ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

কুষ্টিয়া সীমান্তের নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো বিজিবি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ফরিদ আহমেদ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী উদয় নগর বিওপি এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৭ বিজিবি)’র উদ্যোগে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এর উদ্যোগ গ্রহণ হয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ দৌলতপুর উপজেলার উদয়নগর বিওপি পরিদর্শন করেন দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ুন কবীর।
পরিদর্শনকালে তিনি পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের ভয়াবহতা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় জনগণকে বিজিবির পক্ষ থেকে সাধ্যানুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করার আশ্বাস প্রদান করেন।

পরবর্তীতে তিনি নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতদরিদ্র ৪টি পরিবারের মাঝে ৬০হাজার টাকা এবং ২টি পরিবারের মাঝে ৪০ হাজার টাকা করে সর্বমোট এক লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। যা বিজিবির মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মারুফুল আবেদীন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানান, চলতি বছরের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডে মহাপরিচালক মো. আমিনুল হক ভূঁইয়ার কুষ্টিয়া সফরকালে বিজিবির পক্ষ থেকে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়। এ সাক্ষাতে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ আলোচনায় মহাপরিচালক দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস প্রদানের পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। যার অংশ হিসেবে নদী ভাঙনের হাত থেকে উদয়নগর বিওপি এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার অস্তিত্ব রক্ষায় ইতিমধ্যে ৩৭০ মিটার নদী তীরবর্তী অংশে ৫৩৩৫৭টি জিও ব্যাগ এবং ১৫৯১টি টিউব ব্যাগ ফেলা সম্পন্ন হয়েছে। আরও ১৭৩ মিটার অংশে জিও ব্যাগ এবং টিউব ফেলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

কুষ্টিয়া সীমান্তের নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো বিজিবি

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ফরিদ আহমেদ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী উদয় নগর বিওপি এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৭ বিজিবি)’র উদ্যোগে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এর উদ্যোগ গ্রহণ হয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ দৌলতপুর উপজেলার উদয়নগর বিওপি পরিদর্শন করেন দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ুন কবীর।
পরিদর্শনকালে তিনি পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের ভয়াবহতা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় জনগণকে বিজিবির পক্ষ থেকে সাধ্যানুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করার আশ্বাস প্রদান করেন।

পরবর্তীতে তিনি নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতদরিদ্র ৪টি পরিবারের মাঝে ৬০হাজার টাকা এবং ২টি পরিবারের মাঝে ৪০ হাজার টাকা করে সর্বমোট এক লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। যা বিজিবির মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মারুফুল আবেদীন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানান, চলতি বছরের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডে মহাপরিচালক মো. আমিনুল হক ভূঁইয়ার কুষ্টিয়া সফরকালে বিজিবির পক্ষ থেকে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়। এ সাক্ষাতে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ আলোচনায় মহাপরিচালক দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস প্রদানের পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। যার অংশ হিসেবে নদী ভাঙনের হাত থেকে উদয়নগর বিওপি এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার অস্তিত্ব রক্ষায় ইতিমধ্যে ৩৭০ মিটার নদী তীরবর্তী অংশে ৫৩৩৫৭টি জিও ব্যাগ এবং ১৫৯১টি টিউব ব্যাগ ফেলা সম্পন্ন হয়েছে। আরও ১৭৩ মিটার অংশে জিও ব্যাগ এবং টিউব ফেলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।