হোসেনপুরে জেঁকে বসেছে শীত, সূর্যের দেখা নেই
গিয়াস উদ্দিন হোসেনপুর(কিশোরগঞ্জ)সংবাদদাতাঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ভোর থেকেই কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় পুরো উপজেলা জুড়ে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। হঠাৎ করে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও পথচারীরা। বেলা ২ টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ঘন কুয়াশার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯৬ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা খেকে ১টার দিকে সূর্যের দেখা মিলতে পারে, ফলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কুয়াশা ও শীতের প্রভাব পুরোপুরি কাটতে আরও সময় লাগতে পারে।
সকালের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও সূর্যের কোনো দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় শহর ও গ্রামীণ সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। অফিসগামী ও শিক্ষার্থীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে।
শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ ও ছিন্নমূল পরিবারগুলো। অনেকেই শীত থেকে রক্ষা পেতে খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম রাখার চেষ্টা করছেন। আবার কেউ কেউ মোটা কাপড়, কম্বল কিংবা পুরনো পোশাক জড়িয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
রিকশাচালক ও দিনমজুররা জানান, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে সকাল থেকেই যাত্রী ও কাজের চাপ কম থাকায় আয়ও কমে গেছে। এতে করে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে। এ অবস্থায় বয়স্ক মানুষ, শিশু ও অসুস্থদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 






















