ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

বরেন্দ্র অঞ্চলে অধিক লাভের আশায় ঝুঁকেছে কচু চাষীরা

বরেন্দ্র অঞ্চলে অধিক লাভের আশায় ঝুঁকেছে কচু চাষীরা

মোহাম্মদ আককাস আলী :
বরেন্দ্র অঞ্চলে অধিক লাভের আশায় ঝুঁকেছে কচু চাষীরা। গরীবের সবজি হিসেবে বেশি পরিচিত মুখিকচু চাষে কোনো ঝুঁকি না থাকায় বাণিজ্যিক ভাবে কচু চাষ অধিক লাভজনক। তাই অন্যান্য ফসলের পরিবর্তে কৃষকেরা ঝুঁকিবিহীন কচু চাষে মনোযোগ দিচ্ছেন। এ’অঞ্চলে সাদা ও লাল রঙের কচুসহ বিভিন্ন জাতের কচুর চাষ করছেন কৃষকেরা। প্রায় সব জাতের কচুই পানিমগ্ন এলাকায় ও লতিরাজ কচু কিছুটা উচু জমিতে ভালো হয়। ধান চাষের চেয়ে প্রায় পাঁচগুণ বেশি লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কচু চাষে খুব অল্প পরিচর্যা করতে হয়। তাই এর চাষে ঝুঁকিও অনেক কম। এছাড়া ঝড়ে হেলে পড়া কিংবা শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতির কোনো আশঙ্কাও নেই।
বর্তমানে স্থানীয় বাজারে কচুকন্দ ও কচুর লতি ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এর চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। এতে কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। গরু, ছাগল কচু খায় না এবং তা দেখাশোনার জন্য বাড়তি কোনো শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। কৃষক জমিতে মুখি কচু রোপণ করে ৪৫ দিনের মধ্যে বিক্রি করতে পারেন। প্রতি বিঘা জমি হতে ৮০ থেকে ৯০ মণ পর্যন্ত কচু উৎপাদন হয়।
Tag :

নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু

বরেন্দ্র অঞ্চলে অধিক লাভের আশায় ঝুঁকেছে কচু চাষীরা

আপডেট টাইম : ১০:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বরেন্দ্র অঞ্চলে অধিক লাভের আশায় ঝুঁকেছে কচু চাষীরা

মোহাম্মদ আককাস আলী :
বরেন্দ্র অঞ্চলে অধিক লাভের আশায় ঝুঁকেছে কচু চাষীরা। গরীবের সবজি হিসেবে বেশি পরিচিত মুখিকচু চাষে কোনো ঝুঁকি না থাকায় বাণিজ্যিক ভাবে কচু চাষ অধিক লাভজনক। তাই অন্যান্য ফসলের পরিবর্তে কৃষকেরা ঝুঁকিবিহীন কচু চাষে মনোযোগ দিচ্ছেন। এ’অঞ্চলে সাদা ও লাল রঙের কচুসহ বিভিন্ন জাতের কচুর চাষ করছেন কৃষকেরা। প্রায় সব জাতের কচুই পানিমগ্ন এলাকায় ও লতিরাজ কচু কিছুটা উচু জমিতে ভালো হয়। ধান চাষের চেয়ে প্রায় পাঁচগুণ বেশি লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কচু চাষে খুব অল্প পরিচর্যা করতে হয়। তাই এর চাষে ঝুঁকিও অনেক কম। এছাড়া ঝড়ে হেলে পড়া কিংবা শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতির কোনো আশঙ্কাও নেই।
বর্তমানে স্থানীয় বাজারে কচুকন্দ ও কচুর লতি ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এর চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। এতে কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। গরু, ছাগল কচু খায় না এবং তা দেখাশোনার জন্য বাড়তি কোনো শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। কৃষক জমিতে মুখি কচু রোপণ করে ৪৫ দিনের মধ্যে বিক্রি করতে পারেন। প্রতি বিঘা জমি হতে ৮০ থেকে ৯০ মণ পর্যন্ত কচু উৎপাদন হয়।