দৌলতপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে যুবক খুন , অপর বন্ধু আহত

161

দৌলতপুর প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গাছেরদিয়াড় গ্রামে গতকাল পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গোলাম মোস্তফার ছেলে রাশিদুল (৩০) খুঁন হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, ১১ আগষ্ট ঈদউল আযহার আগের রাতে একই গ্রামের খোকন ও টোকনের সাথে রাশিদুল ও বাহাদুর অরূফে মসুন (২৬) পিতা বরকত আলি এর সাথে মারামারি হয়। এতে ঘটনাস্থলে খোকনের মাথায় আঘাত লেগে ৩ জায়গায় ফেঁটে যায়।

এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় রাশিদুল, বাহাদুরসহ আরও কয়েকজনকে আসামী করে খোকনের পিতা সাইফুল বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করে। এজাহারটি এসআই প্রকাশের কাছে তদন্তাধীন রয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় উভয় পরিবারের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করে আসছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাছেরদিয়াড় ঈদগাহ মাঠে বীর মুক্তি যোদ্ধা মতিউর রহমানের মেহগিনি বাগানের কাছে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা খোকন, টোকনসহ একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ রাশিদুল ও বাহাদুরের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

এতে রাশিদুল ও বাহাদুর মারাত্বক আহত হয়, আহত রাশিদুলকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আহত বাহাদুরকে দৌলতপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জানাগেছে সোনায়কুন্ডি ফুটবল খেলা দেখে রাশেদুল ও বাহাদুর বেলা থাকতে বাড়ী ফিরতে চাইলেও সাথে থাকা বন্ধুরা বিভিন্ন অজুহাতে সন্ধ্যা হলে সোনাইকুন্ডি থেকে ফুটবল খেলা দেখে তাদের নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে, সাথের বন্ধুরা এ খুনের নৈপথ্যে রয়েছে বলে এলাকা বাসীর ধারনা। নিহতের পরিবার জানায়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত রাশিদুলের সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িতদের চিনতে পেরেছে এবং নাম বলে গেছে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এলাকাবাসী জানায়, আহত খোকনের দায়েরকৃত মামলাটি যথাসময়ে গ্রহন করে আসামীদের গ্রেফতার করলে আজ হয়তো এই হত্যাকান্ড ঘটতো না, এর জন্য পুলিশের নীরব ভ’মিকা অনেকাংশে দায়ী।