ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার কালীগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযান দৌলতপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন দৌলতপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় ২৪৫ কেজি ওজনের শিবলিঙ্গ উদ্ধার,আটক ১ আড়ানী পৌরসভায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঠাকুরগাঁও ১ আসনের উপনির্বাচন; জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী মির্জা ফয়সল বাঘায় উদ্যোক্তা ফোরামের যাত্রা শুরু- লক্ষ্য বেকারত্ব ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ভেড়ামারায় এসআরবির অভিযানে এস্কাফসহ গ্রেপ্তার ৩ আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

রাফছান, দৌলতপুর,কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার এক কাঠমিস্ত্রির পাঠদানে ৩০ জন শিক্ষার্থী  আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন ।

২৩ আগষ্ট শুক্রবার বাদ আসর উপজেলার পূর্বপাড়ার কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেনের বৈঠক খানায় ৩০ জন শিক্ষার্থী আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন।

এই উদ্যোগটি স্থানীয় মডেল মসজিদের ইমাম এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় এবং এতে উপজেলা বাজারের শিলা ফার্নিচার এর স্বত্বাধিকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

শিক্ষার্থীদের বয়স ৭ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এখানে আসেন। ৯ মাস প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা কোরআন শরিফ ধরার এবং আরবি পড়ার দক্ষতা অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত বছর উপজেলা মডেল মসজিদের পেস ইমাম সাইফুল ইসলামের নিকট এক বছর দুই মাস পড়ে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন।

কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন বলেন, সকলের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার ও প্রসারের জন্য এলাকার ছোট বড় ভাই বোনদের আমার বাড়ির বৈঠক খানায় বিনা বেতনে আরবি শিক্ষার কথা বললে অনেকে পড়তে আগ্রহ দেখায় তখন আমার দোকানের কাজের সময় থেকে এক দেড় ঘন্টা এই ধর্মীয় কাজে ব্যায় করে আজ আমি সফল হয়েছি। আগামীতে কেউ কোরআন শিক্ষা নিতে চাইলে আগের মতই শিক্ষা দেবেন বলে তিনি জানান।

ইমাম সাইফুল ইসলাম বলেন, “ফজর ও এশার নামাজের পরে অবসর টাইমে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আরবি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আমজাদ হোসেন আমার নিকট থেকে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে এখন বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষায় অনুপ্রানিত করছেন। মহান রব তাকে এমন আরও ভাল কাজ করার তৌফিক দান করুন।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

আপডেট টাইম : ০৯:০৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

রাফছান, দৌলতপুর,কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার এক কাঠমিস্ত্রির পাঠদানে ৩০ জন শিক্ষার্থী  আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন ।

২৩ আগষ্ট শুক্রবার বাদ আসর উপজেলার পূর্বপাড়ার কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেনের বৈঠক খানায় ৩০ জন শিক্ষার্থী আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন।

এই উদ্যোগটি স্থানীয় মডেল মসজিদের ইমাম এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় এবং এতে উপজেলা বাজারের শিলা ফার্নিচার এর স্বত্বাধিকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

শিক্ষার্থীদের বয়স ৭ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এখানে আসেন। ৯ মাস প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা কোরআন শরিফ ধরার এবং আরবি পড়ার দক্ষতা অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত বছর উপজেলা মডেল মসজিদের পেস ইমাম সাইফুল ইসলামের নিকট এক বছর দুই মাস পড়ে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন।

কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন বলেন, সকলের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার ও প্রসারের জন্য এলাকার ছোট বড় ভাই বোনদের আমার বাড়ির বৈঠক খানায় বিনা বেতনে আরবি শিক্ষার কথা বললে অনেকে পড়তে আগ্রহ দেখায় তখন আমার দোকানের কাজের সময় থেকে এক দেড় ঘন্টা এই ধর্মীয় কাজে ব্যায় করে আজ আমি সফল হয়েছি। আগামীতে কেউ কোরআন শিক্ষা নিতে চাইলে আগের মতই শিক্ষা দেবেন বলে তিনি জানান।

ইমাম সাইফুল ইসলাম বলেন, “ফজর ও এশার নামাজের পরে অবসর টাইমে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আরবি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আমজাদ হোসেন আমার নিকট থেকে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে এখন বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষায় অনুপ্রানিত করছেন। মহান রব তাকে এমন আরও ভাল কাজ করার তৌফিক দান করুন।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন।