ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

রাফছান, দৌলতপুর,কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার এক কাঠমিস্ত্রির পাঠদানে ৩০ জন শিক্ষার্থী  আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন ।

২৩ আগষ্ট শুক্রবার বাদ আসর উপজেলার পূর্বপাড়ার কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেনের বৈঠক খানায় ৩০ জন শিক্ষার্থী আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন।

এই উদ্যোগটি স্থানীয় মডেল মসজিদের ইমাম এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় এবং এতে উপজেলা বাজারের শিলা ফার্নিচার এর স্বত্বাধিকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

শিক্ষার্থীদের বয়স ৭ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এখানে আসেন। ৯ মাস প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা কোরআন শরিফ ধরার এবং আরবি পড়ার দক্ষতা অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত বছর উপজেলা মডেল মসজিদের পেস ইমাম সাইফুল ইসলামের নিকট এক বছর দুই মাস পড়ে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন।

কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন বলেন, সকলের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার ও প্রসারের জন্য এলাকার ছোট বড় ভাই বোনদের আমার বাড়ির বৈঠক খানায় বিনা বেতনে আরবি শিক্ষার কথা বললে অনেকে পড়তে আগ্রহ দেখায় তখন আমার দোকানের কাজের সময় থেকে এক দেড় ঘন্টা এই ধর্মীয় কাজে ব্যায় করে আজ আমি সফল হয়েছি। আগামীতে কেউ কোরআন শিক্ষা নিতে চাইলে আগের মতই শিক্ষা দেবেন বলে তিনি জানান।

ইমাম সাইফুল ইসলাম বলেন, “ফজর ও এশার নামাজের পরে অবসর টাইমে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আরবি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আমজাদ হোসেন আমার নিকট থেকে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে এখন বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষায় অনুপ্রানিত করছেন। মহান রব তাকে এমন আরও ভাল কাজ করার তৌফিক দান করুন।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

আপডেট টাইম : ০৯:০৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

রাফছান, দৌলতপুর,কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার এক কাঠমিস্ত্রির পাঠদানে ৩০ জন শিক্ষার্থী  আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন ।

২৩ আগষ্ট শুক্রবার বাদ আসর উপজেলার পূর্বপাড়ার কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেনের বৈঠক খানায় ৩০ জন শিক্ষার্থী আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন।

এই উদ্যোগটি স্থানীয় মডেল মসজিদের ইমাম এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় এবং এতে উপজেলা বাজারের শিলা ফার্নিচার এর স্বত্বাধিকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

শিক্ষার্থীদের বয়স ৭ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এখানে আসেন। ৯ মাস প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা কোরআন শরিফ ধরার এবং আরবি পড়ার দক্ষতা অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত বছর উপজেলা মডেল মসজিদের পেস ইমাম সাইফুল ইসলামের নিকট এক বছর দুই মাস পড়ে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন।

কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন বলেন, সকলের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার ও প্রসারের জন্য এলাকার ছোট বড় ভাই বোনদের আমার বাড়ির বৈঠক খানায় বিনা বেতনে আরবি শিক্ষার কথা বললে অনেকে পড়তে আগ্রহ দেখায় তখন আমার দোকানের কাজের সময় থেকে এক দেড় ঘন্টা এই ধর্মীয় কাজে ব্যায় করে আজ আমি সফল হয়েছি। আগামীতে কেউ কোরআন শিক্ষা নিতে চাইলে আগের মতই শিক্ষা দেবেন বলে তিনি জানান।

ইমাম সাইফুল ইসলাম বলেন, “ফজর ও এশার নামাজের পরে অবসর টাইমে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আরবি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আমজাদ হোসেন আমার নিকট থেকে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে এখন বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষায় অনুপ্রানিত করছেন। মহান রব তাকে এমন আরও ভাল কাজ করার তৌফিক দান করুন।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন।