ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গোলাম মোস্তাফা মামুনের শুভেচ্ছা দৌলতপুরে আড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের মতবিনিময় সভা ফেভারিট পবাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে মোহনপুর, রায়হানকে কাঁধে নিয়ে চ্যাম্পিয়নের উল্লাস মান্দায় ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই এর অভিযোগে ৩ প্রতারক আটক সিলেট জুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং লাগামহীন, অতিষ্ঠ জনজীবন ভেড়ামারায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ধরমপুরে জমকালো আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টে চারঘাটের আক্রমণ ঠেকিয়ে পুঠিয়ার জয় কুষ্টিয়ায় এডুকেয়ারে স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন, চারা বিতরণ

বিলগাথুয়ার বক্করকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়েছিলো কারা

আব্দুল আলীম সাচ্চু: দৌলতপুরের বিলগাথুয়া গ্রামের আবু বক্কর এর স্ত্রী মধুবালা (৩০) এর মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক গোপন কথা। কি ভাবে বোমা বিস্ফারণ হলো বা কোথা থেকে আসলো এই বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম। আবু বক্কর এর স্ত্রী মধুবালা গতকাল বৃহস্পতিবার বাণীবদ্ধ জবানবন্দিতে জানান বিস্তারিত।

বোমা বিস্ফোরণের ঠিক আগেরদিন সন্ধ্যার সময় বিলগাথুয়া গ্রামের ইসমাইল মেম্বার সহ মামুন, খনি,হেলাল, ও রানা মাষ্টার এই পাঁচ জন লোক বক্করের বাড়িতে আসে এবং একটি ব্যাগ দিয়ে যায় আবু বক্করের হাতে, আর সেই ব্যাগেই ছিলো বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম।

ঐ পাঁচ জন লোকের মুল উদ্দেশ্য ছিলো এলাকার কিছু লোককে বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়ে ফাঁসানোর। এবং তার জন্য আবু বক্করকে দেওয়ার কথা ছিলো মোটা অংকের টাকা।কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি।

আবু বক্কর এর স্ত্রী মধুবালা আরো জানান, বিধির কি নির্মম পরিহাস পরের দিন ওই ব্যাগ খোলার সাথে সাথে বোমা বিস্ফারণ হয় এবং ঘটনাস্থলেই আমার স্বামী আবু বক্কর এর দেহ পুড়ে যায় এবং মর্মান্তিক ভাবে আহত হয়।

আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪/০৮/২১তারিখে আমার স্বামী আবু বক্কর মারা যায় কিন্তু যারা বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়ে গেল তারা তো দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদের আশেপাশে।

এখন আমার চাওয়া আমার স্বামীর হাতে যারা এই বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিল তাদেরকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে সাজা প্রদান করা হোক যেন এমন নোংরা খেলা আর কেউ করতে না পারে।

উল্লেখ্য থাকে যে, গতো ১৯ আগষ্ট দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন বিলগাথুয়া গ্রামে বোমা বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে এসময় আবু বক্কর (৩৫) গুরুতরভাবে আহত হয় । সেসময় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু বক্করকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় আবু বক্কর মারা যায়।

এদিকে আবু বক্করের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিক।তারা জানান, বোমা বিষ্ফোরণে আহত আবু বক্কর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাগরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত

বিলগাথুয়ার বক্করকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়েছিলো কারা

আপডেট টাইম : ০৮:৫৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

আব্দুল আলীম সাচ্চু: দৌলতপুরের বিলগাথুয়া গ্রামের আবু বক্কর এর স্ত্রী মধুবালা (৩০) এর মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক গোপন কথা। কি ভাবে বোমা বিস্ফারণ হলো বা কোথা থেকে আসলো এই বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম। আবু বক্কর এর স্ত্রী মধুবালা গতকাল বৃহস্পতিবার বাণীবদ্ধ জবানবন্দিতে জানান বিস্তারিত।

বোমা বিস্ফোরণের ঠিক আগেরদিন সন্ধ্যার সময় বিলগাথুয়া গ্রামের ইসমাইল মেম্বার সহ মামুন, খনি,হেলাল, ও রানা মাষ্টার এই পাঁচ জন লোক বক্করের বাড়িতে আসে এবং একটি ব্যাগ দিয়ে যায় আবু বক্করের হাতে, আর সেই ব্যাগেই ছিলো বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম।

ঐ পাঁচ জন লোকের মুল উদ্দেশ্য ছিলো এলাকার কিছু লোককে বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়ে ফাঁসানোর। এবং তার জন্য আবু বক্করকে দেওয়ার কথা ছিলো মোটা অংকের টাকা।কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি।

আবু বক্কর এর স্ত্রী মধুবালা আরো জানান, বিধির কি নির্মম পরিহাস পরের দিন ওই ব্যাগ খোলার সাথে সাথে বোমা বিস্ফারণ হয় এবং ঘটনাস্থলেই আমার স্বামী আবু বক্কর এর দেহ পুড়ে যায় এবং মর্মান্তিক ভাবে আহত হয়।

আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪/০৮/২১তারিখে আমার স্বামী আবু বক্কর মারা যায় কিন্তু যারা বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়ে গেল তারা তো দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদের আশেপাশে।

এখন আমার চাওয়া আমার স্বামীর হাতে যারা এই বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিল তাদেরকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে সাজা প্রদান করা হোক যেন এমন নোংরা খেলা আর কেউ করতে না পারে।

উল্লেখ্য থাকে যে, গতো ১৯ আগষ্ট দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন বিলগাথুয়া গ্রামে বোমা বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে এসময় আবু বক্কর (৩৫) গুরুতরভাবে আহত হয় । সেসময় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু বক্করকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় আবু বক্কর মারা যায়।

এদিকে আবু বক্করের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিক।তারা জানান, বোমা বিষ্ফোরণে আহত আবু বক্কর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে।