ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় মাদকসহ যুবক আটক, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা ঘোড়াঘাটে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, মোটরসাইকেল চালক আহত সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা কৃষকের প্রশ্ন,ফসল ফলিয়েও ন্যায্য মূল্য নেই; আর কত? ৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিজয়ী মির্জা ফখরুল ঘোড়াঘাটে দাম্পত্য কলহের বলি শিশু তাসপিয়া সৎ বাবা গ্রেপ্তার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে ভেড়ামারায় যুবক গ্রেফতার, থানায় মামলা নাগরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালিত কানিহাটি চা বাগানে কর্মবিরতি,পঞ্চায়েত কমিটি অপসারণের দাবি ভেড়ামারায় স্কাউটিং ও কাবিং কার্যক্রম গতিশীল করতে চার ইউনিট পরিদর্শন

দশমিনা উপজেলায় রাখালের ভাইকে বেঁধে মহিষ চুরি

দশমিনা উপজেলায় রাখালের ভাইকে বেঁধে মহিষ চুরি

মো.বেল্লাল হোসেন, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় রাখালের ভাইকে বেঁধে মহিষ চুরির ঘটনা ঘটে।
 মঙ্গলবার  রাত ১০ টায় উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চর ভুতুম এলাকায় মহিষ চুরির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চর ভুতম এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত বিভিন্ন লোকের প্রায় ৬০ টি মহিষ লালন পালন করে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে সবুজ। বুধবার সন্ধ্যায় সবুজ তার ছোট ভাই শিপনকে চর ভুতম রেখে বাড়িতে আসে। রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাত ১০- ১২ জন ট্রলার নিয়ে রাখাল সবুজ এর বাসার সামনে নামে। সেখানে গিয়ে শিপন এর হাত,  পা ও মুখ বেঁধে ঘরের খুটির সাথে বেঁধে রাখে এবং বেদম মারধর করে  পাতা বনে জবাই করার জন্য নিয়ে যায়। পরে  মহিষের খর থেকে ৬ টি বিভিন্ন বয়সের মহিষ তাদের ট্রলারে উঠিয়ে নিয়ে যায়। রাখালের ভাইকে হাত,পা ও মুখ বেঁধে নদীর পাড়ে পাতাবনের মধ্যে রেখে যায় । এ ঘটনায় রাখাল সবুজ রাত ১১ ঘটিকায় চর ভুতম নিজ ঘরে গিয়ে ছোট ভাইকে না দেখে অনেক খোজাখুজির পর পাতা বন থেকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে রাখালের ভাই শিপন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ এইচ এম আলভির চিকিৎসাধীন আছে।
মহিষের মালিক খলিলুর রহমান জানানা দশমিনা উপজেলায় বিভিন্ন চরাঞ্চলে মহিষ ও গরু চুরির ঘটনা নতুন না। এই চোরের একটি বড় সিন্ডিকেট আছে তারা আইনের ধরাছোঁয়ার বাহিরে। গত রাতে আমার ৬ টি মহিষ চুরি হয়েছে। রাখালের ভাইকে বেঁধে ৬ টি মহিষ নিয়ে যায়। রাখাল সবুজ আমাকে রাতেই জানায়। আমি দশমিনা থানা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। সকালে মহিষের বর্ননা দিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি।
 রাখাল সবুজের ভাই শিপন  জানান গত রাতে ভাইয়া আমাকে চরে রেখে দশমিনা আসে। রাত ১০ঘটিকার সময় অপরিচিত ১০-১২ জন ট্রাল নিয়ে আমাদের বাসার সামনে থামায় পরক্ষনে বাসায় ডুকে আমাকে মারধর করে হাত, পা ও মুখ বেঁধে নদীর ধারে পাতাবনের মধ্যে রেখে মহিষের পাল থেকে ৬ টি মহিষ নিয়ে যায়। আমার ভাই পাতাবন থেকে আমাকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রাখাল সবুজ  জানান আমার মহিষ সহ বিভিন্ন লোকদের ৬০ টি মহিষ চর ভুতম লালন পালন করি। বুধবার রাতে দশমিনা বাজার করতে আসি ছোট ভাইকে রেখে। আমার ভাইকে কে বা কাহারা পাতা বনের মধ্যে রেঁধে রেখে ৬ টি মহিষ নিয়ে যায়। রাতেই দশমিনা থানা পুলিশকে ঘটনার বিষয় জানাই। সকালে সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবদুল আলীম জানান বুধ বার রাতে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চর ভুতম এলাকা থেকে রাখালের ভাইকে বেঁধে ৬ টি মহিষ চুরির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় মাদকসহ যুবক আটক, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা

