ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ

লালপুরে পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক ধসে ভাঙন আতঙ্ক

লালপুরে পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক ধসে ভাঙন আতঙ্ক

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: 
নাটোরের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের পদ্মা নদীর বাম তীর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে সিসি ব্লক ধসে পড়ায় নতুন করে ভাঙন আতঙ্কে পড়েছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার পালিদেহা, গৌরীপুর, নুরুল্লাপুর, লক্ষ্মীপুর হয়ে তিলকপুর পর্যন্ত ২২৬ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ দশমিক ৫৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে সম্প্রতি গৌরীপুর তালতলা এলাকা সহ কয়েকটি স্থানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটার অংশজুড়ে সিসি ব্লক নদীতে ধসে গেছে। বর্তমানে নদীতে স্রোত থাকায় আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা জানান, এলাকাটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। কিন্তু বাঁধের ব্লক ধসে পড়ায় নদীর পাড়ে ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি ও চলাচলকারী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সচেতন মহল মনে করেন, কিছু অসচেতন ব্যক্তি মাছ ধরার সময় বাঁধের জিও ব্যাগ ও ব্লকের ফাঁকা স্থানে গর্ত করে বাঁশ, কাঠ বা লোহার রড পুতে রাখেন। এতে জিও ব্যাগ ফুটো হয়ে ভেতরে পানি ঢোকার কারণে ধসের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি বলেও তারা মত দিয়েছেন।
ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু বলেন, “বর্ষাকালে নদীর প্রবল স্রোতে নুরুল্লাপুর, গৌরীপুর ও লক্ষ্মীপুর এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ব্লক ধস দেখা দিয়েছে।”
এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান বলেন, “ঘটনাটি আমাদের জানা আছে। বিষয়টি নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।”
নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাত করিম বলেন, “বাঁধ ধসের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
Tag :

নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

লালপুরে পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক ধসে ভাঙন আতঙ্ক

আপডেট টাইম : ০৮:২৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

লালপুরে পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক ধসে ভাঙন আতঙ্ক

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: 
নাটোরের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের পদ্মা নদীর বাম তীর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে সিসি ব্লক ধসে পড়ায় নতুন করে ভাঙন আতঙ্কে পড়েছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার পালিদেহা, গৌরীপুর, নুরুল্লাপুর, লক্ষ্মীপুর হয়ে তিলকপুর পর্যন্ত ২২৬ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ দশমিক ৫৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে সম্প্রতি গৌরীপুর তালতলা এলাকা সহ কয়েকটি স্থানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটার অংশজুড়ে সিসি ব্লক নদীতে ধসে গেছে। বর্তমানে নদীতে স্রোত থাকায় আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা জানান, এলাকাটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। কিন্তু বাঁধের ব্লক ধসে পড়ায় নদীর পাড়ে ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি ও চলাচলকারী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সচেতন মহল মনে করেন, কিছু অসচেতন ব্যক্তি মাছ ধরার সময় বাঁধের জিও ব্যাগ ও ব্লকের ফাঁকা স্থানে গর্ত করে বাঁশ, কাঠ বা লোহার রড পুতে রাখেন। এতে জিও ব্যাগ ফুটো হয়ে ভেতরে পানি ঢোকার কারণে ধসের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি বলেও তারা মত দিয়েছেন।
ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু বলেন, “বর্ষাকালে নদীর প্রবল স্রোতে নুরুল্লাপুর, গৌরীপুর ও লক্ষ্মীপুর এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ব্লক ধস দেখা দিয়েছে।”
এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান বলেন, “ঘটনাটি আমাদের জানা আছে। বিষয়টি নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।”
নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাত করিম বলেন, “বাঁধ ধসের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”