতারপাড়াতে প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় ম্যাচ অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ তরুণ নিহত, আহত ২ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টাকালে গণধোলাইয়ের শিকার ২ জন, পুলিশের কাছে হস্তান্তর ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার, দুজনের এক বছর করে কারাদণ্ড ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন যুবলীগের মিছিল থেকে, আটক- ৮ মোহনপুর উপজেলার লালইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্মৃতির পাতায় শতবর্ষ আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৮টি লক্ষণ

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৩ জেলের কারাদণ্ড, শিশুকে মুচলেকায় মুক্তি

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

আপডেট টাইম : ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।