ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শরীফ উদ্দিন রিমনকে আটক করেছে পুলিশ রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক সাইদুর রহমান আর নেই নওগাঁয় বৈদ্যুতিক পোল অপসারণ না করার কারণে থমকে আছে আঞ্চলিক সড়কের উন্নয়ন কাজ ঘোড়াঘাটে ৩২ বছরের পুরোনো এক্স-রে মেশিনে চলছে চিকিৎসাসেবা, রোগীদের চরম ভোগান্তি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত)-এর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন (১৯) আত্মহত্যা করেছেন। ভেড়ামারায় তরুণীকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, সাবেক স্বামী আটক টাঙ্গাইলে মরহুম ফরিদ সিকদার সৃতি ফুটবল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ আয়োজিত বিশেষ অভিযানে ২ মামলার আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে পাঠাল পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ নাগরপুরে ১২০ পিচ ইয়াবা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার তানোর-রাজশাহী সড়ক যেন মৃত্যুপুরী; কনক্রিট রাস্তার ফাটল ধরায় বন্ধ রয়েছে নির্মান কাজ

থালা হাতে রাস্তায় রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : “ভাত দে, না হয় দোকান খুলে দে, ভাত দে, না হয় বিষ দে। এই দ্বিমুখি লকডাউন মানিনা মানব না। এই স্লোগান নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত দোকান খোলার দাবীতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে রাজশাহী সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেটের সামনের রাস্তায় থালা হাতে বসে বিক্ষোভ করেন সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেটের শত শত ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

এ সময়ে তারা ভাত দে, না হয় দোকান খুলে দে, ভাত দে না হয় বিষ দে বলে স্লোগান দিতে থাকেন। ব্যবসাযী নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জনগণকে বাঁচানোর জন্য লকডাউন দিয়েছেন। কিন্তু দ্বৈতনীতী অনুসরন করে লকডাউন চলতে পারে না। নিত্যপন্য দ্রব্যের দোকান, কাঁচা বাজার, রিক্সা, ভ্যান, ফুটপাতের অনেক দোকান, শিল্প কলকারখানা খোলা রয়েছে।

এছাড়াও খোলা রয়েছে টিসিবি এর পন্য বিক্রয় এবং গ্রাম এলাকার সকল বাজার, গরুর হাট ও পাড়া মহল্লার সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেখানে স্বাস্থ্য বিধির কোন বালাই নাই। তারা যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা করতে পারে, তাহলে বাজারে ব্যবসায়ীদের অপরাধ কোথায়। তারাও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খুলে ব্যবসা করতে চান বলে জানান।

আগামী শনিবার থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যে কোন মূল্যে খুলবেন বলে বিক্ষোভ থেকে তারা এই হুঁশিয়ারী দেন। তারা বলেন, দেড় বছর থেকে তারা এই বিপদের মধ্যে রয়েছেন। রোজার ঈদে সামান্য সুযোগ পেলেও ঈদের পর থেকে আবারও লকডাউনে রাজশাহী সাহেব বাজারসহ নগরীর বিভিন্ন প্রধান প্রধান মার্কেট বন্ধ রয়েছে। এতে করে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে।

অনেক ব্যবসায়ী ও কর্মচারী না খেয়ে দিনাদিপাত করছেন। ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এছাড়াও এনজিও কিস্তির অত্যাচারে বাড়িতে বসতে পারছেন না। এই অবস্থা আর কিছুদিন চললে আত্মহত্যা ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

এই অবস্থা থেকে তাদের বাঁচতে শনিবার থেকে দোকান খোলার অনুমতি দেয়ার জন্যও সরকার তথা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দাবী জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। সেইসাথে দোকান খোলাসহ সাত দফা দাবী নিয়ে বুধবার রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে একটি স্মারকলিপি দেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মাহমুদ হাসান, রাজশাহী বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অশোক কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শামীম আহম্মেদ, রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আলী, মাসুদুর রহমান সজন, সদস্য পলাশ, পাদুকা ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মিলন, সাধারণ সম্পাদক রিপন, ক্রোকারিজ সমিতির সভাপতি আবু জামান তাপস ও সাধারণ সম্পাদক আশাসহ ঐক্য পরিষদের অন্যান্য সদস্য এবং ব্যবসায়ী ও কর্মচারীবৃন্দ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শরীফ উদ্দিন রিমনকে আটক করেছে পুলিশ

থালা হাতে রাস্তায় রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

আপডেট টাইম : ০৪:৪৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক : “ভাত দে, না হয় দোকান খুলে দে, ভাত দে, না হয় বিষ দে। এই দ্বিমুখি লকডাউন মানিনা মানব না। এই স্লোগান নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত দোকান খোলার দাবীতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে রাজশাহী সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেটের সামনের রাস্তায় থালা হাতে বসে বিক্ষোভ করেন সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেটের শত শত ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

এ সময়ে তারা ভাত দে, না হয় দোকান খুলে দে, ভাত দে না হয় বিষ দে বলে স্লোগান দিতে থাকেন। ব্যবসাযী নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জনগণকে বাঁচানোর জন্য লকডাউন দিয়েছেন। কিন্তু দ্বৈতনীতী অনুসরন করে লকডাউন চলতে পারে না। নিত্যপন্য দ্রব্যের দোকান, কাঁচা বাজার, রিক্সা, ভ্যান, ফুটপাতের অনেক দোকান, শিল্প কলকারখানা খোলা রয়েছে।

এছাড়াও খোলা রয়েছে টিসিবি এর পন্য বিক্রয় এবং গ্রাম এলাকার সকল বাজার, গরুর হাট ও পাড়া মহল্লার সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেখানে স্বাস্থ্য বিধির কোন বালাই নাই। তারা যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা করতে পারে, তাহলে বাজারে ব্যবসায়ীদের অপরাধ কোথায়। তারাও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খুলে ব্যবসা করতে চান বলে জানান।

আগামী শনিবার থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যে কোন মূল্যে খুলবেন বলে বিক্ষোভ থেকে তারা এই হুঁশিয়ারী দেন। তারা বলেন, দেড় বছর থেকে তারা এই বিপদের মধ্যে রয়েছেন। রোজার ঈদে সামান্য সুযোগ পেলেও ঈদের পর থেকে আবারও লকডাউনে রাজশাহী সাহেব বাজারসহ নগরীর বিভিন্ন প্রধান প্রধান মার্কেট বন্ধ রয়েছে। এতে করে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে।

অনেক ব্যবসায়ী ও কর্মচারী না খেয়ে দিনাদিপাত করছেন। ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এছাড়াও এনজিও কিস্তির অত্যাচারে বাড়িতে বসতে পারছেন না। এই অবস্থা আর কিছুদিন চললে আত্মহত্যা ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

এই অবস্থা থেকে তাদের বাঁচতে শনিবার থেকে দোকান খোলার অনুমতি দেয়ার জন্যও সরকার তথা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দাবী জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। সেইসাথে দোকান খোলাসহ সাত দফা দাবী নিয়ে বুধবার রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে একটি স্মারকলিপি দেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মাহমুদ হাসান, রাজশাহী বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অশোক কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শামীম আহম্মেদ, রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আলী, মাসুদুর রহমান সজন, সদস্য পলাশ, পাদুকা ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মিলন, সাধারণ সম্পাদক রিপন, ক্রোকারিজ সমিতির সভাপতি আবু জামান তাপস ও সাধারণ সম্পাদক আশাসহ ঐক্য পরিষদের অন্যান্য সদস্য এবং ব্যবসায়ী ও কর্মচারীবৃন্দ।