দশমিনা উপজেলায় রাখালের ভাইকে বেঁধে মহিষ চুরি

আপডেট টাইম : ০৭:০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

দশমিনা উপজেলায় রাখালের ভাইকে বেঁধে মহিষ চুরি

মো.বেল্লাল হোসেন, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় রাখালের ভাইকে বেঁধে মহিষ চুরির ঘটনা ঘটে।
 মঙ্গলবার  রাত ১০ টায় উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চর ভুতুম এলাকায় মহিষ চুরির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চর ভুতম এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত বিভিন্ন লোকের প্রায় ৬০ টি মহিষ লালন পালন করে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে সবুজ। বুধবার সন্ধ্যায় সবুজ তার ছোট ভাই শিপনকে চর ভুতম রেখে বাড়িতে আসে। রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাত ১০- ১২ জন ট্রলার নিয়ে রাখাল সবুজ এর বাসার সামনে নামে। সেখানে গিয়ে শিপন এর হাত,  পা ও মুখ বেঁধে ঘরের খুটির সাথে বেঁধে রাখে এবং বেদম মারধর করে  পাতা বনে জবাই করার জন্য নিয়ে যায়। পরে  মহিষের খর থেকে ৬ টি বিভিন্ন বয়সের মহিষ তাদের ট্রলারে উঠিয়ে নিয়ে যায়। রাখালের ভাইকে হাত,পা ও মুখ বেঁধে নদীর পাড়ে পাতাবনের মধ্যে রেখে যায় । এ ঘটনায় রাখাল সবুজ রাত ১১ ঘটিকায় চর ভুতম নিজ ঘরে গিয়ে ছোট ভাইকে না দেখে অনেক খোজাখুজির পর পাতা বন থেকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে রাখালের ভাই শিপন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ এইচ এম আলভির চিকিৎসাধীন আছে।
মহিষের মালিক খলিলুর রহমান জানানা দশমিনা উপজেলায় বিভিন্ন চরাঞ্চলে মহিষ ও গরু চুরির ঘটনা নতুন না। এই চোরের একটি বড় সিন্ডিকেট আছে তারা আইনের ধরাছোঁয়ার বাহিরে। গত রাতে আমার ৬ টি মহিষ চুরি হয়েছে। রাখালের ভাইকে বেঁধে ৬ টি মহিষ নিয়ে যায়। রাখাল সবুজ আমাকে রাতেই জানায়। আমি দশমিনা থানা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। সকালে মহিষের বর্ননা দিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি।
 রাখাল সবুজের ভাই শিপন  জানান গত রাতে ভাইয়া আমাকে চরে রেখে দশমিনা আসে। রাত ১০ঘটিকার সময় অপরিচিত ১০-১২ জন ট্রাল নিয়ে আমাদের বাসার সামনে থামায় পরক্ষনে বাসায় ডুকে আমাকে মারধর করে হাত, পা ও মুখ বেঁধে নদীর ধারে পাতাবনের মধ্যে রেখে মহিষের পাল থেকে ৬ টি মহিষ নিয়ে যায়। আমার ভাই পাতাবন থেকে আমাকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রাখাল সবুজ  জানান আমার মহিষ সহ বিভিন্ন লোকদের ৬০ টি মহিষ চর ভুতম লালন পালন করি। বুধবার রাতে দশমিনা বাজার করতে আসি ছোট ভাইকে রেখে। আমার ভাইকে কে বা কাহারা পাতা বনের মধ্যে রেঁধে রেখে ৬ টি মহিষ নিয়ে যায়। রাতেই দশমিনা থানা পুলিশকে ঘটনার বিষয় জানাই। সকালে সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবদুল আলীম জানান বুধ বার রাতে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চর ভুতম এলাকা থেকে রাখালের ভাইকে বেঁধে ৬ টি মহিষ চুরির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।