1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:১০ অপরাহ্ন

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন  নাগরপুর দেলদুয়ারের প্রাণের স্পন্দন জননেতা তারেক শামস খান হিমু।

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২
কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার  :  আগস্ট মাস বাঙালি ও বাঙালি জাতিসত্তার মাঝে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আগস্ট মাসের ১৫ তারিখ কিছু বিপথগামী বাংলার সেনা সদস্য ও বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিবিদের ক্ষমতা দখলের লালসার কারণে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সহপরিবারে ধানমন্ডির ৩২নম্বর বাড়িতে মর্মান্তিকভাবে হত‍্যা করা হয়। এইজন্য এই আগস্ট মাস বাঙালি জাতির জন্য একটি কলঙ্কিত অধ্যায়।
তাই আগস্টের ১ তারিখে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নাগরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ   গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা  আয়োজন করেছিল।
উক্ত পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বীরদর্পে অবস্থান করেন নাগরপুর দেলদুয়ারের প্রাণের স্পন্দন, একমাত্র কর্মীবান্ধব নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির বিপ্লবী সংগ্রামী সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য, নাগরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, এক সময় রাজপথ কাঁপানো তুখোর সাবেক ছাত্রনেতা, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পর নাগরপুর দেলদুয়ারের মানুষের একমাত্র প্রানের দাবি ধলেশ্বরী সেতু বাস্তবায়ন কমিটির সাবেক আহ্বায়ক, নাগরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের অন্যতম পথপ্রদর্শক তারেক শামস খান্ হিমু।
পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার শেষে জননেতা তারেক শামস খান হিমুর সাথে গণমাধ্যমের সংক্ষিপ্ত কথা হয়।  তিনি গণমাধ্যমকে জানান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সকলের শ্রদ্ধার এবং ভালোবাসার জায়গা। তার একক বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে পেরেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদেরই বাংলাদেশের কিছু বিপদগামী সেনা সদস্য ও রাজনীতিবিদদের কারণে তাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালের ১৫আগস্টে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক, বেদনাদায়ক ও বাংলার ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায়। যদিও পরবর্তীতে তাঁর সুযোগ্য তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলার মাটিতে হয়েছে। আমরা সকলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার জন্য এই টুঙ্গীপাড়ার সমাধি সৌধে এসেছিলাম।
 আমি  সত্যিকার অর্থেই আমার পক্ষ হতে আজকের এই পুষ্পস্তবক ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আর এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে আহ্বান জানাই।
সকলকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